SEND FEEDBACK

Cancel
English
Bengali
Cancel
English
Bengali
হক কথা

শোভন তো মমতাকে হারিয়ে বুকের পাটা দেখালেন, বৈশাখী পারবেন কি

ডিসেম্বর ৮, ২০১৮
```` Comments
তাঁর ‘বিশেষ বন্ধু’ বৈশাখী বন্দ্যোপাধ্যায়ের সম্পর্কের টানাপড়েনে অনেক কিছু খোয়ালেন শোভন চট্টোপাধ্যায়। এর পরেই তো আসল কাহিনি।

শোভন চট্টোপাধ্যায় দেখালেন— তিনি পারেন। পিছনের রাজনৈতিক কারণ যাই থাকুক না কেন, তিনি দেখালেন ‘বিশেষ বন্ধু’কে বুক পেতে রক্ষা করে কীভাবে সামাজিক ও রাজনৈতিকভাবে নিঃস্ব হওয়া যায়।

বঙ্গ রাজনীতির এই আঙিনায় মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে উপেক্ষা করার হিম্মত ক’জনের রয়েছে? মন্ত্রিত্ব, মেয়র পদ, দলের পদ— সব ছেড়ে তিনি এখন একজন সাধারণ কাউন্সিলর। বিধায়ক পদও রয়েছে যদিও, কিন্তু সেই গুরুত্ব কোথায়? মুখ্যমন্ত্রীর ছায়াসঙ্গী থেকে ছায়াবৃত্তের অনেক দূরে ছিটকে গিয়েছেন শোভন।

শোভন তো পারলেন। এবার মোক্ষম প্রশ্নটি উঠে আসছে, বৈশাখী পারবেন তো? চারিদিকে এই প্রশ্নটিই ঘুরপাক খাচ্ছে। আজ থেকে এক বছর বাদেও বৈশাখী ‘বিশেষ বন্ধু’ হয়েই থাকবেন তো শোভনের সঙ্গে।

এই বিষয়ে অন্যান্য খবর

একটি সাধারণ ধারণা রয়েছে, শোভনের সামাজিক যশ ও প্রতিপত্তি দেখেই নাকি শোভনের সঙ্গে ঘনিষ্ঠতা হয়েছিল বৈশাখীর। কিন্তু শোভনের সেই সামাজিক যশও এখন নেই, প্রতিপত্তিও গিয়েছে। এই অবস্থায় কি বৈশাখী বন্ধুত্বকে ধীরে ধীরে বিসর্জন দেবেন? নাকি পরিবর্তিত পরিস্থিতি সত্ত্বেও শোভনের সঙ্গে তাঁর বন্ধুত্ব একই জায়গায় থাকবে? 

এখনও পর্যন্ত শোভনকে ছেড়ে যাওয়ার কোনও ইঙ্গিত বৈশাখী দেননি। বরং বিভিন্ন সাক্ষাৎকারে পরিষ্কার করে দিয়েছেন শোভন চট্টোপাধ্যায়ের মন্ত্রিত্ব ও মেয়র পদ ছাড়ার সঙ্গে তাঁদের বন্ধুত্বের কোনও সম্পর্ক নেই। সম্প্রতি তাঁদের দু’জনকে একসঙ্গে এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেটে এবং আদালতেও দেখা গিয়েছে।

তবু বৈশাখীকে নিয়ে সংশয়ের পিছনে একটি প্রচলিত ধারণা রয়েছে অনেকের মনেই। আসলে মহিলাদের ব্যাপারে এই কুকথা খুবই চলে যে, ক্ষমতার বৃত্তে থাকার জন্যই ক্ষমতাবান পুরুষের কাছাকাছি আসেন অনেক মহিলা। 

মনোবিজ্ঞানীদের গবেষণায় উঠে আসছে, অর্থের লোভ নয়, শুধুমাত্র পুরুষের চারিদিকে যে ক্ষমতার বলয় তৈরি হয়, তার স্বাদ পেতেই মহিলারা আকৃষ্ট হন ক্ষমতাবান পুরুষের দিকে। কারও কারও মতে, পুরুষতান্ত্রিক সমাজে নারীর বঞ্চনা থেকেও জন্ম নেয় ক্ষমতাবান পুরুষের প্রভাবকে ব্যবহার করার বাসনা। 

এই ছকে শোভন-বৈশাখী পড়েন কি না, তা জানা নেই। হয়তো তাঁদের বন্ধুত্বে এরকম কোনও খাদই নেই। যাই হোক না কেন, বছর খানেক অপেক্ষা করে দেখাই যাক, কোথাকার জল কোথায় গড়ায়। 

সম্বিত পাল: খবর তো অনেকেই লেখেন, খবরের পিছনের খবর খোঁজা নেশারুদের অন্যতম। লালগড় থেকে লন্ডন, টেক্সট বুক থেকে ফেসবুক সব নিয়েই সমান কৌতূহল।

আমাদের অন্যান্য প্রকাশনাগুলি -