SEND FEEDBACK

Cancel
English
Bengali
Cancel
English
Bengali
হক কথা

নিজেদের দরজার মাটি দেননি, বদলে এ বার পুজোয় কী করলেন সোনাগাছির মেয়েরা

অক্টোবর ২৯, ২০১৮
```` Comments
‘বেশ্যার দুর্গাপূজা’  অথবা ‘নারীশক্তির জয়’-ধরনের ক্লিশে হয়ে ওঠা সীমিত পরিসরে না দেখে এই ঘটনাকে বিশ্লেষণ করতে হবে অনেক বড় প্রেক্ষিতে।

লোকাচার অনুযায়ী, অকালবোধনের দুর্গা প্রতিমা বানানোর জন্য নবকন্যার প্রাঙ্গণ-মৃত্তিকা প্রয়োজন। গণিকারা এই নবকন্যার অন্যতমা। বাকিরা হলেন— বিনোদিনী (পারফর্মার, অর্থাৎ নর্তকী অভিনেত্রী প্রভৃতি), কাপালিক (সম্ভবত ভৈরবী), ধোপানী, নাপিতানী, ব্রাহ্মণী, শূদ্রানী ও মালিনী। মাটির প্রতিমার বদলে পাথর বা ধাতু দিয়ে মূর্তি বানালে, নবকন্যার উঠোনের মাটি মঙ্গলঘটের গোড়ায় দিতে হবে। নবকন্যার শ্রমকে সামাজিক মর্যাদা দেওয়ার জন্যই এই অনুজ্ঞা, সম্ভবত এমন একটি ধারণা জনমানসে গড়ে তোলার প্রয়োজন লোকশাস্ত্রের ছিল।

নবকন্যাদের সত্যিকারের সম্মান দিতে, নাকি সম্মান জানানোর ছলে কৌশলে তাদের পারিশ্রমিক কমাতে এই ভণ্ডামি, সেটা ভাবার বিষয়। কেউ কেউ মনে করেন, বারবনিতার কাছে যাওয়া মানে পুরুষ তার আজীবন-সঞ্চিত পুণ্য পতিতার ঘরে হারিয়ে সেখান থেকে নিয়ে আসে পাপ। আবহমান কাল থেকে অগণিত পুরুষের পুণ্যে পতিতাদের বাড়ির মাটি পরিপূর্ণ থাকে, তাই সেই মাটি শুভকার্যে ব্যাবহৃত হয়। পুরুষের এই পুণ্যহানির আখ্যান নিঃসন্দেহে লিঙ্গবৈষম্যমূলক এবং ক্ষমতাতন্ত্রের ধ্বজাবাহী। মতান্তরে, বারবণিতারা নীলকণ্ঠের মতো শুষে নেয় সমাজের পাপ, নিজেদের ‘নষ্ট’ করার মধ্যে দিয়ে বজায় রাখে সামাজিক নৈতিকতার সনাতন ধারণা। তাদের এই ‘আত্মত্যাগের’  স্বীকৃতি হিসেবেই বেশ্যাপল্লীর মাটিকে পবিত্র ধরা হয়। যদিও, এই আত্মত্যাগ যে জোর খাটিয়ে করতে বাধ্য করে বর্তমান সমাজ, অন্তত এই উপমহাদেশে, তাতে  কোনও সন্দেহই নেই। 

