Durga Puja
জগদ্ধাত্রী পুজোর ষষ্ঠীর দিনই রাস্তায় জনস্রোত
মন খারাপ করা বৃষ্টি থেমেছে। রবিবেলায় মেঘ ছেঁড়া আলোর দেখা মিলতেই পথে মানুষের ঢল। চেনা ছন্দে চন্দননগর।
পুজোয় সাদা পোশাকে ১০০০ পুলিশ, ভ্যান থেকে ৩৬০ ডিগ্রি ছবি দেখে নজরদারির ব্যবস্থা
গঙ্গার লাগোয়া উত্তর ২৪ পরগনার ঘাটগুলিতে জানিয়ে দেওয়া হয়েছে, নৌকাগুলি যেন কোনওভাবেই অতিরিক্ত যাত্রী নিয়ে গঙ্গা পারাপার না করে।
বোনেরা যমুনা, ভাইয়েরা কি যম? ভাইফোঁটার অনেক অজানা গল্প বলে চমকে দিন সবাইকে
বাঙালির চির-প্রিয় উৎসব ভাইফোঁটা। না, শুধু বাঙালির নয়, নানা নামে দেশের বিভিন্ন রাজ্যে চলে ভ্রাতৃদ্বিতীয়ার উৎসব। আর তার ইতিহাস নিয়ে রয়েছে নানা কাহিনি।
হাজার হাতের দুর্গা তো দেখেছেন। এবার দেখুন কলকাতার হাজার হাতের কালি...
দেশপ্রিয় পার্কের হাজার হাতের দুর্গার পরে এবার শহরে তৈরি হল হাজার হাতের কালি। দেখে নিন কোথায়...
সুন্দরবনের নারীদের জীবন কাহিনী নিয়ে ক্যানিং-এ সবচেয়ে বড় কালী
‘শুধুমাত্র বিশাল এক মাতৃমূর্তি দিয়ে মানুষকে আকৃষ্ট করা নয়, আমাদের লক্ষ্য সুন্দরবনের মা-মেয়েদের জীবনপঞ্জী সকলের সামনে তুলে ধরা। যাতে সকলের সাহায্যে আগামী দিনে এই সমস্যা থেকে আমরা সুন্দরবনকে মুক্ত করতে পারি...’
দিওয়ালিতে চন্দননগরের আলোয় সাজবে ‘জলসা’-সহ আরও দুটি বাড়ি
এবার যেন আলোর শিল্পীদের ব্যস্ততা একটু বেশিই ছিল, পাশাপাশি ছিল উন্মাদনাও। কারণ, স্বপ্নের সেই নায়কের বাড়ি সাজবে তাঁদের হাতের তৈরি আলোতে। আর সেই সুযোগে যদি একবার দর্শন মেলে তাঁর।
বাজিগ্রাম ব্যস্ত বাজি তৈরিতে
বিদ্যাধরী নদীর অববাহিকায় অবস্থিত এই গ্রামের জমি লবণাক্ত। তাই বছরে একবার ধান চাষ ছাড়া আর কিছুই হয় না এখানে। প্রায় ৪০ বছর ধরে তাই এই এলাকার মানুষরা বাজি তৈরিকেই নিজেদের বিকল্প পেশা হিসেবে বেছে নিয়েছেন।
বারুইপুরে আটক প্রচুর শব্দবাজি, গ্রেফতার এক
সরকারি ভাবে শব্দবাজির উপর নিষেধাজ্ঞা থাকলেও, এই হারালেই লুকিয়ে চুরিয়ে দেদার শব্দবাজি প্রতি বছরই তৈরি ও বিক্রি করে বাজি ব্যবসায়ীরা। এ বছরও তার অন্যথা হল না।
চন্দ্রকোনার বড়কালী মাতার পুজোতে ভক্তরাই পুরোহিত
প্রায় দশ বছর আগে স্থানীয় এক বাসিন্দা সমস্যায় পড়ে কালীমাতার স্মরণাপন্ন হয়েছিলেন৷ কাশীগঞ্জের শ্মশানে তার নিজের জমি ছিল৷ সেই জমিতে বসে কালীসাধনা করে সমস্যা থেকে সমাধান পেয়েছিলেন সেই বাসিন্দা৷ তারপর সেখানেই ৪০ ফুট উঁচু কালীমাতার প্রতিষ্ঠা করেন তিনি৷
গা ছমছমে পরিবেশ, রহস্যময় নদী গর্ভ, প্রাণ বাঁচাতে কাইতাকুড়ার পুজো
জলপাইগুড়ি জেলার ময়নাগুড়িতে, জর্দা নদীতে নাকি রয়েছে গভীর রহস্যময় গর্ত। এবং প্রতি বছরই কাউকে না কাউকে টেনে নেয় ওই গহ্বর। এই নদী পাড়েই রয়েছে কাইতাকুড়া মন্দির।
দেবী লক্ষ্মী শুধু সম্পদের অধিষ্ঠাত্রী নন, তিনি...
