SEND FEEDBACK

English
Bengali

কোর্ট থেকে দূরে সরে মার্কিন মুলুকে এখন রাজকীয় বাড়ির প্রেমে জোকার

নিজস্ব প্রতিবেদন | এপ্রিল ৩, ২০১৭
Share it on
ডান কনুইয়ে চোট থাকায় মায়ামি ওপেন থেকে সরে দাঁড়িয়েছিলেন বিশ্বের দু’নম্বর। তবে চোটে টেনিস র‌্যাকেট ধরতে সমস্যা হলেও পেন হাতে ফটাফট সই করেছেন একটা-দু’টো নয়, তিন-তিনটে বিলাসবহুল বাসস্থান কেনার চুক্তিপত্রে! তিনটিই মার্কিন মুলুকে। নিউ ইয়র্ক ও মায়ামিতে।

চোট তাঁকে টেনিস কোর্টের বাইরে থাকতে বাধ্য করলে কী ভাবে সময় কাটান নোভাক জকোভিচ? উত্তরটা সহজ, তিনি বাড়ি কেনেন!
ডান কনুইয়ে চোট থাকায় মায়ামি ওপেন থেকে সরে দাঁড়িয়েছিলেন বিশ্বের দু’নম্বর। তবে চোটে টেনিস র‌্যাকেট ধরতে সমস্যা হলেও পেন হাতে ফটাফট সই করেছেন একটা-দু’টো নয়, তিন-তিনটে বিলাসবহুল বাসস্থান কেনার চুক্তিপত্রে! তিনটিই মার্কিন মুলুকে। নিউ ইয়র্ক ও মায়ামিতে।
নিউ ইয়র্কের সোহো’য় ৫৬৫ ব্রুম স্ট্রিট ঠিকানার টুইন টাওয়ারে দুই-বেডরুমের দু’টি কন্ডোমিনিয়াম এখন জকোভিচের নামে। যাতে রয়েছে নিজস্ব জিম। রান্নাঘর সাজানো লাভা জমে তৈরি পাথরে। সুইমিং পুল, পাব, কী নেই! কাজ প্রায় শেষের দিকে। শোনা যাচ্ছে, আগামী বছরেই সেখান থেকেই যুক্তরাষ্ট্র ওপেন খেলতে পারবেন বারো গ্র্যান্ড স্ল্যাম খেতাবের মালিক।
আর মায়ামির এইটি সেভেন পার্কে নির্মীয়মান বহুতলে যা কিনেছেন, ছবির ভিত্তিতে সেটাকে স্বপ্নপুরী বললে অত্যুক্তি হয় না। সৈকতের উপর আগাপাস্তালা স্ফটিক-স্বচ্ছ কাচে মোড়া ডিম্বাকৃতি সেই ‘ম্যানসন’এর সঙ্গে ফাউ— সামনের আদিগন্ত বিস্তৃত অতলান্তিকের মোহিনী শোভা। দিন থেকে রাত, রং বদলের সঙ্গে সঙ্গে সমুদ্রের নানা মেজাজ কাচের দেওয়ালের এ পার থেকে নিজের বিছানায় শুয়ে বা বৈঠকখানায় চা খেতে খেতে অথবা বাড়ি ঘেরা কাচের গোল বারান্দায় দাঁড়িয়ে উপভোগ করবেন জকোভিচ।
সার্বিয়ান মহাতারকা এই আবাসন অভিযানে খরচ করেছেন মাত্র কুড়ি মিলিয়ন ডলার। ভারতীয় টাকায় অঙ্কটা প্রায় একশো তিরিশ কোটি। সোহো’র দুই-বেডরুমের দু’টি কন্ডোমিনিয়ামের দাম পড়েছে ১১ মিলিয়ন ডলার। মায়ামির তিন বেডরুমের ম্যানসনের দাম প্রায় ৯ মিলিয়ন।
এক সঙ্গে তিনটি বাড়ি কেন? নিজের খরিদ্দারিতে খুশি জোকার বলেছেন, ‘‘নক্সা দেখে দু’টো বিল্ডিংয়েরই প্রেমে পড়ে যাই। জায়গাগুলোও দুর্দান্ত। খেলার জন্য প্রতি বছর নিউ ইয়র্ক আর মায়ামিতে আসতেই হয়। ভাবলাম নিজের বাড়ি থেকেই খেলতে যেতে পারলে মন্দ হয় না।’’
জকোভিচের তিন বাড়িকে এক সূত্রে বাঁধছে একটা নাম। বিশ্ববিখ্যাত ইতালীয় স্থপতি রে়ঞ্জো পিয়ানো। কানসাই বিমানবন্দর, লন্ডনের শার্ড টাওয়ারের মতো সাড়া ফেলা স্থাপত্য ৭৯ বছরের রেঞ্জোর সৃষ্টি। তাঁর হাতেই নক্সা তৈরি নিউ ইয়র্ক আর মায়ামিতে জোকারের জোড়া প্রেমের।
জোকারও নাকি এই মুহূর্তে এক জোড়া! 
প্রথমজন শুরু করে দিয়েছেন ক্লে কোর্ট মরসুমের প্রস্তুতি। এপ্রিল পয়লায় ছবি-সহ টুইট করেছেন, ‘‘ক্লে-তে ট্রেনিং দারুণ চলছে। বেলগ্রেড আমি আসছি!’’
অন্যজনকে দেখা যাচ্ছে মায়ামি ওপেনে। রাফা বনাম রজার ফাইনালের তেজিয়ান বাজারেও গ্যালারিতে যাঁকে দেখে চমকে উঠেছেন মায়ামি ওপেনের কর্তারা। ছবি তুলে সটান টুইটই করেছেন জকোভিচকে। সঙ্গে প্রশ্ন, ‘‘ওহে জোকার, তোমার কি কোনও জমজ আছে?’’ ছবি দেখে দারুণ মজা পেয়েছেন জকোভিচও। পাল্টা টুইট করেছেন, ‘‘তোমরা দেখছি আমাকে খুব মিস করছ। জমজ খুঁজে বের করেছ! ভদ্রলোক কিন্তু দারুণ দেখতে!’’

Novak Djokovic
Share it on
আরও যা আছে
আরও খবর
ওয়েবসাইটে আরও যা আছে
আরও খবর
আমাদের অন্যান্য প্রকাশনাগুলি -