Singur March
নীল-সাদা ও গেরুয়া যুগে কারা বয়ে চলে ‘লাল’ পতাকা
এক দিকে সারা দেশ জুড়ে গৈরিকীকরণের ঢেউ, অন্যদিকে রাজ্যে নীল-সাদার আধিপত্য। এর মধ্যেই এক চিলতে লাল এল কোথা থেকে?
বিয়ে না ইয়ে! আগামীর সংসার পাতা যদি ‘কনট্র্যাকচুয়াল’ হয় তবে ক্ষতি কি
বিয়ে কি টিকে যাবে? নাকি তা নতুন চেহারা নেবে? এনিয়ে দুই মত এবেলা.ইন-এর দুই প্রজন্মের দুই সাংবাদিকের। এরা তো প্রতিনিধি মাত্র। আসল কথা বলবেন আপনারাই। অংশ নিন এই বিতর্কে। বেছে নিন আপনার মত। দিন নতুন মত। জমে উঠুক আলোচনা— বিয়ের ভূত-ভবিষ্যৎ নিয়ে।
হক কথা
গালিব বার-এর 'মুন্না ভাই' থেকে দাউদের দরবার, মহম্মদ আজিজের আজিব দাস্তান
প্রতি সন্ধেয় রংবোতলের লোভে যাঁরা জড়ো হতেন সেদিনের গালিব বার-এ, মুন্নাই ছিলেন তাঁদের রফি।
হক কথা
মাচায় উঠে ‘পাবলিক’ নাচালেই শিল্পীর সার্টিফিকেট, তা হলে কি শ্রোতার হাতেই ভাগ্যের সুতো
এই তো সেদিন গান গাইতে গিয়ে নাচাতে না পারায় হেনস্থার শিকার হন এক গায়িকা। চটুল গানে কোমর দোলাতে না পেরে দর্শকরা ক্ষোভ উগরে দেন সেই মুহূর্তেই। নেমে যেতে হয় গায়িকাকে। ঘটনা খুব বিরল কি? অভিরুচি না থাকা সত্ত্বেও অনুষ্ঠানের আয়োজকদের ভ্রুকুটির ভয়ে অনিচ্ছার গানটিও গাইতে হয়। পাছে পরের শো মিস না হয়।
হক কথা
কিশোরকুমারের ঐতিহাসিক চশমা বিষয়ে আমার দু’কথা: রূপম ইসলাম
কিশোরকুমারের স্মার্টনেসের স্পর্ধা বিস্মিত করে। ভাবতে বাধ্য করে, এই লোকটা এলিয়েন নয় তো?
হক কথা
স্বামী ‘জোর’ করলে তা বৈধ! বৈবাহিক ধর্ষণ নিয়ে কোনও ‘মিটু’ হবে কি ভারতে
কর্মক্ষেত্রে, বিশেষ করে বিনোদন জগতে যৌন হেনস্থা নিয়ে সারা দেশ তোলপাড়। অথচ বিবাহের সামাজিক সিলমোহর নিয়ে যে ধর্ষণ চলে বেডরুমে, তা নিয়ে মুখ খুলবেন না কেউ?
হক কথা
সফল যৌনতা কতটা টেকাতে পারে বিয়েকে, সন্দিহান বিশেষজ্ঞরাও
চার-পাঁচ বছর পরে শরীর অবধারিত ভাবে বাদ যায় বিবাহিত সম্পর্ক থেকে। পরাহত হয় প্রেম।
হক কথা
চোখের সামনে হারিয়ে যাবে কলকাতা, আমরা কি ক্যাবলার মতো দাঁড়িয়ে দেখব
এমতাবস্থায় এই বিরল হেরিটেজ বিল্ডিংটিকে রক্ষণাবেক্ষণের দায়িত্ব পৃথিবীর অন্য যে কোনও দেশ হলে সরকারই নিত। কিন্তু রাইটার্স বিল্ডিং সংস্করণের শুরুয়াতেই তো বোঝা গিয়েছিল, এই ধরনের স্থাপত্যের সঠিক পরিচর্যার পরিকাঠামো এই শহরে নেই। আর ইতিহাস সংরক্ষণের বৈজ্ঞানিক উদ্যোগে যে ঔদাসীন্য চরম, সে ব্যাপারে নীরব থাকাই ভাল।
হক কথা
‘‘হ্যাঁ শরীর দিয়েছি, বিনিময়ে নিয়েছি অনেক’’, অকপট মেয়ের কল্প-স্বীকারোক্তি
অনেকেই মুখ খোলেননি। কারণ, অনেকেই বোঝাপড়ার সেই ‘দেওয়া-নেওয়া’ নিয়ে মনে মনে অকপট। অভাব শুধু মুখ খোলার। যে আজকে দাঁড়িয়ে বলে দেবে— ‘‘হ্যাঁ, শরীর দিয়েছি। বিনিময়ে নিয়েছি অনেক অনেক কিছু।’’ আসুন দেখে নেওয়া যাক, সেই অলিখিত, কল্পিত স্বীকারোক্তি ঠিক কেমন হতে পারত— 
হক কথা
পর্ন সাইট বন্ধ করতে সব রকম ভাবে চেষ্টা করা উচিত
অন্যান্য প্রাণীর যৌনতা শুধুই শারীরিক চাহিদায়, সেখানে মনের কোনও ভূমিকা নেই। মানুষের যৌনতায় ‘মন’ নামক বিষয়টির অসীম ভূমিকা রয়েছে। কিন্তু পর্নোগ্রাফি ‘প্রেম’-কেও সরাসরি চ্যালেঞ্জ করে!
হক কথা
পরকীয়ায় বড় প্রতিক্রিয়া, মুখ্যমন্ত্রীর রোষে প্রশ্নের মুখে ‘বিশেষ’ সম্পর্কের অধিকার
সুপ্রিম কোর্ট বৈধতা দিয়েছে। কিন্তু সমাজ কি দেবে! পরকীয়া নিয়ে এই প্রশ্ন তো সবার মনে। হরিপদ কেরানির প্রেম বা পরকীয়া কিছু নিয়েই হয়তো কারও যায় আসে না। কিন্তু যাঁরা ‘পাবলিক ফিগার’ তাঁদের ‘বিশেষ’ সম্পর্ককে বাঁকা চোখে দেখা থেকে কি বাঁচানো যাবে?
হক কথা
মদ বেচবে সরকার, চাট মিলবে রেশন দোকানে। এল এক সুখের লগন
আমার সন্ততি যেন থাকে ‘মদে-ভাতে’। এটাই হোক এবার পুজোয় উমার কাছে প্রার্থনা। কারণ, সেই ‘মদে-ভাতে’ থাকাতেই যে ‘সোনার বাংলা’র টিকে থাকার স্বপ্ন।
হক কথা
ফেসবুকে বাঙালি বিপুল অধৈর্য! কারণ খুঁজতে গেলেই বিপদ
পরস্পরকে কমেন্ট ছুড়তে ছুড়তে যাওয়া। কারোই যেন সময় নেই, কেবল নিজের তূণ থেকে বাক্য ছুড়েই মিলিয়ে যাওয়া।