বহু শতাব্দী পেরিয়ে এসেও প্রথা হিসেবে মাতৃমূর্তি তৈরিতে পতিতালয়ের মাটি এখনও অপরিহার্য— তার প্রকৃত আর্থ-সামাজিক কারণ যাই হোক না কেন। কলকাতার যাবতীয় বড় বারোয়ারি পুজো বা বনেদি বাড়ির পুজোয় এই মাটি সংগ্রহ হয় সোনাগাছি  থেকে। কখনও বা যৎসামান্য মূল্য (সাধারণত একশত এক টাকা) ধরে দিয়ে প্রতিমা তৈরির মাটি ছুঁইয়ে নিয়ে যাওয়া হয় বারাঙ্গনার চৌকাঠে। ঠিক কী কারণে এই ক্ষোভ এবং অভিমান, তা বুঝতে গেলে সময়ের অক্ষ বরাবর বছর পাঁচেক পিছিয়ে যেতে হবে।

এই বিষয়ে অন্যান্য খবর

২০১৩ সালে সোনাগাছির যৌনকর্মীরা নিজেদের দুর্গাপূজা করবেন বলে মনস্থ করেন। বারোয়ারি পুজোগুলিতে (বনেদি বাড়ির সাবেকি পুজো তো ছেড়েই দেওয়া যাক) তাঁরা ছিলেন সম্পূর্ণ অপাঙক্তেয়। অন্যদের সাথে পুষ্পাঞ্জলি দিতে পারা তো দূরের কথা, পূজামণ্ডপে প্রবেশ করাকেও ভাল চোখে দেখতো না জনসমাজ। যৌনকর্মীদের ছেলেমেয়েদেরও বহু বার লাঞ্ছিত হতে হয়েছে প্যান্ডেলে ঢুকতে গিয়ে (অথচ কে বলতে পারে, ওই লাঞ্ছনাকারী ‘ভদ্রলোক’ দেরই কারও ঔরসে সেই শিশুর জন্ম হয়নি?)। বহুদিনের অপমানের বোঝা মাথায় নিয়ে চলা যৌনকর্মীরা তাই স্বাধীনভাবে মাতৃআরাধনার বন্দোবস্ত  করার চেষ্টা শুরু করেন দুর্বার মহিলা সমন্বয় সমিতির পৃষ্ঠপোষকতায়। সরকারের কাছে এই মর্মে আবেদন করে পুজো করার অনুমতি চাওয়া হয়।

স্থানীয় মানুষ, আইনরক্ষক, প্রশাসন এবং রাষ্ট্রব্যবস্থার প্রতিটি ক্ষমতাশালী বাহুই যে বাধা দেবে এই প্রচেষ্টায় তাতে সন্দেহ কী! যদিও এঁদেরই অনেকের পায়ের ধুলো পড়ে এই পল্লীর ঘরে ঘরে, রাতের অন্ধকারে। তাতে কী! বেশ্যা, বেশ্যাই। তাদের লাই দিয়ে মাথায় ওঠালে ভেঙে পড়তে পারে সামাজিক কাঠামো। শঙ্কিত হলো পিতৃতন্ত্র ও রাষ্ট্রযন্ত্র। যদিও রাস্তা আটকে রমরম করে চলে কালীপুজো গণেশপুজো সন্তোষীমার আরাধনা, গমগম করে সারারাত মাইকে বাজে ভোলে বাবার মাহাত্মকীর্তন— আইনের তোয়াক্কা না করে রাস্তা জুড়ে বানানো মঞ্চ থেকে। কিন্তু বেশ্যাদের পুজো? নৈব!