শাস্ত্রব্যখ্যায় গেলে দেখা যায়, দেবী লক্ষ্মীর মহিমা সম্পদকে ছাড়িয়ে বহুদূরে প্রসারিত। শাস্ত্রমতে, দেবী লক্ষ্মীর সর্বমোট ৮টি রূপ রয়েছে। প্রতিটি রূপ এক একটি বিষয়কে ব্যক্ত করে।
লক্ষ্মীলাভ! মা লক্ষ্মীকে সৃষ্টি করে এই শিল্পীরা কী পেয়েছেন জানেন? দেখুন ভিডিও
শিব, দুর্গা, গণেশের মতো পটের আকারে লক্ষ্মী দেবীকেও রূপ দেওয়া হয়। আগে লক্ষ্মীর ঘট, মূর্তি পূজা হলেও পরবর্তী সময়ে বাংলায় পটের লক্ষ্মীর পূজা শুরু হয় অধিকাংশ পরিবারে।
রেড রোডে দুর্গা পুজো কার্নিভ্যাল। সরাসরি সম্প্রচার দেখুন
অনুষ্ঠানে উপস্থিত রয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়-সহ বহু বিশিষ্ট মানুষ। উপস্থিত রয়েছেন প্রাক্তন ভারত অধিনায়ক সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায়ও।
নিছক উদ্‌যাপন নয়, বাঙালির এক নিভৃত অনুভূতির নাম বিজয়া
পাড়ার ভবাপাগলা ফাঁকা মণ্ডপের মাটিতে চক দিয়ে দেবীর চোখ আঁকে! কোনও প্রিয়জনের কথা মনে পড়ে কি?
পুজোয় শাঁখ বাজাতে গিয়ে হাঁপিয়ে গিয়েছেন? তবে সাবধান!
শাঁখ না বাজালে পুজো হয় না আর সেই শাঁখ বাজাতে গিয়েই ধরা পড়ে স্বাস্থ্যের অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি দিক। শরীরে কীসের অভাব থাকলে এমনটা হয়? জেনে নিন...
ঝালে-ঝোলে-অম্বলে যদি মাততে চান, তাহলে চলুন ‘ঝাল-ফারেজি’
বেগুন ভাজা, পোস্ত বড়া, আমরুল পাতা বাটা থেকে শুরু করে কাতলা মাছের ভাপা, পুরুলিয়া মুরগির মাংস। শেষপাতে চাটনির বাহারি আয়োজন থেকে মিষ্টিমুখ। পুজোর খাবারে তাই হট প্লেস ‘ঝাল-ফারেজি’
ভুটানের সহযোগিতায় নবমীর মেলা
জলপাইগুড়ির নাগরাকাটার ‘জিতি ভুটান বর্ডার সেভেন্টিন ফাইভ ইউথ ক্লাব’-এর সার্বজনীন দুর্গাপুজার জন্য ভারত ও ভুটান সীমান্তের, বাসিন্দারা দুর্গাপুজার নবমীর দিনটির জন্য অপেক্ষায় থাকেন।
ভিড়ে, বৃষ্টিতে ঘুরে ঠাকুর দেখতে পারেননি? সেরা প্রতিমার শোভাযাত্রা করবে সরকার
দ্বিতীয়বার ক্ষমতায় আসার পরে কলকাতার রেড রোডে শপথ গ্রহণ করেছিল মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সরকার। এ বার সেই রেড রোডেই তৈরি হবে নতুন এক ইতিহাস। শহরের সেরা দুর্গাপুজোগুলির প্রদর্শনেও ব্যবস্থা করতে চলেছে রাজ্য।
মা দুর্গাকে ‘দুগ্‌গা দুগ্‌গা’ বলতে চলুন গঙ্গার ঘাটে। প্রতিমা নিরঞ্জন চাক্ষুষ করে নেওয়ার এই সুযোগ
বোধন থেকে বিসর্জন। মাঝে মাত্র কয়েকটা দিন। পুজো শেষের অন্তিম মুহূর্তের সাক্ষী থাকতে ইচ্ছে হলে সটান চলে যান গঙ্গার বিশেষ কয়েকটি ঘাটে। যেগুলো ঠাকুর বিসর্জন দেওয়ার জন্য বিখ্যাত। সঙ্গে ক্যামেরা রাখবেন অবশ্যই।
আসছে বছর আবার হবে। ২০১৭ সালে দুর্গাপুজো কবে?
পুজো ‘আসছে আসছে’ সেই কবে থেকে। আর যেই না এল পুজো, অমনি শেষও হয়ে গেল। চারটে দিন কোথা দিয়ে যে কেটে গেল!
