অনেক শ্রাবণ তো পেরোলো! রবীন্দ্রনাথ এখনও কতটা ‘ঝিঙ্কু’?
যে কোনও ‘ঝিঙ্কু’ মামণিকে অথবা ‘ঝিনচ্যাক’ চিকুভাইকে জিজ্ঞাসা করে দেখা যাক, ‘বাইশে শ্রাবণ’ কী? সত্তর ভাগের উত্তর হবে, ‘‘ওই তো ‘পোসেনজিত’-এর সিনেমা! হেব্বি গান! রাইমার চু্ম্মা...’’।
‘‘রবীন্দ্রনাটকে অভিনয় করতে পারিনি, সেজন্য আক্ষেপ হয়’’: দেবশঙ্কর হালদার
এই সময়ের ব্যস্ততম মঞ্চাভিনেতা। তিন দশক অভিনয়ের পরে কী ভাবছেন তিনি রবীন্দ্রনাথ আর তাঁর নাটক নিয়ে? বাইশে শ্রাবণ উপলক্ষে কথায় কথায় দেবশঙ্কর হালদার জানালেন অভীক ভট্টাচার্যকে।
আবার শ্রাবণ হ’য়ে, এলে ফিরে…
শান্তিনিকেতন এখন শুধুই এক বার্ত-বর্ণিত এক আধুনিক ‘মিথ্’! শুধুই পৌষমেলা – বসন্তউৎসব – শনিবারের খোয়াই-এর হাট! এ ব্যাপারে ‘বটু’দেরই (বোকা ট্যুরিস্ট) কেবল দোষ দেবেন না যেন! ‘আঁটু’রাই বা (আঁতেল ট্যুরিস্ট) বা কম যান্ কিসে?
আজও বাঙালির আদরের প্রোডাক্ট রবি ঠাকুর
১৯১৯ সালে যখন ‘নাগটহুড’ প্রত্যাখান করলেন কবিগুরু, তখন থেকে কিছুটা হলেও বাড়তে শুরু করে তাঁর গ্রহণযোগ্যতা। যা এতদিন মুষ্টিমেয় কিছু বাঙালির মধ্যেই সীমাবদ্ধ ছিল, তা এবার ছড়িয়ে পড়তে শুরু করে দেশজুড়ে।
"ফিল্মে রবীন্দ্রসংগীত ব্যবহার করতে উৎসাহী নই": একান্ত সাক্ষাৎকারে অনুপম রায়
কী ভাবেন তিনি রবীন্দ্রসংগীত নিয়ে, কেন রবীন্দ্রসংগীত গান না নিজে, তাঁর সুরারোপিত ছবিতে রবীন্দ্রগানের সংখ্যাই বা এত কম কেন? ২২শে শ্রাবণ উপলক্ষে অভীক ভট্টাচার্যের সঙ্গে কথা বললেন অনুপম রায়।
রবীন্দ্রনাথ-কাদম্বরী দেবীর প্রেম: কতটা জল্পনা আর কতটা সত্যি? পর্ব ৩
আর কাদম্বরী? রবীন্দ্রনাথের প্রতি কী ছিল তাঁর মনোভাব? কেন তিনি আত্মহননের পথ বেছে নিয়েছিলেন? জ্যোতিরিন্দ্রনাথের বিপথগমনকে অনেকে দায়ী করেছেন কাদম্বরীর এই পরিণতির জন্য।
লেখক থেকে ফ্যাশন: বাংলা প্রকাশনা ও রবীন্দ্রনাথ
রবীন্দ্রনাথ নিয়ে যে কোনও বইয়ের ভবিষ্যৎ বিক্রয়যোগ্যতার প্রধান কারণ ডিগ্রিপ্রত্যাশী বাংলা পড়ুয়ার দল। রাজ্যে কলেজ-বিশ্ববিদ্যালয়ের কমতি নেই কোনও, নিত্যনতুন গজিয়েও চলেছে।
রবীন্দ্রনাথ-কাদম্বরী দেবীর প্রেম: কতটা জল্পনা আর কতটা সত্যি? পর্ব ২
‘দেবর ও ভাতৃবধূর যে-সম্পর্ক স্বভাবতই অতি মধুর’, তাকে স্বভাবতই ‘হৃদয়ানুরাগ’ বলে ধরে নিয়েছেন জগদীশবাবু। ফলে গোড়াতেই তাঁর আলোচনা একটি নির্দিষ্ট গতে বাঁধা হয়ে যায়।
রবীন্দ্রনাথ-কাদম্বরী দেবীর প্রেম: কতটা জল্পনা আর কতটা সত্যি? পর্ব ১
কাদম্বরীর মৃত্যুর পরে ঠাকুরবাড়িতে পুলিশ এলেও মৃতদেহ পাঠানো হয়নি মর্গে। বরং করোনার কোর্ট বসানো হয় বাড়িতেই। আত্মহত্যার খবর যাতে কোনও সংবাদপত্রে প্রকাশিত না হয়, তা সুনিশ্চিৎ করতে ঠাকুরবাড়ির তরফে বিভিন্ন মহলে ঘুষ দেওয়ারও হিসেব পাওয়া যায়
একজন কবির ‘মৃত্যু’(রবীন্দ্রনাথ স্মরণে)
কবি কখন ‘মৃত’, কীভাবে, কোথায়? সুনীল গঙ্গোপাধ্যাযের ছায়া পাকড়ে কবিগুরুর খোঁজ করলেন সাম্প্রতিকের কলমচি।
আরও আরও প্রভু আরও, খানিক বাঁচিয়ে তাঁকে মারো
১৯৬১ থেকে ২০০০— এই কালপর্বে বাঙালির রবীন্দ্র-নির্মিতি এমন এক ওঠানামার মধ্যে দিয়ে গিয়েছে যে তার হিসেব রাখাটাই দুরূহ। রবীন্দ্র শতবর্ষের পর থেকে মোটামুটি আজ পর্যন্ত সেই বিসর্পিল ইতিবৃত্তের একটা ঝলক রাখাই এই মুসাবিদার উদ্দেশ্য, তার বেশি কিছু নয়। ও হ্যাঁ, আর একটা কথা, কারোকে ‘আঘাত’ করার উদ্দেশ্যও এই নগণ্য মুসাবিদাটির নেই।
মমতা জমানায় যদি রবি ঠাকুরের মহাপ্রয়াণ হত...
২২ শ্রাবণ, ১৪২৩। ভাবুন, ১৯৪১ সাল নয়, রবি ঠাকুরের প্রয়াণ হয়েছে ২০১৬ সালের ৮ মে। কেমন হত বাংলার চেহারাটা? কেমন করে শেষ শ্রদ্ধা জানাত বাঙালি? গার্ড অফ অনারে ক’টা বন্দুক গর্জে উঠত? ভাবতে ভাবতেই বরং রবীন্দ্রনাথ‌ ঠাকুর ও মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের আবেগময় সম্পর্কের আলোচনায় ঢোকা যাক।