বিভিন্ন ক্ষেত্রের বহু ব্যক্তিত্ব এইডস-এর শিকার হয়েছেন। তাঁদের কেউ মারা গিয়েছেন, কেউ এখনও লড়াই চালিয়ে যাচ্ছেন। সেই দীর্ঘ তালিকা থেকে বেছে নেওয়া হল ১০ জনকে।

‘সাইকো’ যাঁরা দেখেছেন, তাঁরা এক দর্শনে অ্যান্থনি পারকিনস-কে চিনবেন। এইডস ধরা পড়ার দু’বছরের মধ্যে মারা গিয়েছিলেন।

 

 বাইপাস সার্জারির সময়ে যে রক্ত দেওয়া হয়েছিল, তাতেই ছিল মারণ ভাইরাস। টেনিস কিংবদন্তি আর্থার অ্যাশ মারা যান মাত্র ৪৯ বছর বয়সে।

 

 

র‌্যাপ আইকন এরিক রাইটের যৌনজীবন ছিল বেলাগাম। মাত্র ৩১ বছর বয়সেই ছ’জন নারীর সঙ্গে সম্পর্কে সাতটি সন্তান। ১৯৯৫-এ মারা যান এইডস ধরা পড়ার একমাসের মধ্যেই।

 

৪১তম জন্মদিনেই এইডস ধরা পড়ে ব্রিটিশ গায়ক ফ্রেডি মারকারির। তার পরে চার বছর বিষয়টি চেপে রেখেছিলেন। ৪৫ বছর বয়সে যেদিন প্রকাশ করেন, তার পরের দিনই মারা যান।

 

গত শতকের ৭০ এবং ৮০-র দশকে দুনিয়া কাঁপানো মডেল জিয়া কারানজি-র এইডস ধরা পড়ে মাত্র ২৬ বছর বয়সে। সেই অল্পবয়সেই চিরবিদায়।

 

আর্থার অ্যাশ-এর মতো সাই-ফাই লেখক আইজ্যাক আসিমভ-এর শরীরেও এইডস-এর জীবাণু ঢোকে বাইপাস সার্জারির সময়ে। যদিও তাঁর মৃত্যুর ১০ বছর পরে সত্য প্রকাশ্যে আসে।

 

এনবিএ বাস্কেটবল কিংবদন্তি ম্যাজিক জনসন নিজেই এইডস-এ আক্রান্ত হওয়ার কথা ঘোষণা করে খেলা ছেড়ে দেন। কিন্তু কীভাবে তিনি আক্রান্ত হলেন, তা এখনও অজানা।

 

একেবারে প্রথম দিকে যে সব সেলেব প্রকাশ্যে স্বীকার করেছিলেন তাঁরা সমকামী, তাঁদেরই অন্যতম পেড্রো জামোরা। মারা যান মাত্র ২২ বছর বয়সে।

 

আর এক সমকামী সেলেব, গায়ক রিকি উইলসন মারা যান মাত্র ৩১ বছর বয়সে।   

 

অভিনেতা রক হাডসন-এর শরীরেও এইডস ঢুকেছিল বাইপাস সার্জারির সময়ে। ৫৯ বছর বয়সে ঘুমের মধ্যেই চিরঘুমে চলে যান এই রোম্যান্টিক নায়ক।