পেটপুজোর হিসেব সল্টলেক এবং দমদম এলাকায়
সল্টলেক এবং দমদম এলাকায় অসংখ্য পুজো দেখতে গিয়ে চালিয়ে নিন পেটপুজোর হিসেবটাও। আগে থেকে রুটম্যাপ করা থাকলে শুধু হদিস জানার পালা।
এক ‘বাবা’-র ৫১ সন্তান! প্রথমবার ঠাকুর দেখল কলকাতায় এসে
ঠাকুর, মণ্ডপ, আলো, মানুষের ভিড় দেখে বেজায় খুশি পুরুলিয়া থেকে আসা কচিকাঁচারা। তার সঙ্গে বাড়তি প্রাপ্তি আইসক্রিম-সহ টুকটাক খাওয়া দাওয়া।
পুজোয় বাড়িতেই পেটপুজো! আমিষ প্রেমীদের জন্য জিভে জল আনা রেসিপি
নবমী বলে কথা! অষ্টমীর দিন নিরামিষ খাওয়ার পর এদিন তো মন চাইবেই আমিষ খেতে। বাড়িতেই বানিয়ে ফেলুন রকমারি আমিষ পদ।
‘চিচিংফাঁক’ বললে তবেই হবে ঠাকুর দর্শন
দাসপুর থানার সোনাখালি স্কুলপাড়া সার্বোজনীন দুর্গোৎবের এবার ১৬ তম বর্ষ৷ প্রতিবারই কিছু না কিছু ব্যতিক্রমী মণ্ডপ তৈরি করার চেষ্টা করে এরা৷ রূপকথার এই গল্পকে সকলের সামনে তুলে ধরতে এই খরচ হয়েছে প্রায় ১৩ লক্ষ টাকা৷
খয়ের খালের বিশেষ আর্কষণ সোনার দুর্গা প্রতিমা
অনেক বছর আগে এই খয়ের খাল থেকেই সোনার দুর্গা প্রতিমা পাওয়া গিয়েছিল, যা গোসানীদেবী হিসেবে পূজিতা হন। গ্রামে দুর্গাপুজোয় করা হয় এই মূর্তিতে। মূর্তিটির উচ্চতা ৭ ইঞ্চি। দশভূজার মূর্তিতে দুটি সিংহ রয়েছে
থিমপুজো দেখে চোখ ক্লান্ত হয়ে গেলে চোখ রাখতে পারেন বনেদি বাড়ির দিকে
‘বারোয়ারি’ তখনও সর্বজনীন হয়নি। সেই সময় থেকেই বাড়ির পুজো তার বনেদিয়ানার জৌলুসে গরিমান্বিত।
দেখে আসুন মফস্‌সলের পুজো
ভিড় ঠেলে পুজো দেখতে ইচ্ছে করে না? শহরের বাইরে চলে যান। গ্রামবাংলার পুজো দেখতে গেলে খুব বেশিদূর যেতে হবে না। উত্তর কিংবা দক্ষিণ চব্বিশ পরগনার একটু ‘রিমোট’ জায়গাগুলোয় পৌঁছে যেতে পারলেই অন্য রকম গন্ধ পাবেন।
শত বছর পেরনো নাজিরবাড়ির দুর্গোৎসব
অগ্রণী-র সুবিশাল পুজোমণ্ডপের ঠিক উল্টোদিকেই চোখে পড়বে, সদ্য লাল-সাদা রং করা, নহবৎখানা-যুক্ত একটি প্রবেশদ্বার। সেখান থেকেই দেখা যায় বাড়িটির দুর্গাদালান।
বিজয়া নয়, মহাষ্টমীতেই সিঁদুর খেলেন এখানে এয়োরা, ভিডিও দেখুন
দেবীর রং উদীয়মান সূর্যের আভার রঙে করা হয় এখানে। শুধু তাই নয়, মহিষাসুরের রংও এখানে অন্যরকম। এখানে মহিষাসুর সবুজ বর্ণের।
মতি শীলের ‘ঠাকুরবাড়ী’
বিসর্জন মানেই আরও এক বছরের অপেক্ষা। কিন্তু শীলবাড়িতে এমনটা নয়। বিদায়বেলায় ‘মেয়ে’কে পান-সুপুরি দিয়ে ‘নিমন্ত্রণ’ করা হয় পরের বছর আসার জন্য।
সন্ধি পুজো কী, কেন, কখন? কী ফল মেলে? সকলেই কি পুজোর অধিকারী?
দুর্গাপুজো মানেই সন্ধি পুজো। অষ্টমীর দিনে পুজো হয়। কিন্তু ঠিক কখন হয় সন্ধি পুজো? কী ফল লাভ হয়? এই বছরে সন্ধি পুজোর সঠিক সময় কী?
যতখুশি ইলিশ খান! সঙ্গে চিংড়ি, মাটন, বিরিয়ানি। কোথায়?
স্টার্টারে থাকবে তন্দুরি পমফ্রেট, আজওয়ান ফিশের মতো পদ। শেষ পাতে থাকছে ডেসার্টস।
পুজোয় মমতার একাধিপত্যে ভাগ বসালেন মোদীও! কোথায়? জেনে নিন
মমতার পাল্টা হিসেবে নরেন্দ্র মোদী। এবারে মুখ্যমন্ত্রী বনাম প্রধানমন্ত্রীর লড়াই পুজো মণ্ডপেও।
নিখোঁজ হয়ে ভিড়ের মধ্যে ভিড় হয়ে ভেসে যাই...
