SEND FEEDBACK

English
Bengali

চিকিৎসার গাফিলতিতে বাদ যেতে চলেছে শিশুর হাত!

নিজস্ব সংবাদদাতা | মার্চ ২১, ২০১৭
Share it on
বিদ্যুৎস্পৃষ্ট এক শিশুর চিকিৎসায় চূড়ান্ত অবহেলার অভিযোগ উঠল এন আর এস হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে। পরিবারের অভিযোগ, চিকিৎসায় গাফিলতির জেরেই শিশুটির হাতের একাংশ কেটে বাদ যেতে চলেছে। এ ব্যাপারে মুখ্যমন্ত্রীর দফতরে অভিযোগও জানিয়েছে পরিবার।

বিদ্যুৎস্পৃষ্ট এক শিশুর চিকিৎসায় চূড়ান্ত অবহেলার অভিযোগ উঠল এন আর এস হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে। পরিবারের অভিযোগ, চিকিৎসায় গাফিলতির জেরেই শিশুটির হাতের একাংশ কেটে বাদ যেতে চলেছে। এ ব্যাপারে মুখ্যমন্ত্রীর দফতরে অভিযোগও জানিয়েছে পরিবার।
পরিবারের তরফে জানা গিয়েছে, গত ৫ মার্চ বিকেলে বেলঘরিয়ার সূর্যনগরে দোতলা বাড়ির ছাদে খেলছিল ১১ বছরের রাকেশ মণ্ডল। কোনওভাবে ছাদের উপর দিয়ে হাই-টেনশন তারে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয় তার ডানহাত। গুরুতর জখম রাকেশকে কামারহাটির সাগর দত্ত হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে রাকেশের চিকিৎসার পরিকাঠামো না থাকায় নিয়ে যাওয়া হয় আর জি কর হাসপাতালে। সেখানেও চিকিৎসা হয়নি। রাত ১০টা নাগাদ রাকেশকে এন আর এসে নিয়ে যায় পরিবার। প্রথমে সেখানে তাকে ভর্তি নিতে চাননি কর্তৃপক্ষ। তবে পরে তাকে ভর্তি করে পাঠানো হয় আইসিইউ-এ। রাকেশের মা গৌরী মণ্ডলের অভিযোগ, ৭ তারিখে রাকেশকে জেনারেল বেডে দেওয়ার পর থেকে তার চিকিৎসায় আর কোনও নজর দেওয়া হয়নি। এরপর প্রায় সপ্তাহখানেক ওইভাবেই ফেলে রাখা 
হয় রাকেশকে। 
ইতিমধ্যে রাকেশের হাতে সংক্রমণ দেখা দেয়। উপযুক্ত চিকিৎসার জন্য পরিবারের তরফ থেকে একাধিকবার অনুরোধ করা হয় সংশ্লিষ্ট চিকিৎসকদের। কিন্তু কোনও ফল হয়নি। ১৪ মার্চ সুপার হাসি দাশগুপ্তের দ্বারস্থ হয় পরিবার। সুপারের হস্তক্ষেপে রাকেশকে প্লাস্টিক সার্জারি বিভাগে স্থানান্তরিত করা হয়। চিকিৎসকেরা জানান, পচন ধরায় রাকেশের হাত কব্জি থেকে কেটে বাদ দিতে হতে পারে। 
ছেলের এহেন পরিণতিতে ক্ষুব্ধ পরিবার সোমবার হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে মুখ্যমন্ত্রীর দফতরে অভিযোগ জানিয়েছে। রবিবার এন্টালি থানায় লিখিত অভিযোগও করেছেন রাকেশের বাবা-মা। যদিও অবহেলার অভিযোগ খণ্ডন করে সুপার এদিন জানান, শিশুটির ঠিকঠাক চিকিৎসাই হচ্ছে। বিদ্যুৎস্পৃষ্ট রোগীর ক্ষেত্রে রক্ত সংবহন বন্ধ হয়ে যায়। শিশুটির ক্ষেত্রেও তাই হয়েছে। সেই কারণে তাকে প্লাস্টিক সার্জারি বিভাগে পাঠানো হয়েছে। এরপর বিভাগীয় চিকিৎসকেরা যা সিদ্ধান্ত নেবেন 
সেটাই চূড়ান্ত।

NRS Hospital Rakesh Mondol
Share it on
আরও যা আছে
আরও খবর
ওয়েবসাইটে আরও যা আছে
আরও খবর
আমাদের অন্যান্য প্রকাশনাগুলি -