SEND FEEDBACK

English
Bengali

মার্কিন মুলুক কাঁপাচ্ছে বঙ্গতনয়ার কবিতা

সায়নী ঘটক | জানুয়ারি ৫, ২০১৭
Share it on
ডোনাল্ড ট্রাম্পের আমেরিকা নিয়ে দুশ্চিন্তা করেন লগ্নজিতা। বেলমন্ট বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রী স্বপ্ন দেখেন, একদিন পৃথিবীর সব যুদ্ধ থেমে যাবে। তাই নিয়েই তাঁর বই, ‘দিস ইজ আওয়ার ওয়ার’।

কলেজের প্রথম বর্ষের ছাত্রী। এর মধ্যেই আমেরিকার ইয়ুথ পোয়েট লরিয়েট হওয়ার দৌড়ে নাম লিখিয়ে ফেলেছেন ১৯ বছরের লগ্নজিতা মুখোপাধ্যায়। বর্তমানে ন্যাশভিলের বাসিন্দা লগ্নজিতা ‘সাউথ-ইস্ট রিজিওনাল ইয়ুথ পোয়েট লরিয়েট’ নির্বাচিত হয়েছেন। প্রতিযোগিতার ফাইনাল আগামী এপ্রিলে। এই সুবাদেই ডাক পেয়েছিলেন হোয়াইট হাউসে, মিশেল ওবামার সঙ্গে দেখা করতে।
ডোনাল্ড ট্রাম্পের আমেরিকা নিয়ে দুশ্চিন্তা করেন লগ্নজিতা। বেলমন্ট বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রী স্বপ্ন দেখেন, একদিন পৃথিবীর সব যুদ্ধ থেমে যাবে। তাই নিয়েই তাঁর বই, ‘দিস ইজ আওয়ার ওয়ার’। বইয়ের চারটে পর্ব শুরু হচ্ছে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর, নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসু, শ্রীমদ্ভগবদ্গীতা আর মহাত্মা গাঁধীর উদ্ধৃতি দিয়ে। লগ্নজিতা বিশ্বাস করেন, কলমের জোরে থামানো যায় দুনিয়ার যাবতীয় দাঙ্গা-বিদ্বেষ-বৈরিতা। কবিতা লেখার অনুপ্রেরণা, বাবা লেখক-সাংবাদিক শুভঙ্কর মুখোপাধ্যায় এবং মা গবেষক সুতপা মুখোপাধ্যায়। ২০১৪ সালে কলকাতায় এসে তিনখানা কবিতা লিখেছিলেন লগ্নজিতা। ‘‘ন্যাশভিলে ফিরে গিয়ে ইয়ুথ পোয়েট লরিয়েট প্রতিযোগিতায় নাম দিই। তিনটে কবিতা চেয়েছিল ওরা। আর আমার কাছে ওই তিনটেই ছিল!’’ বললেন লগ্নজিতা।
বিদেশে গিয়ে একাকীত্ব থেকেই কবিতা লেখার শুরু। মা-বাবা, শিক্ষকেরা, শহর কলকাতা, সবকিছু চলে আসে লগ্নজিতার কবিতায়। জানালেন, প্রায়ই মিস্‌ করেন এই শহরকে। এখানে তাঁর ছোটবেলার অনেক স্মৃতি জড়িয়ে। তাঁর ‘মেমোরিজ, আ ফিস্টফুল’ কবিতাটিতেই যেমন এসেছে কলকাতার লোডশেডিং, মোমবাতির আলোয় ডিনার, মশারি, রিকশা, পিকনিক, ম্যাজিক শো, ইত্যাদি নস্ট্যালজিয়া।
সম্প্রতি কলকাতার আমেরিকান সেন্টারের লাইব্রেরিতে হয়ে গেল লগ্নজিতার কবিতা-পাঠের সেশন— ‘ফ্রম দ্য পেজ টু দ্য স্টেজ’। অনুষ্ঠানে ইউএস কনসাল জেনারেল ক্রেগ হল ছাড়াও উপস্থিত ছিল কলকাতার বিভিন্ন স্কুলের ছাত্রছাত্রীরা।

Lagnageeta Poet Poetry
Share it on
আরও যা আছে
আরও খবর
ওয়েবসাইটে আরও যা আছে
আরও খবর
আমাদের অন্যান্য প্রকাশনাগুলি -