মেয়েটা কাঁদছিল। আমার পাড়ায় থাকা বেশ টোকো দেখতে সেই মাড়োয়ারি মেয়েটা। আমি খানিকটা দেখতেও পেয়েছি। শুনতেও পেয়েছিলাম বেশ খানিকটা।’
রাত ফুরোলেই পুজো, এদিকে দেবীর গায়ে রং করা তখনও বাকি!
রাতেই দেবী তাঁকে স্বপ্নে আদেশ দিয়েছেন, যেন অপরাজিতা রঙেই দেবীর পুজো করা হয়। সেই থেকেই কৃষ্ণনগরের চট্টোপাধ্যায় পরিবারে অপরাজিতা রঙে পূজিত হয়ে আসছেন দেবী। কৃষ্ণনাগরিকদের কাছে তিনি ‘নীল দুর্গা’।
আনন্দধারায় উৎসব শুরু, উদ্‌যাপন মসৃণ হোক
আকাশে আশ্বিনের ট্রেডমার্ক পেঁজা মেঘ। পথে মানুষের ঢল। উৎসবের উত্তাপ গ্রহণ করতে মানুষ এই ক’দিন কাজভোলা উত্তেজনার সঙ্গে বেহিসাবি।
এবার পুজোয় কেএফসি-তে আড্ডা দিয়ে জিততে পারেন অনেক পুরস্কার
পুজো মানেই পেটপুজো। তার সঙ্গে যদি জিতে নেওয়া যায় পুরস্কার তবে সোনায় সোহাগা হয়। জেনে নিন কেএফসি পুজো প্রতিযোগিতায় কীভাবে অংশ নেবেন...
মহিষাসুরের বংশধর ‘অসুর’ সমাজও এবার পুজোর মণ্ডপে
উত্তরবঙ্গের জলপাইগুড়ি, আলিপুরদুয়ার ও শিলিগুড়ির একাধিক অঞ্চলে বসবাস করেন অসুর সম্প্রদায়ের মানুষ। শারদোৎসবে কী করেন তাঁরা?
ময়নাগুড়ির বসুনিয়া বাড়ির দুর্গা পুজায় ধরা পড়ে রাজবংশী সমাজের চালচিত্র
রাজবংশী সমাজে দুর্গা দেবী ‘ঠাকুরানি’ নামে পরিচিত। বসুনিয়া পরিবারেরও পুজো হয় ওই নামেই। এখানে দেবীর পরনে লাল তাঁতের শাড়ি। চোখ, নাক ও মুখের গড়নে ঘরের মেয়ের ছাপ।
দুর্গা বাঙালির মরশুমি দেবী, কিন্তু সমাজে এই পুজোর অবদান গভীর
‘দুর্গাপুজো আশ্চর্য সালসার মতো কাজ করে। এই সময়ে বাঙালি জাগ্রত হয়, উদ্যোগী হয়, ঘরমুখী হয়, উদারও হয়।’
হঠাৎ করেই এক সুন্দরী এসে বলল, তোমার নম্বরটা পাওয়া যাবে
পুজোতে আমাদের বাঙালি মেয়েদের এমনিতে খুব সুন্দর লাগে। বিশেষ করে অষ্টমীর দিন যেহেতু সবাই ইন্ডিয়ান অ্যাটায়ারে থাকে— সব মিলিয়ে একটা অদ্ভুত চার্ম আসে, ভাল লাগে। তাই ক্রাশ হওয়াটা খুব স্বাভাবিক।
কলাবউ কাদের কুলের বউ? নবপত্রিকা পূজায় কী ফল মেলে?
