SEND FEEDBACK

English
Bengali

রায়ের পরেই বেনজির নিরাপত্তায় মেয়র

নিজস্ব সংবাদদাতা | মার্চ ১৮, ২০১৭
Share it on
এক বছর আগে নারদ-কাণ্ড সামনে আসার পরপরই নিরাপত্তা বাড়ানো হয়েছিল পুরসভায় মেয়রের ঘরের সামনে। শুক্রবার হাইকোর্টের রায় ঘোষণা হতেই সেই নিরাপত্তাই আরও কঠোর করা হল।

নিরাপত্তার নজিরবিহীন বলয়ে কলকাতার মেয়র শোভন চট্টোপাধ্যায়!
এক বছর আগে নারদ-কাণ্ড সামনে আসার পরপরই নিরাপত্তা বাড়ানো হয়েছিল পুরসভায় মেয়রের ঘরের সামনে। শুক্রবার হাইকোর্টের রায় ঘোষণা হতেই সেই নিরাপত্তাই আরও কঠোর করা হল।
এদিন মেয়রের ঘরের সামনে নিরাপত্তার নজরদারি চোখে পড়ার মতো। পুরকর্মীদের একাংশও তাঁর ঘরে ঢুকতে গিয়ে প্রশ্নের মুখে পড়লেন। এক পদস্থ আধিকারিকের বক্তব্য, ‘‘মেয়রের ঘরের সামনে স্বয়ংক্রিয় রাইফেল হাতে নিরাপত্তারক্ষীরা, এমন কখনও দেখিনি!’’ আজ, শনিবার ২০১৭-’১৮ অর্থবর্ষের বাজেট পেশের কথা। সূত্রের খবর, সেই সংক্রান্ত এদিন কয়েকটি বৈঠকও হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু মেয়র তাড়াতাড়ি পুরসভা থেকে বেরিয়ে যাওয়ায় সেগুলিও বাতিল হয় বলে সূত্রের খবর। 


পুর আধিকারিকদের আরেকাংশের অবশ্য বক্তব্য, মেয়র তথা মন্ত্রী শোভন জেড প্লাস ক্যাটেগরির নিরাপত্তা পান। তাই এটা নতুন কিছু নয়। তাঁদের আরও বক্তব্য, পূর্ব নির্ধারিত কোনও বৈঠকই বাতিল করা হয়নি। শোভনও নিরাপত্তার কড়াকড়ির বিষয়টি উড়িয়ে দিয়েছেন। শোভনের কথায়, ‘‘আমার নিরাপত্তা থাকতেই পারে। কিন্তু সে জন্য বাইরের কাউকে ঢোকার ক্ষেত্রে কোনও নিষেধাজ্ঞা ছিল না। আর হাইকোর্টের রায়ের প্রসঙ্গে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় যা বলার বলেছেন। সে ব্যাপারে আমার কিছু বলার নেই।’’ তৃণমূলের সহ-সভাপতি মুকুল রায়ের কথায়, ‘‘হাইকোর্টের রায় সম্পর্কে দলের বক্তব্য জানিয়ে দিয়েেছেন চেয়ারপার্সন।’’ পরিবহণমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর বক্তব্য, ‘‘আইনি লড়াই চলবে। এর থেকে বেশি কিছু বলার নেই।’’ সাংসদ কাকলি ঘোষদস্তিদার, সুলতান আহমেদ, মন্ত্রী সুব্রত মুখোপাধ্যায়েরা বলেন, ‘‘মুখ্যমন্ত্রী যা বলার বলে দিয়েছেন।’’


ঘটনাচক্রে, হাইকোর্টের রায় বেরনোর পর এদিন নারদ-কাণ্ডে অভিযুক্ত অন্যদের সঙ্গে যোগাযোগ করা যায়নি। প্রাক্তন মন্ত্রী মদন মিত্র ‘ব্যস্ত’ থাকায় ফোন ধরতে পারেননি। ফোন ধরেননি মন্ত্রী ফিরহাদ হাকিম, সাংসদ অপরূপা পোদ্দার, শঙ্কুদেব পণ্ডা, আইপিএস অফিসার এস এম এইচ মির্জাও। সাংসদ সৌগত রায়ের ফোন ‘নট রিচেবল’ ছিল। আরেক সাংসদ প্রসূন বন্দ্যোপাধ্যায়কে ফোন করা হলে তাঁর এক ঘনিষ্ঠ জানান, তিনি অধিবেশন কক্ষে রয়েছেন। পরে তিনি ফোন ধরেননি। পুরসভার ডেপুটি মেয়র ইকবাল আহমেদ শুধু বলেন, ‘‘আমি ভীষণ অসুস্থ। কথা বলার 
অবস্থায় নেই।’’  

 

Sovon Chatterjee Narada
Share it on
আরও যা আছে
আরও খবর
ওয়েবসাইটে আরও যা আছে
আরও খবর
আমাদের অন্যান্য প্রকাশনাগুলি -