চলতি বছরে এখনও পর্যন্ত কেরলেই পাওয়া গিয়েছে এই ভাইরাসের দেখা। নাম, নিপা ভাইরাস। কিন্ত, এর আগে ২০০১ সালে বাংলার শিলিগুড়িতে ৪৫ জনের মৃত্যু হয়েছিল নিপা ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে। 

ফলে, নিশ্চিন্ত হওয়ার কোনও কারণ নেই বলে জানিয়েছে ‘ওয়ার্ল্ড হেল্‌থ অর্গানাইজেশন’। প্রসঙ্গত, ২০০৭ সালেও এই ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে পাঁচ জনের মৃত্যু হয় নদিয়া জেলায়। কিন্তু, কেরলে এই প্রথম বলে জানা গিয়েছে সর্বভারতীয় সংবাদমাধ্যম থেকে।

এই বিষয়ে অন্যান্য খবর

এখনও পর্যন্ত কেরলে ন’জনের মৃত্যু হয়েছে নিপা ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে। এবং এই তথ্য দেওয়া হয়েছে পুণের ‘ন্যাশনাল ভাইরোলজি ইনস্টিটিউট’-এর তরফ থেকে। 

জেনে নেওয়া যাক নিপা ভাইরাস সম্পর্কে বিভিন্ন তথ্য— 

• রোগের উপসর্গ
জ্বর, মাথা ব্যাথা, বমি দিয়ে শুরু হয়ে আক্রান্ত হয় মস্তিষ্ক। প্রবল নিঃশ্বাসের কষ্টও হয়। 

• রোগ ছড়ায় কী ভাবে
মূলত শুয়োর ও বাদুরের মধ্যে দিয়ে ছড়ায় এই জীবাণু। কোনও ব্যক্তির শরীরে এই জীবাণু থাকলে, অন্য ব্যক্তি তার থেকে সংক্রমিত হতে পারে। 

• সাবধানতা
মাটিতে পড়ে যাওয়া ফল কখনওই খাওয়া উচিত নয়। হতে পারে, তা বাদুরের খাওয়া। যে অঞ্চলে এই ভাইরাসের প্রকোপ দেখা গিয়েছে, সেখানের শুয়োর ও খামারের অন্যান্য পশুদের স্বাস্থ্য সম্পর্কে খুবই সচেতন থাকা প্রয়োজন।

• চিকিৎসা
নিপা ভাইরাসের এখনও পর্যন্ত কোনও প্রতিষেধক পাওয়া যায়নি। ফলে, আক্রান্ত হলে, মানুষ বা পশু, দু’জনেরই প্রাণ সংশয় থাকে। তবে মানুষের ক্ষেত্রে, ইনটেনসিভ কেয়ার-এ রাখা হয় তাকে। 

নিপা ভাইরাস প্রথম বার ধরা পড়ে ১৯৯৯ সালে। মালয়েশিয়া ও সিঙ্গাপুরের খামারে এই রোগে আক্রান্ত হয় সেখানকার শুয়োররা। তার পরে, ২০০৪ সালে বাংলাদেশে এই ভাইরাস দেখা যায় মানুষের শরীরে।