দুর্গাপুজো মানেই গণেশের পাশে কলাবউ। অনেকে ভুল জানেন যে কলাবউ গণেশের বউ। এটা একেবারেই ঠিক নয়। বরং কলাবউ দেবীস্বরূপা।
দুর্গা পুজোয় আপনার গন্তব্য হতে পারে সুন্দরবনের ঝড়খালি
কলকাতার সায়েন্স সিটি মোড় থেকে গাড়িতে মাত্র আড়াই ঘণ্টা। অথবা শিয়ালদহ দক্ষিণ শাখার ক্যানিং লাইনের ট্রেন ধরে ক্যানিং স্টেশান থেকে বাসে করে পৌঁছনো যায় ঝড়খালি। সেক্ষেত্রেও, ঘণ্টা তিনেকের মধ্যে পৌঁছে যাওয়া যায় নদী আর ম্যানগ্রোভ ঘেরা সবুজ, স্নিগ্ধ প্রকৃতির মাঝে।
‘তেহাই’-এর তালে জেগে উঠছে ‘মা’
সংসার সামলে নিজেদের প্রাণের আনন্দে গান গাওয়া যে একদিন ‘ব্যন্ড’-এর রূপ নেবে, তা বোধহয় নিজেরাই জানতেন না। এখন তো পাড়ার পুজোয় একটি সন্ধ্যা তেহাই-এর নামেই বরাদ্দ।
অক্ষরে অক্ষরে পুজো আসছে, ক্যালিগ্রাফি বলে দিচ্ছে ‘এসো মা’
পুজো এসে গিয়েছে মহালয়া থেকেই! সোশ্যাল মিডিয়া শহর ছাড়িয়ে সারা দুনিয়ায় পুজোর ছবিতে দাপিয়ে বেড়াচ্ছে! ভিড়ের মাঝেই আলাদা করে চোখে পড়ছে আরও কিছু জিনিস। যেগুলো বেশ সৃজনশীল। তার মধ্যেই ‘অক্ষরে অক্ষরে’ পুজো বেশ জনপ্রিয় হয়েছে। ক্যালিগ্রাফি, তবে পেন-পেনসিলে নয়। বিভিন্ন সফ্‌টওয়্যারের মাধ্যমে।
প্রথমায় পুজো, দ্বিতীয়ায় বিদায়। এই বাংলাতেই রয়েছে দুর্গা পুজোর অবাক রীতি
প্রতিপদে মা দুর্গা আসেন, আর দ্বিতীয়াতেই চলে যান। বাতাসে তখন সবে পুজো পুজো গন্ধ, নতুন পোশাক কেনার আগেই পুজো শেষ।
মহিষাদলের ২৩৮ বছরের দুর্গাপুজো
এ পরিবারের পুজো প্রতিপদাদি কল্পে হয়। আগে, তিথি অনুপাতে চালের ভোগ দেওয়া হত। যেমন, প্রতিপদে এক মণ থেকে শুরু করে নবমীতে নয় মণ। কিন্তু এখন আর তা সম্ভব হয় না।
কৈলাস থেকে সোজা ইংল্যান্ড, বাঙালিয়ানা কিন্তু ১০০%
এখন এখানে ‘অটম’। প্রকৃতি সেজে উঠেছে সবুজ, লাল আর গেরুয়া রঙে। দেশের পুজোর নস্টালজিয়া। ‘প্রবাসী উমা’রা দেশে যেতে না পারলেও, তাদের আবাহনে মা উমা আসছেন বিলেতে, বাপের বাড়িতে।
ডিজাইনার অভিষেক রায়ের পুজো-বিশেষ শাড়ির কালেকশন
এমন একটা অনসেম্বল যেখানে ফিউশন ঘটেছে ট্রাডিশন এবং ট্রেন্ডের। অনেকটা সেই ভাবনা থেকেই অভিষেক রায় সাজিয়েছেন তাঁর ‘পিউপ’ কালেকশন।
অষ্টধাতুর মূর্তিতেই পাঁচ গ্রামের দুর্গাপুজো
এই অঞ্চলে জোগ্যদা দেবী অধিষ্ঠিত থাকায় কোনও মাটির প্রতিমার দুর্গা পুজো হতো না। তাই এলাকার মানুষের আশা পূরণ করতে আট ইঞ্চি উচ্চতার অষ্টধাতুর দশভূজা মূর্তি প্রতিষ্ঠা করা হয়।
পেটপুজোয় চিকেন দো পেঁয়াজা বা কাবাব, শিলিগুড়িতে মিলবে মোঘল বিরিয়ানিও
পুজোর জন্য শিলিগুড়ির বিভিন্ন রেস্তোরাঁগুলি যাবতীয় প্রস্তুতি সেরে ফেলেছে। এবার খালি পকেটের ভার বুঝে ঢুকে পড়ার অপেক্ষা। তবে কি খাবেন তা আগেভাগে ঠিক করেই পছন্দ করুন সেরা রেস্তোরাঁটি।
কাশিমবাজার রাজবাড়ির ঐতিহ্যময় পুজো
১৭৪০ সালে রেশমের ব্যবসায়ী দীনবন্ধু রায় অধুনা বাংলাদেশের ফিরজপুর থেকে ব্যবসার জন্য এসেছিলেন কাশিমবাজারে। পরে এই কাশিমবাজারেই বসবাস করতে আরম্ভ করেন তিনি। মুর্শিদাবাদের কাশিমবাজারের ছোট রাজবাড়িতে তার পর থেকেই শুরু হয় দুর্গাপুজো।
আটলান্টায় শরতের হাতছানি
উৎসবের তিথি নিয়ে অনেক আপস, অনেক অসঙ্গতি, তবু সব কিছু তুচ্ছ হয়ে যায় পুজো নিয়ে প্রবাসী বাঙালির অনড় ‘করঙ্গে ইয়া মরেঙ্গে’ মনোভাব ও মনোবলের কাছে। নিজেদের তৈরি সংগঠনের ছাউনির তলায় দাঁড়িয়ে ‘কন্যা দায়গ্রস্ত’ নয়, ‘কন্যা আবাহনে’ ব্যস্ত তাঁরা।
এই ছোট্ট শিল্পীর গড়া এক ফুটের দুর্গাই এবার পুজিতা হবেন মন্ডপে
ছোট থেকেই হাতের কাজে প্রবল আগ্রহ ছিল গোপালের। সেই নেশার টানেই বছর তিনেক আগে সে গড়ে ফেলে এক ফুট দীর্ঘ একটি দুর্গা প্রতিমা।
পুজোর মাঝেই শহর কলকাতার বনেদিয়ানা
ট্যুরিজিমের সঙ্গে যোগ হয়েছে বাংলার ঐতিহ্য রক্ষার তাগিদ। ‘ট্র্যাডিশন’, ‘হেরিটেজ’, ‘কালচার’— অভিজিৎবাবু এ শহরের সব কিছু তুলে ধরতে চান আগামী প্রজন্মের কাছে।
স্মৃতির চিরকূটে কখনও সোনমের ধোতি, কখনও বা বড়লোকের জিন্স...
