SEND FEEDBACK

English
Bengali

স্বাদবদলে রসুন

সংবেত্তা চত্রবর্ত্তী | মার্চ ১৮, ২০১৭
Share it on
প্রিয়া সিনেমার একতলায় আগে ছিল তাম নামে এক রেস্তোরাঁ। ফাইন ডাইনিং এবং ভারতীয় খাবার— এই দুই এলিমেন্টের উপরেই জোর দেওয়া হয়েছিল যেখানে। নতুন রেস্তোরাঁ বার্নট গার্লিক’এর অবস্থান এবং মালিকানা একই। কিন্তু ধরন পাল্টে গিয়েছে পুরোপুরি।

প্রিয়া সিনেমার একতলায় আগে ছিল তাম নামে এক রেস্তোরাঁ। ফাইন ডাইনিং এবং ভারতীয় খাবার— এই দুই এলিমেন্টের উপরেই জোর দেওয়া হয়েছিল যেখানে। নতুন রেস্তোরাঁ বার্নট গার্লিক’এর অবস্থান এবং মালিকানা একই। কিন্তু ধরন পাল্টে গিয়েছে পুরোপুরি।
বার্নট গার্লিক’এর কর্ণধার এষা দত্তের কথায়, ‘‘তাম বন্ধ হয়ে যাওয়ার পর জায়গাটা ফাঁকাই পড়ে ছিল। আমার বরাবর ইচ্ছে ছিল, একটা রেস্ট্রো-বার-ক্যাফে খোলার। একই ছাদের তলায় চা-কফি-ককটেল-স্ন্যাক্স-মিল, সব! তাছাড়া মুভি হলের নীচে রেস্তোরাঁ। সিনেমা তো সব বয়সের, সব ধরনের মানুষই দেখেন। তাই সকলের চাহিদা মেটানোর কথাটাও মাথায় রাখতে হয়েছিল। বার লাইসেন্স আগে থেকেই ছিল। ফলে সেদিকেও কোনও অসুবিধে হয়নি!’’
বার্নট গার্লিক’এর অন্দরসজ্জার দায়িত্ব সামলেছেন সিনোগ্রাফার স্বরূপ দত্ত। রেস্তোরাঁর মধ্যে তৈরি করা হয়েছে তিনটে লেভেল। একটা তো অবশ্যই বার, যেখানে লাইভ পারফরম্যান্সেরও বন্দোবস্ত রয়েছে। একতলায় বার ছাড়াও রয়েছে রেস্তোরাঁর একটা অংশ, যাঁরা স্রেফ খাওয়া-দাওয়া পছন্দ করেন তাঁদের কথা ভেবে। উপরতলার মেজাজটা লাউঞ্জের মতো। 


অন্দরসজ্জার উপকরণগুলো  ভীষণভাবে ঘরোয়া বাঙালি জীবনের সঙ্গে জড়ানো। বার এবং রেস্তোরাঁর অংশটাকে আলাদা করার জন্য যে ঝরোখার মতো দেখতে জিনিসটা ব্যবহার করা হয়েছে, সেটা তৈরি হয়েছে রুটি-লুচি-পরোটা বেলার অজস্র বেলুন দিয়ে। দেওয়াল সাজানো হয়েছে এমব্রয়ডারি ফ্রেমের ভিতর রংবেরঙের ফ্যাব্রিক দিয়ে। পুরনো বাঙালিয়ানার আমেজ এসেছে তাতে। পায়ে-চালানো সেলাইকল দিয়ে তৈরি হয়েছে কয়েকটা টেবিলের নীচের অংশ। কাঠ কেটে বার করা হয়েছে আয়নার ফ্রেম। আলোও খুব চোখধাঁধানো কিছু নয়। ‘‘আমি চেয়েছিলাম, অন্দরসজ্জাটা রঙিন, মন ভাল করা হোক,’’ বললেন এষা।
মেনু চেনাশোনাই। স্যুপ, স্যালাড, স্টার্টার, মেন কোর্স, অল-ডে ব্রেকফাস্ট, পিৎজা, তন্দুরে রাঁধা পদ, সব পাবেন। প্যান ফ্রায়েড স্যামন, গ্রিল্‌ড জাম্বো শেল প্রন, গ্রিল্‌ড পেপার পর্ক টেন্ডারলয়েন ইত্যাদি ডিশও রয়েছে, যেগুলো দক্ষিণ কলকাতায় সর্বত্র মেলে না। ‘‘আমরা কিন্তু ইন্ডিয়ান স্যামন ব্যবহার করি না। এখানে নরওয়েজিয়ান স্যামনই পাবেন,’’ বললেন এষা। 


শেষ পাতের কেকগুলো হোম বেকারদের থেকে আনান তাঁরা। ঘুরিয়ে-ফিরিয়ে বিভিন্ন স্বাদের কেক রাখেন, যাতে একঘেয়েমি না আসে। এ ছাড়া রয়েছে চকোলেট সিন— যাকে রিচ চকোলেট মুজেরই একটা ভার্সন বলা যায়। আর ক্যারামেল কাস্টার্ড। ডেজার্ট অফ দ্য ডে, স্যুপ অফ দ্য ডে’রও আয়োজন করেছেন তাঁরা। মরসুমি খাবার ভিত্তি করে ডিশ অফ দ্য ডে করারও পরিকল্পনা রয়েছে।
বি দ্র: শেষে সবচেয়ে জরুরি কথাটা। বার্নট গার্লিক’এর টেবিলগুলোর নীচের দিকটায় রয়েছে চার্জিং পয়েন্ট। অর্থাৎ, ‘দাদা, ফোন কোথায় চার্জ দেব’টা এখানে এসে অন্তত জিগ্যেস করতে হবে না!

কখন: দুপুর ১২টা থেকে রাত সাড়ে ১১টা
কত: অ্যালকোহল নিলে দু’জনের জন্য ১২০০ টাকা (কর অতিরিক্ত)। অ্যালকোহল ছাড়া ১০০০ টাকা (কর অতিরিক্ত)

Priya cinema restaurant
Share it on
আরও যা আছে
আরও খবর
ওয়েবসাইটে আরও যা আছে
আরও খবর
আমাদের অন্যান্য প্রকাশনাগুলি -