জোর লড়াই চালিয়েছিলেন অরুণাভ ঘোষ, অনিন্দ্য লাহিড়ী প্রমুখ দুর্বারের আইনজীবীরা, যৌনকর্মীদের হয়ে এবং অবশ্যই স্বনামধন্য চিকিৎসক এবং সমাজকল্যাণকামী, দূর্বারের প্রধান, স্মরজিৎ জানা। সমর্থনের হাত বাড়িয়ে দেন হাইকোর্টের সংবেদনশীল বিচারপতি সঞ্জীব বন্দোপাধ্যায়, যিনি নিজে বাগবাজার অঞ্চলে মানুষ, সেই সূত্রে যৌনপল্লীর মানুষগুলির যন্ত্রণা বেদনা হতাশা আত্মগ্লানি সম্পর্কে অবগত। বিচারপতি বন্দ্যোপাধ্যায়ের মানবিক রায়ে অনুমতি মেলে পুজো করার। শুধু ভারতীয় উপমহাদেশেই নয়, সম্ভবত সমগ্র দক্ষিণ এশিয়াতেই এই রায় ঐতিহাসিক। প্রান্তিক মানুষের সামাজিক অধিকার বুঝে নেওয়ার এই প্রখর দাবিকে বিচারবিভাগ থেকে এভাবে সম্মান জানানো আর কখনও হয়েছে কি না, তা বলা মুশকিল।

 
২০১৮-এর প্যান্ডেল। ছবি: লেখক

দুর্বারের সদস্যা পয়ঁষট্টি হাজার যৌনকর্মী প্রত্যেকে চাঁদা দিলেন কুড়ি টাকা করে। কুমোরটুলির মৃৎশিল্পী অমর পালের স্টুডিওয় একাধিক প্রতিমানির্মাণকারী দিনরাত খেটে মাত্র পনেরো দিনের মধ্যে ঠাকুর বানিয়ে দেন। পুজোর অনুমতি মিললেও রাস্তায় মণ্ডপ করার অনুমতি মেলেনি।  তাই ১৪৩/সি মসজিদবাড়ি স্ট্রিটে দুর্বার মহিলা সমন্বয় সমিতির ক্লিনিকের পনেরো ফুট বাই সাত ফুট ঘরেই পুজো হয়। লালপেড়ে গরদের শাড়ি পরা একচালার মাতৃমূর্তি। অপূর্ব মুখভাব— প্রতিমা নন, যেন পাশের বাড়ির মেয়ে। যৌনপল্লীর কোনও রমণীই যেন মাতৃরূপেণ সংস্থিতা। কী জানি শিল্পীর মনেও এই রকমই কোনও কল্পনা ছিল কি না প্রতিমা নির্মাণের সময়ে! সে বছরের নবমীর মধ্যরাত্রে যখন অঝোর বৃষ্টিতে ভেসে যাচ্ছে কলকাতা শহর, গিয়েছিলাম সেই ঐতিহাসিক পুজো দেখতে। যে উষ্ণ অভ্যর্থনায় ভরিয়ে দিয়েছিলেন আমাকে পুজোর আয়োজক যৌনকর্মীরা, তা কোনোওদিন ভোলার নয়। আজন্ম আত্মগ্লানির নাগপাশ ছেড়ে বেরিয়ে এসে যে আত্মসম্মানের প্রতিষ্ঠা হলো এই পুজোর সূত্রে, তারই আনন্দে উজ্জ্বল হয়ে উঠেছিল যৌনকর্মীদের মুখ। সেই আলোয় মুখ লুকোতে বাধ্য হয়েছিল সোনাগাছির অলিগলির বহুকালের জমে থাকা অন্ধকার।  

