SEND FEEDBACK

English
Bengali

স্রোতের বিপরীতে সাঁতার কাটা কিছু মানুষকে ‘এবেলা’র কুরনিশ

নিজস্ব প্রতিবেদন | মার্চ ১৭, ২০১৭
Share it on
অদম্য জেদ। এবং নতুন কিছু করার ইচ্ছে। এই দু’টো বিষয়ই সমাজের আর পাঁচজনের চেয়ে আলাদা করে এঁদের। শত-সহস্র মানুষের ভিড়ে মিশে থেকেও নিজ-স্বকীয়তায় এঁরা অনন্য।

অদম্য জেদ। এবং নতুন কিছু করার ইচ্ছে। এই দু’টো বিষয়ই সমাজের আর পাঁচজনের চেয়ে আলাদা করে এঁদের। শত-সহস্র মানুষের ভিড়ে মিশে থেকেও নিজ-স্বকীয়তায় এঁরা অনন্য। শুক্রবার সন্ধ্যায় ‘কলামন্দির’এ বসেছিল ‘আমি আমার মতো সম্মান ২০১৭’। এই নিয়ে চতুর্থ বছরে পড়ল ‘আমি আমার মতো সম্মান’। এবার মোট দশ জনকে ‘আমি আমার মতো সম্মান’ প্রদান করা হয়। বিশেষ বিভাগে সম্মানিত হন পরিতোষ মাঝি এবং বিপিন গানাত্রা। পুরো প্রক্রিয়ায় জুরির ভূমিকায় ছিলেন কৌশিক গঙ্গোপাধ্যায়, অগ্নিমিত্রা পল, দেবশঙ্কর হালদার, শ্রীজাত, সত্যেন্দ্রনাথ ভট্টাচার্য। অনুষ্ঠানে শেষ লগ্নে সংগীত পরিবেশন করেন ইমন চক্রবর্তী।

তিন বিজয়ী:


শৌণক দাস: পেশায় হোমিওপ্যাথি চিকিৎসক। গত আট বছরে বিভিন্ন হাসপাতাল, ব্লাড ব্যাঙ্ক, চিকিৎসকের ঠিকানা তিনি গুগলে আপলোড করেছেন তিনি। যাতে কোনও বিপদে পড়লে মানুষ, সহজেই চিকিৎসকের খোঁজ পান। তাঁর তোলা রিয়েল টাইমের ছবি ৫২ লক্ষ বারেরও বেশি ভিউড হয়েছে। গত বছর ক্যালিফোর্নিয়ায় গুগল হেডকোয়ার্টারেও গিয়েছেন শৌণক। 

মন্দ্রিতা চট্টোপাধ্যায়: জামশেদপুরের হিলটপ স্কুলের ক্লাব ফাইভের ছাত্রী মন্দ্রিতা। শৌচালয়ের বড়ই অভাব এলাকায়! সেই ভয়ে তার বয়সী অনেক মেয়েই বাড়ি থেকে বার হতে চায় না। যার ফলে তারা পড়াশোনাতেও পিছিয়ে পড়ছে দেখে, মন্দ্রিতা তার জমানো ২৪ হাজার টাকা ব্যয় করে এলাকায় দু’টি শৌচালয় নির্মাণ করে। 

তারক চন্দ্র: জন্ম থেকেই দৃষ্টিহীন তিনি। দারিদ্র ও শারীরিক প্রতিবন্ধকতার সঙ্গে লড়াই করে ইতিহাসে মাস্টার্স করেন তিনি। স্কুল শিক্ষক হিসেবে কেরিয়ারের শুরু। নামমাত্র খরচে, কখনও বিনা খরচে পড়ুয়াদের জন্য দু’টি কোচিং সেন্টার শুরু করেন তিনি। একটি মধ্যমগ্রামে। অন্যটি গুমায়।

সত্যেন্দ্রনাথ ভট্টচার্য (এলআইসি’র এগ্‌জিকিউটিভ ডিরেক্টর, কর্পোরেট কমিউনিকেশন, মুম্বই)
অসামাণ্য একটা উদ্যোগ এই ‘আমি আমার মতো সম্মান’। এহেন একটি অনুষ্ঠান প্রক্রিয়ার সঙ্গে যুক্ত হতে পেরে খুব ভাল লাগছে।

শ্রীজাত (কবি)
‘আমি আমার মতো সম্মান’ প্রক্রিয়ার সঙ্গে যুক্ত থাকতে পেরে আমিও সম্মানিত মনে করেছি। এই অনুষ্ঠানের বিচারক হওয়া ব্যাপারটা আমার কাছে আয়নার মতো! এই মানুষগুলোর কাজ দেখার পর নিজের কাজকেও ছোট লাগে।

কৌশিক গঙ্গোপাধ্যায় (পরিচালক)
এই অনুষ্ঠানটার জন্য সারা বছর অপেক্ষা করে থাকি। বছরে অনেক অনুষ্ঠানই তো হয় কিন্তু কিছু অনু্ষ্ঠান মনে দাগ রেখে যায়। ‘আমি আমার মতো সম্মান’ এই রকমই একটা অনুষ্ঠন।

Ebela Paper Award
Share it on
আরও যা আছে
আরও খবর
ওয়েবসাইটে আরও যা আছে
আরও খবর
আমাদের অন্যান্য প্রকাশনাগুলি -