এ যেন ‘হযবরল’-র সেই ‘ছিল রুমাল, হয়ে গেল একটা বেড়াল।’ এক্ষেত্রে জিনিসটা একই থাকল, কিন্তু তার মূল্যটা আচমকাই বদলে গেল আকাশ-পাতাল! হেলাফেলার একটা জিনিস থেকে সেটা হয়ে উঠল প্রায় চোখ কপালে তুলে দেওয়া এক দুর্মূল্য বস্তু। চল্লিশ বছরের কাছাকাছি সময় ধরে যে আংটি আঙুলে পরে ঘুরে বেড়াতেন ভদ্রমহিলা, আচমকাই জানা গেল, সেটার দাম কয়েক কোটি! এমনই আশ্চর্য ঘটনা ঘটেছে ব্রিটেনে। 

কার বুট সেল, যেখানে নিজের নিজের ব্যবহার করা জিনিস লোকে বিক্রি করে দেয়, সেখান থেকেই আংটিটা কিনেছিলেন ওই ভদ্রমহিলা। দাম পড়েছিল ভারতীয় হিসেবে ২০০ টাকার মতো। তার পর থেকে সেই আংটিটা সারাদিনই পরে থাকতেন তিনি। ঘুণাক্ষরেও কখনও ভাবতে পারেননি, আংটিটার পাথরটা কোনও ঝুটো পাথর নয়, একেবারে ২৬.২৭ ক্যারেটের খাঁটি হিরে! কী করেই বা বুঝবেন! কেনার সময়েই বহুব্যবহারে আংটির রুপো কালো হয়ে গিয়েছিল। ময়লায় চাপা পড়ে গিয়েছিল হিরের ঔজ্জ্বল্য। তাই ওই পাথর যে ঝুটো নয়, সেটা আন্দাজও করতে পারেননি তিনি। 

মনে করা হয়েছিল, এই আংটি বিকোতে পারে ২ থেকে ৩ কোটি টাকায়। কিন্তু শেষ পর্যন্ত নিলামে সেটা বিক্রি হয়েছে ৫.৪ কোটি টাকায়। ওই হিরের পূর্ব-মালিক কে ছিলেন, তা জানা যায়নি। তাই তিনি কোথা থেকে ওটা পেয়েছিলেন সেটাও জানা যায় না। তবে, সম্ভবত তিনিও জানতেন না আংটিটার আসল পরিচয়। না হলে কি আর অত সস্তায় বেচে দিতেন! 

দেখুন ভিডিও

হিরের বর্তমান মালিকও সংবাদমাধ্যমের সামনে আসেননি। তবে সাধের আংটির এমন ভোল বদলে তিনি যে বেজায় খুশি, সেটা জানিয়ে দিয়েছেন। অবশ্য সেটা আলাদা করে না বললেও চলত।