ঘরের মধ্যে ঢুকে পড়েছে সাপ! আতঙ্কিত মহিলার ফোন পেলেন নিক ইভান্স। ভদ্রলোক কোয়াজুলু নাটালের উভচর ও সরীসৃপ সংরক্ষণ কেন্দ্রের কর্মী। তিনি আবার বেজায় পছন্দ করেন সাপ ধরতে! এ কথা নিজেই বলেছেন ফেসবুকে। 

গিয়ে দেখা গেল সাপটা আসলে ব্ল্যাক মাম্বা। বিশ্বের সবথেকে ভয়ঙ্কর সাপ! অবশ্য বাঙালিকে এই সাপ নতুন করে চেনানোর কিছু নেই। বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের ‘চাঁদের পাহাড়’ মনে করুন। একলা ঘরে শঙ্কর মুখোমুখি হয়েছিল যার। চোখে টর্চের আলো ফেলে কোনও মতে তার কবল থেকে বাঁচিয়েছিল নিজেকে। 

বেকায়দায় পড়লে ও ভাবেই রেগে যায় ব্ল্যাক মাম্বা

সেই রকমই এক ব্ল্যাক মাম্বা ঢুকে পড়েছিল ডারবানের এক মহিলার ঘরে। কোয়াজুলু নাটালের উভচর ও সরীসৃপ সংরক্ষণ কেন্দ্রের ফেসবুক পেজে নিক সরস ভাবে উপস্থাপিত করেছেন সেই ব্ল্যাক মাম্বার সঙ্গে মোলাকাতের ঘটনাটি। জানিয়েছেন, ব্ল্যাক মাম্বার দেখা পেয়ে তিনি উত্তেজিত। কেন না, এর মধ্যে অনেকদিন এই বিপজ্জনক প্রজাতির সাপের নাকি দেখা পাননি তিনি! 

পরম উৎসাহে সাপটিকে ধরার কাজে লেগে পড়েন নিক। ন্যাশনাল জিওগ্রাফিকের ইউটিউব চ্যানেলে ভিডিওটি আপলোড করা হয়েছে। তাতে দেখা যাচ্ছে, টিভি ক্যাবিনেটের তলায় লুকিয়ে রয়েছে সাপটি। মেঝেতে হাঁটু গেড়ে বসে সাপটিকে লাঠির সাহায্যে বের করে আনতে চান নিক। কিন্তু সাপটি রেগে গিয়ে হিসহিস করে ওঠে। তার নীলচে কালো মুখ দেখা যায়। সেই হিসহিস শব্দ ও সাপের আক্রমণাত্মক ভঙ্গি ভিডিওতে দেখলেও রোমাঞ্চ জাগে। 

এই বিষয়ে অন্যান্য খবর

নিক জানিয়েছেন, প্রতিকূল পরিস্থিতিতে পালাবার সুযোগ পেলে ব্ল্যাক মাম্বা পালানোর চেষ্টা করে। কিন্তু কোণঠাসা অবস্থায় সে চায় শত্রুকে ভয় দেখাতে। তবে নিক সাহেবকে অত সহজে ভয় দেখানো যাবে না, সেটা তো আর সাপটার জানা ছিল না! 

সাপটিকে ধরার পরে নিক ইভান্স

ব্ল্যাক মাম্বার ভয়াল ফিসফিসকে পাত্তা না দিয়ে হাত দিয়েই সেই আট ফিটেরও বেশি লম্বা ভয়ঙ্কর প্রাণীটিকে ধরে ফেলেন নিক। 

ভিডিও দেখুন। সৌজন্য: ন্যাশনাল জিওগ্রাফিকের ইউটিউব চ্যানেল

 

তবে তাকে বন্দি করা হয়নি। শরীরে মাইক্রোচিপ লাগিয়ে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে জঙ্গলে।