তখন আমি ক্লাস নাইনে। তখন বোঝার বয়স হয়েছে। বরাবরই নিজের সৌন্দর্য্য খুব উপভোগ করতাম। আমাকে যে সবাই পছন্দ করে সেটা ভেবে মজা পেতাম...
কচুবন থেকে মা গেলেন সেনবাড়ির দুর্গাদালানে
একটা সময় পুজোর নৈবেদ্যতে থাকত আড়াই মন চাল, বলি হত মোষ ও ছাগল। এখন তা অতীত। কিন্তু পূর্বপুরুষদের নির্দেশ মতো বদল হয়নি পুজোর নিয়ম রীতি। তাই গ্রামবাসীরা এখনও তাকিয়ে থাকে গুপ্তিপাড়ার জমিদার সেনবাড়ির পুজোর দিকে।
পুজোটাই বদলে গেল বিধায়ক বৈশালীর, মহারাজ কি বালিতে যাবেন?
একটা বছর যেন অনেকটা সময়। জগৎটাই বদলে গিয়েছে। তাই পুজোও বদলে গিয়েছে বৈশালী ডালমিয়ার। জগমোহন ডালমিয়ার মেয়ে হিসেবেই খ্যাতি ছিল তাঁর। কিন্তু এখন তিনি যে শাসকদলের বিধায়ক।
ভাটিন্ডার শিল্পাঞ্চলে মাতৃবন্দনা
পঞ্জাব প্রদেশের সর্ববৃহৎ শিল্পতালুক, ভাটিন্ডাকে বলা হয় তুলো ও গমের শহর। এইচপিসিএল মিত্তল এনার্জি লিমিটেডের, এইচএমইএল টাউনশিপের বাঙালি বাসিন্দারা এখানে মাতৃ আরাধনার সূচনা করেন ২০১২ সালে।
সবচেয়ে বড় দুর্গা এখন কোথায়? কোথায় গেলে মিলবে ‘বড়’মায়ের দর্শন?
ঠিক এক বছর আগে এই সময়ে শুধু কলকাতা নয়, গোটা রাজ্য এবং ভিন রাজ্যে আলোচনার শীর্ষে ছিলেন তিনি। দেশপ্রিয় পার্কের ‘বড়’ মা। কিন্তু দেবী-দর্শন আর হয়নি। এখন কোথায় তিনি?
সংখ্যায় হিন্দু বেশি, তাও দুর্গাপুজো করতে পারেন না কাংলাপাহাড়ির গ্রামবাসীরা
হিন্দু বাঙালির শ্রেষ্ঠ পুজো দুর্গোৎসব। কিন্তু বীরভূমের এই গ্রামে হিন্দুদের সংখ্যা বেশি থাকা সত্ত্বেও, দুর্গাপুজো হয়না এখানে। কিন্তু কেন?
