পাহাড়ের গায়েই রয়েছে সেই গুহা, যার দেওয়ালে দরজার মতো একটি কাঠামোও রয়েছে। আর তার পাশে এক অজানা ভাষায় লেখা রয়েছে কিছু। স্থানীয়রা মনে করেন, এই লেখনী পড়তে পারলেই সন্ধান পাওয়া যাবে লুকনো সোনার হদিশ। 

‘সোন ভাণ্ডার’ নামে এমনই দুটি রহস্যময় গুহা রয়েছে বিহারের রাজগীরে। দুটি গুহাই কৃত্রিম। সম্ভবত তৃতীয় বা চতুর্থ শতাব্দীতে খনন করা হয়, বলে জানিয়েছেন বিজ্ঞানীরা।


গুহার গায়ে রয়েছে এমনই খোদাই। ছবি: উইকিপিডিয়য়া

বৈভর পর্বতের পাদদেশের এই দুটি গুহা নির্মাণ করেছিলেন ভৈরদেব নামে এক জৈন সন্ন্যাসী। কিন্তু দেশে ব্রিটিশ রাজত্ব কালে, কানিংহ্যাম নামে এক প্রত্নতত্ত্ববিদ নানা পরীক্ষা-নিরীক্ষা করার পরে জানিয়েছিলেন যে গুহা দুটি আদতে বৌদ্ধ ধর্মের সঙ্গে যুক্ত।

সোন ভাণ্ডারের দ্বিতীয় গুহার একটি দেওয়ালে খোদাই করা রয়েছে নানা ধরনের মূর্তি, যা মূলত জৈন তীর্থঙ্করদের।  


ছবি: উইকিপিডিয়য়া

প্রসঙ্গত, বৌদ্ধ ধর্মাবলম্বী ‘সপ্তপর্ণী’ গুহা রয়েছে সোন ভাণ্ডারের মাত্র দু’কিলোমিটার দূরত্বে।

সর্বভারতীয় সংবাদমাধ্যমের এক প্রতিবেদন অনুযায়ী, ইংরেজ আমলে অনেক কাঠখড় পুড়িয়েছিল তারা, সোনার লোভে। পাহাড় ফাটিয়ে অনেক খোঁজাখুজি করেও ইংরেজরা কোনও সোনার সন্ধান পায়নি। তবে, অনেকে মনে করেন যে গুহা দুটির পাথর এক এক জায়গায় এতও বেশি মসৃণ ও চকচকে যে সোনা বলে ভুল হতেই পারে।