বাঙালির খাওয়াকে বিশ্বের দরবারে নিয়ে গিয়েছেন যে বাঙালি
শেফ হিসেবে জয়মাল্য তাঁর ক্লায়েন্টদের পাতে নিয়ে আসতে চাইছেন অভিনবত্বের প্রবাহ, আর একজন মাথাওয়ালা বঙ্গপুঙ্গব হিসেবে খুঁজে পেতে চাইছেন একটা প্রত্নপথ, যা দিয়ে যুক্ত করা যায় বিগতের সঙ্গে আগামীকে।
প্রিয়জনের প্রকৃত ‘মঙ্গলকামনায়’ নববর্ষের কিছু সময়োপযোগী শুভেচ্ছা
নববর্ষে পরিচিত বা প্রিয়জনকে ‘শুভ নববর্ষ’ বলে দু’চার কথা না বললেই নয়। টেক্সট ম্যাসেজ, হোয়াটস অ্যাপে বা ফোনে, সময়োপযোগী এই শুভেচ্ছাগুলো ট্রাই করতেই পারেন।
আ হ্‌ স্বা দ
স্বাদ-সন্ধানের পালা শেষ। মন ভরে খান!
পহেলা নেশা
নববর্ষ মানেই কব্জি ডুবিয়ে খাওয়া-দাওয়া। খাদ্যরসিক অভিনেত্রীদের মধ্যে টলিউডে প্রথম স্থানে নুসরত জাহান। যেমন খেতে ভালবাসেন, তেমন খাওয়াতেও। কীভাবে কাটে তাঁর এই দিনটা? খোঁজ নিল ‘ওবেলা’।
আজ ছুটি, বস্!
কবে কোন মুঘল বাদশা কর আদায়ের সুবিধার জন্য কী নতুন সন-তারিখ চালু করেছিল, পাঁজি-সর্বস্ব ‘বাঙালি’ এখনও তা ধুয়ে খায়। অ্যাপ-আইপিএল-আইফোন জেনারেশনের তাতে কী আসে যায়?? আজ ছুটি বস্! সেটাই শেষ কথা!
১৪২৩ সালের রাশিগত বর্ষফল
আয় রে নূতন আয়, সঙ্গে করে নিয়ে আয় তোর সুখ, তোর হাসি-গান। কবিগুরুর এই বাণীকে সঙ্গে করেই শুরু করুন নতুন বাংলা বছর। তার আগে জেনে নিন আপনার রাশিফল কী বলছে।
বছরভর ছাড় না অন্য কিছু? বঙ্গজীবনে ফিকে হচ্ছে চৈত্র সেল-এর মজা।
চৈত্র সেল-এ কেনাকাটা করতে সপরিবারে বেরিয়ে পড়া। তারপরে সস্তায় কেনা নতুন জামা, জুতো পড়ে নববর্ষে হালখাতা সাড়া। চৈত্র সেল-এ কেনাকাটার সেই মজাটাই কি হারিয়ে যাচ্ছে?
হালখাতা খুলবার আগে
পয়লা বৈশাখ নিঃসন্দেহে বাঙালির সবচেয়ে বড় উৎসব। এবং ধর্মীয় দেশনামুক্ত। কিন্তু প্রশ্ন জাগতে পারে, বর্ণবাদমুক্ত কিনা।
চেটেপুটে পয়লা! মুখে লেগে থাক সারাবছর...
বছরের প্রথম ভোজ। যেমন তেমন তো আর হতে পারে না। ভূরিভোজ না হলে কি জমে নাকি পয়লা বৈশাখ? মাংস থেকে মিঠাই, পঞ্চব্যঞ্জন তো চাই-ই। রইল কিছু প্রিয় রেসিপি।
হুতোম, ঈশ্বর গুপ্ত, রবি ঠাকুরের পা আর নতুন বছর
আমোদের শেষে বাঙালি যখন নিজের ঘরে ফিরে থিতু হয়ে বসে, তখন তার মাথায় পাক খেতে থাকে নানা বুজভুম্বুলে ভাবনা। প্রশ্ন জাগে, ঠিক কোন ধর্মীয় বা সামাজিক ভিত্তির ওপর দাঁড়িয়ে রয়েছে এই উদযাপন?
পয়লা বৈশাখ, মুক্তিপদ আর উত্তর কলকাতা
এই দ্যাকোনা পয়লা বোসেক কাজ থাকবে না। কিন্তু মালও খেতে পারব না। দস্তুর নেই। সাত্তিক। কিচু দোকানি ব্যাপারী গণেশপুজো হালখাতা করবে।
একলা বৈশাখ
বৈরাগ্য না-এসে বৈশাখ এসেছে। অজানা সমুদ্র আর পা রাখা য়ায় না, এত তপ্ত বালি। সারা জীবনের উত্তাপ যেন জমে গিয়েছে। গরম বরফের হলকা বেরয়।
‘সব চরিত্র কাল্পনিক’
এমন সব নামের পুতুল তো কস্মিনকালে বিক্রির জন্য আসেনি। কি সব নাম তাঁদের ননতাদিদি, উদ্ধদেবদা, আরও আছে নদনদা,বুবিদা,নূর্যদা।
আজ ব্যথা নিয়েই ময়দানে পুজো।
নেই নেই-এর স্বর্গরাজ্য! অথচ সমর্থকের অভাব নেই দুটো ক্লাবে। কীসের টানে ওঁরা সব ছুটে আসেন ক্লাবে? সাফল্য নেই। তবুও। ক্লাবের প্রতি কী অপরিসীম ভালবাসা!
বটতলার উত্তরাধিকার
বই তৈরি করলেই শেষ হয়ে যায় না প্রকাশকের কাজ। তার বিপণনের জায়গাটা নিয়েও ভাবতে হয়। এই মুহূর্তে কারা কেনেন ‘অক্ষয়’-এর বই?