পুজোর ছুটি কাটাতে কালিম্পঙের পাহাড়িয়া হোম-স্টে
কালিম্পঙের প্যাটেন-গোদক, তোদে-তাংতা, সুরুকের মতো পাহাড়ি গ্রামে সদ্য গজিয়ে ওঠা হোম-স্টে হতে পারে এবারের পুজোর ছুটি কাটানোর ডেস্টিনেশন।
পুজোর বাজারে গায়ে ডিও নয়, গরম চা মাখুন
ভারতীয় স্মৃতিরেখায় সবথেকে নস্ট্যালজিক সুগন্ধ কী? এই প্রশ্নের উত্তর খুঁজতে বসে অবধারিত ভাবেই উঠে এসেছে চায়ের প্রসঙ্গ।
পুজো মানেই নতুন গান
পুজোর স্মৃতি বলতে প্রথমেই যেটা মনে আসে, তা হল পুজোর গান। ছোটবেলায় আমাদের কাছে যা ছিল খুব গুরুত্বপূর্ণ। এখন পুজো কাছে এলে সেই ব্যাপারটা কেমন যেন ‘মিসিং’ লাগে— মনের কথা বললেন অভিনেতা শাশ্বত চট্টোপাধ্যায়।
শারদোৎসবে বস্টন যখন হয়ে ওঠে বাংলা
স্থান নিউ ইংল্যান্ড, কাল FALL বা শরৎ। ক্লোসেট থেকে জ্যাকেট-গ্লাভস-টুপি উঁকি মারলেও, গ্রেটার বস্টনের বাঙালিরা তাকে রীতিমত কাঁচকলা দেখিয়ে স্কুলগুলোর (পুজোমণ্ডপ) সামনের ডেস্কে সেজেগুজে ‘প্রেজেন্ট প্লিজ’ বলে হাজিরা দেন।
সারা ভারতের শাড়ি আর লোকগয়নায় বুটিক সাজিয়েছেন লোপামুদ্রা
সংগীতজীবনের ২৫ বছরেই জন্ম নিয়েছে তাঁর বুটিক ‘প্রথা’। এবারের পুজোর জন্য কেমন সম্ভার সাজিয়েছেন? জানালেন লোপামুদ্রা, সঙ্গে দিলেন সাজগোজের টিপস। দেখুন ‘প্রথা’র দুর্গাপুজো ২০১৬ কালেকশন—
মায়ের অপমানের বদলা নিতেই বাড়িতে শুরু দুর্গাপুজো
প্রায় চারশো বছর আগে তমলুকের ব্যাবত্তা গ্রামের সার্থকরাম ঘোষাল মায়ের অপমান সহ্য করতে না পেরে ঘটে দুর্গাপুজা শুরু করেন। তার কয়েক বছর পর মৃণ্ময়ী রূপে নিয়মনিষ্ঠা মেনে পুজো শুরু হয়।
পুজোর মধ্যে একটা দিন বেড়িয়ে আসুন জয়রামবাটি-কামারপুকুর
কামারপুকুরের খ্যাতি শ্রীরামকৃষ্ণ পরমহংসদেবের বাসভূমি হিসাবে। কামারপুকুর থেকে প্রায় ৭ কিলোমিটার পশ্চিমে অবস্থিত জয়রামবাটি স্থানটিও বেশ ঐতিহ্যমণ্ডিত, কারণ এটি সারদা দেবীর জন্মস্থান।
বিমান-রেল-সড়ক: উত্তরবঙ্গে বাড়তি পরিষেবা পুজোর জন্য
পুজো পুজো পুজো... অনেকেই অনেক আগে থেকে সব টিকিট বুক করেই রেখেছিলেন। কিন্তু যাঁরা করেননি, তাঁরা কি তা হলে ঘরে বসেই পুজো কাটাবেন? একেবারেই না! পুজোর জন্য উত্তরবঙ্গে পৌঁছনোর বিশেষ ব্যবস্থা হয়েছে আকাশ-রেল ও সড়ক পথে।
ভারত বাংলাদেশ সীমান্তে প্রাচীন দুর্গা
জলপাইগুড়ির কাছে দক্ষিণ বেরুবাড়ির সাতকুড়ার নাউতারি দেবোত্তর মৌজায় এই মন্দিরের নাম দেবী গর্ভেশ্বরী। পুরনো বৈকুণ্ঠপুর রাজবংশের নিত্য পূজিতা দেবী তিনি।
‘শত্রুবলি’, এক অন্য রীতি জলপাইগুড়ির নিয়োগী বাড়ির
পুজোর রীতিতে ‘শত্রুবলি’র মতো রেওয়াজ আজও নজরকাড়া জলপাইগুড়ির নিয়োগী বাড়ির পুজোয়। নিয়োগী পরিবারের দুর্গাপুজায় ‘শত্রুবলি’ আসলে প্রতীকি বলির নামান্তর মাত্র।
সব পুজোকে টেক্কা দেবে মুখ্যমন্ত্রীর থিম? এমন দুর্গা পুজো কলকাতায় প্রথমবার
এই বছর কলকাতায় স্বয়ং মুখ্যমন্ত্রী পুজোর থিম হয়েছেন। তাঁকে নিয়েই হচ্ছে মণ্ডপসজ্জা। কিন্তু এবার প্রথম রাজ্য সরকারের উদ্যোগে কলকাতা সাজবে পুজোর আলোয়।
কীভাবে বদলেছে পুজোর মুখ, কী বলছে গবেষণা?
... বদল আসে দুর্গার মুখের গঠনেও। পুরনো প্রতিমায় যে ‘বাংলা চাল’-এর ঠাকুর আমরা দেখেছি, তার টানা চোখ, শুকপাখির মতো নাসা। পরে পূর্ববঙ্গের রুদ্রপাল শিল্পীরা তাকে বদলান। খানিকটা ন্যাচারালিজমের ছোঁয়া এসে লাগে দেবীমুখে।
বাঙালির নিজস্ব টি-শার্ট ও তার পর...
