SEND FEEDBACK

English
Bengali

নারদ কাণ্ডের রায়ে মমতার মাথায় বাজ! সিবিআই তদন্তের নির্দেশ

নিজস্ব প্রতিবেদন, এবেলা.ইন | মার্চ ১৭, ২০১৭
Share it on
নারদ নিউজের ভিডিওতে দেখা গিয়েছিল তৃণমূলের প্রথম সারির নেতারা এক ‘ব্যবসায়ীর’ থেকে ঘুষ নিচ্ছেন। এবার তার তদন্ত করবে সিবিআই।

নারদ নিউজের স্টিং অপারেশনের তদন্তভার সিবিআই-এর হাতে তুলে দিল কলকাতা হাইকোর্ট। শুক্রবার কলকাতা হাইকোর্টের ভারপ্রাপ্ত প্রধান বিচারপতি নিশীথা মাত্রে ও বিচারপতি তপোব্রত চক্রবর্তীর ডিভিশন বেঞ্চ এই রায় দেয়। 

এর ফলে চাপে পড়ে গেলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এই স্টিং অপারেশনে তৃণমূলের প্রথম সারির প্রায় ১২ জন নেতা এবং এক আইপিএস অফিসার অভিযুক্ত। তদন্ত ভার সিবিআই-এর হাতে চলে যাওয়ায় চিট ফান্ড কাণ্ডের মত এই স্টিং অপারেশন নিয়েও রাজ্যের শাসকদলকে চাপে ফেলতে পারে কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থা।

আদালত জানিয়ে দিয়েছে নারদ নিউজের ফুটেজ কোনও ভাবে বিকৃত হয়নি। ফুটেজের ফরেন্সিক পরীক্ষাতে তা প্রমাণ হয়েছে। সিবিআই তদন্তের সঙ্গে আইপিএস অফিসার এইচ এম এস মির্জার বিরুদ্ধে বিভাগীয় তদন্তেরও নির্দেশ দিয়েছেন বিচারপতিরা। তাঁদের রায়ে বিচারপতিদ্বয় জানিয়েছেন, সিবিআইকে ২৪ ঘণ্টার মধ্যে নখি তুলে দিতে হবে ও ৭২ ঘণ্টার মধ্যে তাদের প্রাথমিক রিপোর্ট দিতে হবে। 

নারদ নিউজের দুই সাংবাদিক ম্যাথিউ স্যামুয়েল এবং এঞ্জেল আব্রাহাম এই স্টিং অপারেশন চালায় বলে দাবি করা হয়েছিল। গোপন ক্যামেরায় তারা যে ছবি তুলে ধরেছেন তাতে দেখা গিয়েছিল, মুকুল রায়, মেয়র শোভন চট্টোপাধ্যায় থেকে শুরু করে তৃণমূল কংগ্রেসের নেতারা টাকা নিচ্ছেন। সেখানে একজন আইপিএস অফিসারকেও এক নেতার হয়ে টাকা নিতে দেখা যায়।

তৃণমূলের অভিযুক্ত নেতারা হলেন:

শোভন চট্টোপাধ্যায়
মুকুল রায়
ফিরহাদ হাকিম
সুব্রত মুখোপাধ্যায়
কাকলি ঘোষ দস্তিদার
সৌগত রায়
শুভেন্দু অধিকারি
শঙ্কুদেব পণ্ডা
সুলতান আহমেদ
ইকবাল আহমেদ
মদন মিত্র
প্রসূন বন্দ্যোপাধ্যায়
অপরূপা পোদ্দার

 আরও পড়ুন:—

নারদের ভিডিও ফুটেজ খতিয়ে দেখতে চায় হাইকোর্ট

নারদ কেলেঙ্কারি নিয়ে মমতা সরকারের রক্তচাপ বাড়াচ্ছে হাইকোর্ট। পুলিশকে মোক্ষম প্রশ্ন

 ২০১৬ সালের মার্চ মাসে পশ্চিমবঙ্গের বিধানসভা নির্বাচনের সময় সেই ফুটেজ প্রকাশ্যে আনা হয়। দাবি করা হয় স্টিং অপারেশনটি শুরু হয়েছিল ২০১৪ সালের লোকসভা নির্বাচনের আগে।

এরপরেই কলকাতা হাইকোর্টে জনস্বার্থ মামলা করা হয়। সিবিআই তদন্তের জন্য আবেদনও করা হয়। সেই মামলার শুনানি চলে প্রায় এক বছর ধরে। রাজ্য সরকার ও অভিযুক্ত নেতাদের আইনজীবীরা সিবিআই তদন্তের বিরোধিতা করেন। তাঁরা পুলিশকে দিয়েই এই তদন্ত করানোর সওয়াল করেন।

কিন্তু এই স্টিং অপারেশনে একজন পুলিশ অফিসারও অভিযুক্ত হওয়ায় পুলিশের নিরপেক্ষতা নিয়ে প্রশ্ন তোলে আদালত। 

কলকাতা পুলিশ এই ঘটনার তদন্ত শুরু করলেও তাতে স্থগিতাদেশ দেয় কলকাতা হাইকোর্ট। ফুটেজের ফরেন্সিক পরীক্ষাও করানো হয় এবং দীর্ঘ সওয়াল জবাব চলে আদালতে।

Narada Sting Operation Narada News TMC Calcutta High Court
Share it on
আরও যা আছে
আরও খবর
ওয়েবসাইটে আরও যা আছে
আরও খবর
আমাদের অন্যান্য প্রকাশনাগুলি -