২০১৪ সালেও দূর্বার ক্লিনিকেই পুজো হয়। ২০১৫-য় স্থানীয় কাউন্সিলারের কাছে আবেদন করা হয় খোলা জায়গায় মণ্ডপ তৈরি করে পুজো করার।  অনুমতি মেলে, কিন্তু এমন একটি জায়গায় পুজো করতে বলা হয় যেখানে পুজো করার মতো পরিস্থিতি আদৌ নয়। যৌনকর্মীরা ঠিক করেন, স্বাভাবিক ভাবে মণ্ডপ বেঁধে খোলা জায়গায় পুজো করার অধিকার না পাওয়া পর্যন্ত তাঁরা পুজো করবেন না। ২০১৬-র পুজোর আগে পর্যন্ত সেই অনুমতি না মেলায় ক্ষোভ ও হতাশায় সে বছর পুজো করেননি তাঁরা। যেটুকু চাঁদা তোলা হয়েছিল নিজেদের মধ্যে, তা উত্তরবঙ্গের বন্যাত্রানে অনুদান হিসেবে পাঠানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। 

আবার আবেদন করা হয় কলকাতা হাইকোর্টে। দীর্ঘ সংগ্রাম এবং আইনি লড়াইয়ের পরে অনুমতি মেলে রাস্তায় মণ্ডপ বেঁধে পুজো করার। ২০১৭-য় কুড়ি ফুট বাই আট ফুট জমিতে মণ্ডপ তৈরি করে পুজো করার আইনি অনুমতি মেলে। যৌনকর্মীদের মাতৃআরাধনা অবশেষে সর্বজনীন পূজার রূপ পায়। পুজোর বাজেট ছিল চার লক্ষ টাকা। এই অর্থ সংগ্রহ করা হয় নিজেদের মধ্যেই চাঁদা তুলে। প্রসঙ্গত, গত বছর বসিরহাট, কোচবিহার এবং বিষ্ণুপুরের যৌনকর্মীরাও নিজেদের মতো করে মাতৃআরাধনার ব্যবস্থা করেন।

এই বছরে সোনাগাছির দুর্গাপুজোটি অভিনব। মণ্ডপসজ্জা থেকে আরম্ভ করে পৌরোহিত্য— সমস্ত কাজই করবেন মহিলারা, এমনটিই ভাবা হয়েছিল।  মহিলা ঢাকি আসার কথা ছিল নৈহাটী থেকে, তিনি আসতে পারেননি। তা ছাড়া আর সবকিছুই পরিকল্পনা মাফিকই হয়েছে। মাতৃরূপ দান করেছেন  কুমোরটুলির মহিলা শিল্পী কাঞ্চী পাল। পুজো করেছেন শিবানী ভট্টাচার্য, যিনি একজন শাস্ত্রজ্ঞ পেশাদার পুরোহিত। এর আগে  পুরুষ পুরোহিতই পুজো করতেন, যাবতীয় জোগাড়যন্ত্র করে দিতেন রুম্পা মুখোপাধ্যায়। ভোগের ব্যবস্থা হয়েছিল। নিরঞ্জনের দিন সিঁদুর খেলারও। ১৭ ই নভেম্বর আয়োজন করা হয়েছে বিজয়া সম্মিলনীর। রূপান্তরকামীদেরও সামিল  করা হয়েছিল মাতৃআরাধনায়। সোনাগাছির দুর্গাপুজোর ব্যানারে তাই শিন্টু বাগুইয়ের ছবি, যিনি একজন যৌনকর্মীর সন্তান এবং রূপান্তরকামী। বিজয়ায় মহিলাদের সঙ্গে রূপান্তরকামীরাও সিঁদুর খেলায় যোগ দিয়েছেন এ বারে। 


২০১৮-এর প্রতিমা। ছবি: লেখক

২০১৩-য় সমাজবিপ্লবের যে বীজ বোনা হয়েছিল, ২০১৮-য় পৌঁছে তা মহীরুহ রূপ ধারণ না করলেও, অনেকটাই পরিণতি লাভ করেছে। মাতৃআরাধনার মতো তথাকথিত পবিত্র সামাজিক উৎসবে সামিল হচ্ছেন যৌনকর্মীরা, নিজেদের মতো করে দুর্গাপুজো করছেন, এ বড়ো সোজা কথা নয়! সমাজের প্রান্তিকতম, প্রায় সর্বত্র ঘৃণিত, এমন এক শ্রেণি প্রতিনিধিত্ব করেছেন সার্বজনীন ধর্মোৎসবে— -সমগ্র  পশ্চিম এশিয়ার সমাজবিপ্লবের ইতিহাসে এই ঘটনা অভূতপূর্ব, এবং অসম্ভব