SEND FEEDBACK

English
Bengali

প্রভাবশালী-সঙ্গীদের ফুটেজ দেখিয়ে সিবিআইয়ের প্রশ্ন, কাউকে চেনেন কি?

নিজস্ব সংবাদদাতা | মার্চ ২০, ২০১৭
Share it on
নিজাম প্যালেসে সিবিআইয়ের দুর্নীতি দমন শাখার দফতরে হাজির হয়েছিলেন অমিতাভ চক্রবর্তী, ব্রজেশ ঝা এবং অক্ষয় সারেঙ্গি, এই তিনজন মামলাকারী। তাঁদের প্রত্যেককে তিন ঘণ্টা ধরে আলাদা আলাদা করে জিজ্ঞাসাবাদ করেন সিবিআইয়ের তিনজন আধিকারিক।

এবার নজরে প্রভাবশালীর শাগরেদরা!
নারদ-কাণ্ড নিয়ে কলকাতা হাইকোর্টে যে তিনজন মামলা দায়ের করেছিলেন, তাঁদের রবিবার নিজাম প্যালেসে ডেকেছিল সিবিআই। কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা সূত্রের খবর, ওই তিনজনকে এমন ফুটেজ এদিন দেখানো হয়েছে যা আগে টিভিতে দেখানো হয়নি। সেই সব ফুটেজেই কয়েকজন প্রভাবশালীর শাগরেদকে দেখা গিয়েছে।
এদিন নিজাম প্যালেসে সিবিআইয়ের দুর্নীতি দমন শাখার দফতরে হাজির হয়েছিলেন অমিতাভ চক্রবর্তী, ব্রজেশ ঝা এবং অক্ষয় সারেঙ্গি, এই তিনজন মামলাকারী। তাঁদের প্রত্যেককে তিন ঘণ্টা ধরে আলাদা আলাদা করে জিজ্ঞাসাবাদ করেন সিবিআইয়ের তিনজন আধিকারিক। সিবিআই সূত্রের খবর, প্রত্যেকের কাছে সিবিআইয়ের আধিকারিকেরা জানতে চান, কীসের ভিত্তিতে তাঁরা মামলা করেছিলেন। এই প্রশ্নের উত্তরে তিনজনেই টিভি, সংবাদপত্রে দেখানো ফুটেজের কথা উল্লেখ করেছেন বলেই খবর। পরে কংগ্রেস নেতা অমিতাভ চক্রবর্তী বলেন, ‘‘টিভিতে, সংবাদপত্রে নেতা-মন্ত্রীদের টাকা নিতে দেখছি। সেই ভিত্তিতেই হাইকোর্টে মামলা করেছি।’’
অডিও, ভিডিও মিলিয়ে মোট ৭৩টি ফাইল। যার মধ্যে ৪৭টি ফাইল খোলা গিয়েছে। সিবিআই সূত্রের খবর, জিজ্ঞাসাবাদ পর্বে ৪৭টি নারদ স্টিং অপারেশনের ফুটেজের মধ্যে বেশ কয়েকটি ফাইল দেখানো হয়। যেগুলির মধ্যে এমন কয়েকটি ফাইল রয়েছে, যেখানে কয়েকজন প্রভাবশালীর শাগরেদকে দেখা গিয়েছে। সেইসব ফুটেজ দেখিয়ে তিনজন আবেদনকারীর কাছে জানতে চাওয়া হয়েছে, এঁদের মধ্যে তাঁরা কাউকে চেনেন কি না! 
প্রত্যেকের বয়ান রেকর্ড করার পাশাপাশি, প্রাথমিক অনুসন্ধানের বিষয় নিয়ে দিল্লির কর্তাদের সঙ্গে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে কথা বলছেন কলকাতার সিবিআই অফিসারেরা।
সিবিআই সূত্রের খবর, যে ২৬টি ফুটেজ খোলা যায়নি সেগুলিই এখন তদন্তকারীদের চিন্তার কারণ। ওই সব ফুটেজ খোলার জন্য শীঘ্রই দিল্লিতে সাইবার বিশেষজ্ঞদের দ্বারস্থ হতে চলেছে সিবিআই। তদন্তকারীদের একাংশের দাবি, যদি ওই ফুটেজ খোলা যায়, তাহলে চণ্ডীগড়ের কেন্দ্রীয় ফরেন্সিক ল্যাবরেটরিতে সেগুলির সত্যতা যাচাইয়ের জন্য পাঠানো হবে। 
এরই মধ্যে নারদনিউজ ডটকমের কর্তা ম্যাথু স্যামুয়েলের অফিস থেকে বাজেয়াপ্ত করা ম্যাকবুক এবং যে আইফোনটি ব্যবহার করে ফুটেজ রেকর্ড করা হয়েছিল, তা খতিয়ে দেখা হবে। ম্যাকবুকে কিছু রাখা হলে সেখানে সংশ্লিষ্ট আইফোনের একটি বিশেষ কোড আপনা থেকেই নথিবদ্ধ হয়ে যায়। তা থেকেই বোঝা যায় কোন আইফোন থেকে কী তথ্য সেখানে রাখা হয়েছে। এখন সেটাই দেখতে চাইছেন সিবিআইয়ের আধিকারিকেরা। 

CBI Narada Sting Operation
Share it on
আরও যা আছে
আরও খবর
ওয়েবসাইটে আরও যা আছে
আরও খবর
আমাদের অন্যান্য প্রকাশনাগুলি -