গত ৩ সেপ্টেম্বর "মাথায় মন্ত্রীদের ‘আশীর্বাদের হাত’! ছবি ভাঙিয়ে পকেট ভরাচ্ছে তৃণমূল নেতা" শীর্ষক খবর প্রকাশিত হয়েছিল এবেলা.ইন-এ। সেই খবরে অভিযুক্ত নদিয়ার তৃণমূল যুব নেতা পাপন ধর পুরো খবরটাকে ভুয়ো বলে দাবি করেছেন।

তাঁর বিরুদ্ধে অভিযোগ ছিল মন্ত্রীদের সঙ্গে ছবির প্রভাব খাটিয়ে তিনি প্রায় ২ লক্ষ টাকা প্রতারণা করেছিলেন। শান্তিপুর থানার ঢাকাপাড়ার বাসিন্দা কল্যাণ দাস নামে এক যুবক এই অভিযোগ দায়ের করেছিলেন পুলিশে।

পুরো ঘটনাটি জেলার মন্ত্রী উজ্জ্বল বিশ্বাস দাবি করেছিলেন পাপন তৃণমূল কংগ্রেসের নাম ভাঙিয়ে এই কাজ করেছে। তিনি দলের সঙ্গে যুক্ত নন। পুলিশকে কড়া ব্যবস্থা নেওয়ারও নির্দেশ দিয়েছিলেন মন্ত্রী।

শুনে নিন পাপন ধরের সাফাই:

 

পাপন ধর অবশ্য একটি চিঠি দেখিয়ে দাবি করেছেন, তাঁকে দল তৃণমূল যুব কংগ্রেসের সাধারণ সম্পাদক নিযুক্ত করেছিল। 

এই বিষয়ে অন্যান্য খবর

জেলার তৃণমূল নেতা তথা রাজ্যের মন্ত্রী উজ্জ্বল বিশ্বাসকে "উজ্জ্বলকাকু" সম্বোধন করে পাপন এবেলা.ইন-কে জানান, ‘‘তিনি (উজ্জ্বল বিশ্বাস) জানেন যে আমি (পাপন ধর) তৃণমূল যুবর সাধারন সম্পাদক। এইভাবে দলের মিথ্যা কথা বলা ঠিক না, আমি এর তদন্ত চাই।’’

পাশাপাশি অভিযোগকারী কল্যাণ দাসের বিরুদ্ধেই পাল্টা অভিযোগ করেছেন পাপন। তাঁর বক্তব্য, ‘‘ও আমার নামে মিথ্যা অভিযোগ করেছে। আর আমার বাড়ি থেকে চুরি করে নিয়ে যাওয়া প্যাডে নিজেই লিখেছে যে আমি ১.৭০ লাখ টাকা নিয়েছি। এটা প্রমান করা হোক যে ওই প্যাডে কার হাতের লেখা রয়েছে।


    

পাপনের দিদিকে কল্যাণ ফুঁসলিয়ে নিয়ে গিয়েছিল বলেও অভিযোগ করেছেন এই যুব নেতা। সেই ব্যাপারে থানায় অভিযোগ দায়ের করাতেই পাল্টা পাপনের নামে দোষারোপ করা হচ্ছে বলে দাবি তাঁর।

প্রসঙ্গত, গোটা খবরটি শান্তিপুর থানায় কল্যাণের লিখিত অভিযোগের ভিত্তিতে করা হয়েছে। পুলিশ তদন্ত করছে।

পাশাপাশি অভিযোগ পত্রের ভিত্তিতে জেলার তৃণমূল নেতা তথা রাজ্যের মন্ত্রী উজ্জ্বল বিশ্বাসকে পাপন ধরের সমন্ধে জিজ্ঞাসা করলে উনি ফোনে আমাদের জানান, ‘‘উক্ত পাপন ধর দলের দায়িত্বে আছে কিনা আমার জানা নেই। এই ধরনের লোকেদের দল কোনওদিন দায়িত্ব দেয় না। অনেক লোকই বিভিন্ন অনুষ্ঠানে এসে ছবি তোলে, তার মানে সে দলের কেউ তা নয়। পুলিশ প্রশাসনকে বলব এর বিরুদ্ধে উপযুক্ত ব্যবস্থা নিতে।’’