SEND FEEDBACK

English
Bengali

৪০ বার চাকরি পেয়েও তা হারান সাদ্দাম হুসেন, তার পরে...

নিজস্ব প্রতিবেদন, এবেলা.ইন | মার্চ ১৯, ২০১৭
Share it on
ইরাকের শাসক সাদ্দাম হুসেনের নাম আজানা নয় কারোরই। নৃশংস তার সেই শাসনকাল শেষ হয় ২০০৩ সালে, যখন মার্কিন বাহিনী তাকে হত্যা করে। বিশ্বজুড়ে এই নাম তাই হয়ে গিয়েছে অবাঞ্ছিত।

তাঁর বয়স এখন মাত্র ২৫ বছর। নাম সাদ্দাম হুসেন। এবং এখানেই তাঁর জীবনের সব থেকে বড় বিড়ম্বনা।

তামিলনাড়ুর নুরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সফলতার সঙ্গে মেরিন ইঞ্জিনিয়ারিং পাস করেছেন প্রায় দু’ বছর আগে। তাঁর ব্যাচমেটদের প্রায় প্রত্যেকেই চাকরি পেয়ে জীবনে থিতু হয়ে গিয়েছেন এতদিনে। কিন্তু, পাস করার পরে, এখনও পর্যন্ত ৪০ বার চাকরি থেকে প্রত্যাখ্যাত হন সাদ্দাম।

কারণ একটাই। তাঁর নাম। সাদ্দাম হুসেন। 

ইরাকের শাসক সাদ্দাম হুসেনের নাম আজানা নয় কারোরই। তাঁর সেই নৃশংস শাসনকাল শেষ হয় ২০০৩ সালে, যখন মার্কিন বাহিনী তাঁকে গ্রেফতার করে। তার পরে এক দীর্ঘ বিচারে তাঁর প্রণদণ্ড হয়। সাদ্দাম হুসেন নামটার সঙ্গেই তাই জড়িয়ে রয়েছে এক কলঙ্কময় ইতিহাস ও স্মৃতি।

মেরিন ইঞ্জিনিয়ারিং পাশ করা সাদ্দাম হুসেন কি আর জানতেন যে, মেধার থেকেও বড় হয়ে দাঁড়াবে ঠাকুরদাদার আদর করে দেওয়া তাঁর নাম! প্রসঙ্গত, ২০১৪ সালে তাঁর ব্যাচে তিনি ছিলেন দ্বিতীয় স্থানাধিকারী।

এক ইংরেজি দৈনিকের প্রতিবেদন অনুযায়ী, ঠাকুরদাদাকে অনেক শ্রদ্ধা জানিয়ে এখন সাদ্দাম থেকে সাজিদ হয়েছেন তিনি। তাতে বিপত্তি যে কিছু কমেছে, তা একেবারেই নয়। নাম এভিডেফিট করিয়ে পাসপোর্ট, ভোটার কার্ড, ড্রাইভিং লাইসেন্স— সব রকম নথিই হাতে পেয়ে গিয়েছেন সাজিদ হুসেন। কিন্তু, সমস্যা রয়েই গিয়েছে চাকরির জগতে। কারণ, অ্যাপয়ন্টমেন্ট লেটার দেওয়ার আগে প্রত্যেক কম্পানিই সাজিদের এডুকেশনাল সার্টিফিকেট চাইছে। এবং ঘটনাচক্রে সেখানে তাঁর নাম এখনও সাদ্দাম-ই রয়েছে।

দশম ও দ্বাদশ শ্রেণির সার্টিফিকেটে নাম পরিবর্তনের জন্য সিবিএসসি-র সঙ্গে যোগাযোগ করেছেন জামশেদপুরের বাসিন্দা সাজিদ হুসেন। কিন্তু, কোনও ফল না পাওয়ায় বাধ্য হয়ে ঝাড়খণ্ড হাই কোর্টের দারস্থ হয়েছেন তিনি। কোর্ট গত সপ্তাহেই তাঁর হিয়ারিং-এর তারিখ ঠিক করেছে আগামি ৫ মে। এখন শুধুই অপেক্ষা।

Saddam Hussain Marine Engineer Sajid Hussain Jharkhand
Share it on
আরও যা আছে
আরও খবর
ওয়েবসাইটে আরও যা আছে
আরও খবর
আমাদের অন্যান্য প্রকাশনাগুলি -