‘কবীরা’ আজ রীতিমতো ব্র্যান্ড। আর কেবল মাত্র টি-শার্টেও আটেকে নেই জুল। টি-র পাশাপাসি খাদি বা খেস কুর্তা, শার্ট-ও সংযোজিত হয়েছে কবীরা-র ফ্যাশন স্টেটমেন্টে। যোগ হয়েছে ডোকরা গয়নার সম্ভারও।
পুজোর সুরে ‘ফিরে দেখা’ শোভনের
এই অ্যালবামে শোভন তাঁর কৈশোরের কিছু ‘পুজোর গান’-কে ফিরে দেখতে চেয়েছেন। শোভনের কৈশোর মানে ১৯৯০-এর দশক। সেই সময়ে পুজোর গান মানে রূপঙ্কর, গৌতম ঘোষাল, নচিকেতা।
কলকাতায় শুরু হয়ে গেল ১৮ দিনের দুর্গা পুজো। ফাঁকায় ফাঁকায় দেখে আসুন
মহালয়ার আগেই বোধন। আর পুজোও শুরু হয় গেল ছ’দিন আগে। চলবে একেবারে মহানবমী পর্যন্ত।
এখানে দেবী পূজিতা হন মহিষাসুর ছাড়াই: ঝামাপুকুরের চন্দ্র বাড়ি
দেবী এখানে পূজিতা হন শিবদুর্গা মূর্তিতে। গৌরীকে হরের কোলে আসীন অবস্থায় দেখতে পাওয়া যায়।
শরতের কাশফুল কি শুধুই দেখার, ছবি তোলার? নাকি কাজেও লাগে?
কাশফুলই সবার আগে জানান দেয় উৎসব আসছে। পুজো এসে গেল। শুভ্র কাশবন যেন শারদীয়ার বার্তা নিয়ে আসে।
চিংড়ি মাছের ভুনায় পুজোয় বাঙালির রসনা-বিহার, ঠিকানা ৬ বালিগঞ্জ প্লেস...
মাছের আড়ম্বরে মাংসের মিশেল। তবে যাঁরা নিরামিশাষী, তাঁদের জন্যও থাকছে বিশুদ্ধ সব বাঙালি পদের আয়োজন। পুজোর দিনে জম্পেশ সেই ভুরিভোজের রসনাকে কীভাবে আড়াল করবে আম বাঙালি?
এবারে পুজোর সাজ হোক একটু আলাদা
রেডিমেড গার্মেন্টস-এ অবশ্য ফিটিংস নিয়ে নো-ঝামেলা। সাইজ স্মল থেকে ডবল এক্সএল... পুরুষ-মহিলা নির্বিশেষে সকলের কমফর্ট-লেভেল মাথায় রেখেই ডিজাইনাররা সৃষ্টি করেন নিত্যনতুন বেশভূষা।
কাশী বোস লেনে শিল্পের আবহ
সিঙ্গুর থেকে টাটাগোষ্ঠীর কারখানার শেড যদি না-ও আসে, তাতেও কাশী বোস লেনের এ বছরের পুজোমণ্ডপের চমক একটুও কমবে না। কারণ, এবারের থিম— শিল্পায়নের আগ্রাসনে সবুজায়ন যেন বিপন্ন না হয়।
ঝিনুকের কৈশোরে আমার ফেলে আসা শারদীয়া গন্ধ...
‘ঝিনুকের বয়সে আমি যা যা করতাম ও এখন ঠিক সেইগুলোই করে’, নিজের ছোটবেলার কথা বলতে গিয়ে সেটাই বললেন টলিউডের সুন্দরী অভিনেত্রী শ্রাবন্তী চট্টোপাধ্যায়।
বড়শুলের দে বাড়ির মাতৃবন্দনা
প্রায় ২৫০ বছরেরও বেশি পুরনো এই বাড়ির পুজো। যাদব চন্দ্র দে ছিলেন এই এলাকার জমিদার। তাঁর হাত ধরেই মা আসেন এই বাড়িতে। এখনও সেই পুজো ঐতিহ্যের সঙ্গে পালন করে চলেছেন দে বাড়ির সদস্যরা।
পদ্মের গল্প
পূর্ব মেদিনীপুরের কোলাঘাট, পাঁশকুড়া, কেশবপুর, হাকোলা থেকে যাওয়া পদ্মফুলে অভিষিক্তা হন মা দুর্গা। সেই কারণেই পদ্মফুল চাষিদের এখন নাওয়া-খাওয়ার সময় নেই। ঝিলে ঝিলে পদ্মকুঁড়ি তোলাতে ব্যস্ত তাঁরা।
কেমন হবে পুজোর পাঁচদিনের সাজ? জানালেন, অগ্নিমিত্রা পাল
কেমন হবে পুজোর সাজ? সপ্তমীর সকালে কী পরবেন আর নবমীর সন্ধ্যার সাজই বা কেমন হবে? যাই হোক, অষ্টমীতে কিন্তু রেট্টো লুক মাস্ট...