SEND FEEDBACK

English
Bengali

গত দু’বছরে ভর্তি হয়নি কেউ! শূন্য ক্লাসঘরে জমছে ধুলো, ছাত্র নেই সরকারি স্কুলে

অর্ক ভাদুড়ি | জানুয়ারি ১২, ২০১৭
Share it on
কোথাও স্কুলের চেহারা ধ্বংসস্তূপের মতো। ছাত্রসংখ্যা শূন্য। একমাত্র শিক্ষক ক্লাস নেন পাশের পাড়ার স্কুলে। কোথাও আবার একটি ঘরে তিনটি শ্রেণির ক্লাস নেওয়া হচ্ছে। ইংরেজি মাধ্যমের দাপটে দক্ষিণ কলকাতার বিস্তীর্ণ অঞ্চলে সরকারি সাহায্যপ্রাপ্ত স্কুলগুলির একাংশের দশা এমনই।

কোথাও স্কুলের চেহারা ধ্বংসস্তূপের মতো। ছাত্রসংখ্যা শূন্য। একমাত্র শিক্ষক ক্লাস নেন পাশের পাড়ার স্কুলে। কোথাও আবার একটি ঘরে তিনটি শ্রেণির ক্লাস নেওয়া হচ্ছে। ইংরেজি মাধ্যমের দাপটে দক্ষিণ কলকাতার বিস্তীর্ণ অঞ্চলে সরকারি সাহায্যপ্রাপ্ত স্কুলগুলির একাংশের দশা এমনই।
যাদবপুরের পূর্ণচন্দ্র ইনস্টিটিউশনের দোতলা বাড়িটি এখন কার্যত ধ্বংসস্তূপ। গত দু’বছরে একজন পড়ুয়াও ভর্তি হয়নি ওই স্কুলে। একমাত্র শিক্ষক উমাচন্দ্র ভট্টাচার্য জানান, পড়ুয়া না-থাকায় জেলা স্কুল পরিদর্শকের নির্দেশে তিনি এখন বিক্রমগড় গার্লস হাইস্কুলে পড়ান। তবে খাতায়কলমে তিনি পূর্ণচন্দ্রেরই শিক্ষক। তাঁর কথায়, ‘‘১৯৮৪ সাল থেকে ওই স্কুলে পড়াচ্ছি। ২০১৪ সালের আগে তা-ও কয়েকজন ছাত্র ছিল। তারপর থেকে ছাত্রসংখ্যা শূন্য। তাই আমাকে বিক্রমগড়ের স্কুলে পড়াতে বলা হয়েছে।’’ কার্যত একই অবস্থা শরৎ বসু রোডের সাউথ সাবার্বান হাইস্কুলের।

যাদবপুর বিজয়গড় শিক্ষানিকেতনে পঞ্চম থেকে দ্বাদশ শ্রেণি পর্যন্ত পড়ুয়াসংখ্যা ১৩। ওই স্কুলের আট জন শিক্ষক প্রতিদিনই নিয়ম করে হাজিরা দেন। রসায়নের শিক্ষিকা কস্তুরী ভট্টাচার্য বলেন, ‘‘অনেক স্বপ্ন নিয়ে শিক্ষকতার পেশায় এসেছিলাম। কিন্তু স্কুলে তো কোনও পড়ুয়াই আসে না।’’ ওই স্কুলেই দেখা গেল একই ক্লাসঘরে পঞ্চম শ্রেণির রানা হালদার, ষষ্ঠ শ্রেণির কর্ণ পাসোয়ান এবং সপ্তম শ্রেণির বিশাল চক্রবর্তীকে একসঙ্গে পড়াচ্ছেন ভূগোলের শিক্ষিকা সোনালি মণ্ডল। প্রধান শিক্ষক স্বপনকুমার বিশ্বাসের কথায়, ‘‘অ্যাকাউন্টের কাজকর্ম, ঘরদোর গুছিয়ে রাখা থেকে পর্ষদ দফতরে কাগজপত্র বয়ে নিয়ে যাওয়া— সব আমাদেরই করতে হয়। কারণ, কোনও অশিক্ষক কর্মচারী নেই।’’

Jadavpur Purno chandra institute
Share it on
আরও যা আছে
আরও খবর
ওয়েবসাইটে আরও যা আছে
আরও খবর
আমাদের অন্যান্য প্রকাশনাগুলি -