গুরুত্বপূর্ণ। ‘বেশ্যার দুর্গাপূজা’  অথবা ‘নারীশক্তির জয়’-ধরনের ক্লিশে হয়ে ওঠা সীমিত পরিসরে না দেখে এই ঘটনাকে বিশ্লেষণ করতে হবে অনেক বড় প্রেক্ষিতে। প্রকৃত প্রস্তাবে প্রান্তিকজনের অধিকার আদায়ের আন্দোলনের মুখ সোনাগাছির দুর্গাপুজো। এ কথাটা আমাদের বুঝতে হবে। সেইমতো গুরুত্ব দিয়ে বিশ্লেষণ করতে হবে যৌনকর্মীদের এই লড়াইকে। সেই লড়াইয়ের ইতিহাসের মধ্যে সমাজবিজ্ঞান নিয়ে গবেষণার মূল্যবান উপাদান খুঁজে পাওয়া যাবে। সে অর্থে এই পুজোর ইতিহাস চর্চা অ্যাকাডেমিয়াকেও সমৃদ্ধ করবে বিভিন্ন ভাবে।

পরিতাপের বিষয়, নাগরিক সমাজের বিশেষ হেলদোল নেই এই ঘটনা নিয়ে। আজ শবরীমালা মন্দিরের কর্মকাণ্ড নিয়ে নাগরিক আন্দোলন যে ভাবে দানা বেঁধে উঠছে, নেটিজেনরা যে ভাবে সরব হচ্ছেন সোশ্যাল মিডিয়ায়, যৌনকর্মীদের পুজো নিয়ে তার এক সহস্রাংশ উত্তেজনাও চোখে পড়ে নি।  ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতা থেকে দেখেছি, মুষ্টিমেয় কিছু মানুষ বাদে নাগরিকসমাজ আদৌ অবহিতই নন বিষয়টি নিয়ে। শবরীমালা মন্দিরে ঢুকতে চাওয়া মহিলাদের তুলনায় সোনাগাছি হাড়কাটা গলি খিদিরপুর গরানহাটার মহিলারা ঠিক কোন অংশে এবং কেন ব্রাত্য? উত্তর খুঁজতে গেলে আয়নার সামনে দাঁড়াতে হবে নাগরিক সমাজকে। তাতে প্রতিবিম্ব হিসেবে যা ভেসে উঠবে তা মোটেই সুখকর হবে না সুশীল সমাজের অন্তর্গত মহিলা-পুরুষদের কাছে। শাস্ত্র, লোকাচার, সামজিক পরিকাঠামো ও অর্থনৈতিক পরিবণ্টন, এবং সেই সঙ্গে  তথাকথিত আন্দোলনের প্রতিনিধিদের  চিন্তাভাবনার  ফাঁকফোকরগুলি উৎকট  ভাবে অনাবৃত হয়ে পড়ার আশঙ্কা রয়েছে এক্ষেত্রে। শুধুমাত্র উচ্চকোটির মানুষের সঙ্গে ঘটে যাওয়া ঘটনার প্রতিবাদের বাইরে ভারতবর্ষের নাগরিক আন্দোলন বেরোতে পারেনি এখনও। সুশীল সমাজের আন্দোলন সে অর্থে প্রকৃতই ‘স্কিন ডিপ’।  

তবুও আশা রাখা যাক, সমাজের তাবৎ প্রান্তিক শ্রেণি একদিন ঠিক নিজের অধিকার বুঝে নেবে। ২০১৩ সালে সোনাগাছিতে মাতৃ আরাধনা দিয়ে যে বিপ্লবের শুরু, তা ব্যর্থ হবে না। 

ঋণস্বীকার: এই প্রতিবেদনে ব্যবহৃত কিছু তথ্য দুর্বার মহিলা সমন্বয় সমিতির সচিব কাজল বসুর থেকে সংগৃহিত।  

তাপস দাস: পেশায় মহাকাশবিজ্ঞানী। কিন্তু মন পড়ে থাকে সমাজের আলো-আঁধারির সন্ধানে। সাহিত্য ভালবাসেন আর ভালবাসেন সোজা কথাকে সোজা ভাবেই বলতে।

আমাদের অন্যান্য প্রকাশনাগুলি -