রবীন্দ্রনাথের লেখা লাইনকে সামান্য ঘুরিয়ে বলাই যায়, জালের ফাঁদ পাতা ভুবনে। যত সময় যাচ্ছে ততই স্পষ্ট হচ্ছে সাইবার ক্রাইমের বিস্তৃত জাল। বৃহস্পতিবার সামনে এল আরও এক ঘটনা। সিবিআইয়ের জালে ধরা পড়ল এক ২০ বছরের যুবক। তার বিরুদ্ধে অভিযোগ, সে একটি হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপ চালাত, যেখানে কেবল চাইল্ড পর্নোগ্রাফির আদানপ্রদান হতো। নিখিল ভার্মা ছাড়া আরও চার জন যুবক ওই গ্রুপটি চালাত বলে জানা গিয়েছে।

এক সর্বভারতীয় সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত প্রতিবেদন থেকে জানা যাচ্ছে, বাণিজ্যে স্নাতক নিখিল এই মুহূর্তে বেকার ছিল। সে বাকিদের সঙ্গে মিলে ‘কিডস ট্রিপল এক্স’ নামের ওই গ্রুপটি চালাত। গ্রুপের সদস্য সংখ্যা ১১৯। নিখিল ছাড়া ওই গ্রুপের বাকি অ্যাডমিনরা হল সত্যেন্দ্র চৌহান, নাফিস রাজা, জাহিদ ও আদর্শ। তাদের সকলের বিরুদ্ধেই পক্সো আইনে মামলা রুজু করা হয়েছে।

ওই প্রতিবেদন থেকে জানা যাচ্ছে, দিল্লি, মহারাষ্ট্র ও উত্তর প্রদেশের বিভিন্ন জায়গায় তল্লাশি চালিয়েছে সিবিআই। বহু শিশু যৌনতার ভিডিও বা ছবি সংবলিত কম্পিউটার, হার্ড ডিস্ক ও মোবাইল ফোন বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে। 

এই রহস্যের জাল বহুদূর বিস্তৃত বলেই মনে করছেন গোয়েন্দারা। ওই গ্রুপের সদস্যরা সকলেই ভারতের বাসিন্দা নয়। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র্, চিন, পাকিস্তান, ব্রাজিল, আফগানিস্তান, শ্রীলঙ্কা, কেনিয়া, নাইজিরিয়া, মেক্সিকো, নিউ জিল্যান্ড থেকেও অনেকে এই গ্রুপের সদস্য বলে জানা গিয়েছে।

এই বিষয়ে অন্যান্য খবর

স্বাভাবিক ভাবেই সন্দেহ উস্কে উঠছে, এর পিছনে কোনও আন্তর্জাতিক চক্রের হাত রয়েছে কি না। এমনকী, কোনও নির্দিষ্ট গোষ্ঠী ওই ধরনের ভিডিও শ্যুট করে বা ছবি তুলে ওই গ্রুপের মাধ্যমে সাইবার দুনিয়ায় ছড়াত কি না তাও তদন্ত করে দেখা হচ্ছে।