তেলুগু ছবির জগতে চাঞ্চল্য ছড়াল অভিনেত্রী শ্রী রেড্ডিকে ঘিরে। শনিবার সকালে দক্ষিণী ছবির উঠতি নায়িকা ‘যৌন হেনস্থার’ অভিযোগ তুলে জনসমক্ষে নিজের ঊর্ধাঙ্গ উন্মুক্ত করে সেই অভিযোগের দিকেই সংবাদমাধ্যমের দৃষ্টি আকর্ষণ করলেন তিনি।

তেলুগু সিনেমা মহলে ‘কাস্টিং কাউচ’ বা শারীরিক সম্পর্কের বিনিময়ে অভিনয় করার সুযোগ দেওয়ার অভিযোগ নতুন নয়। শ্রী এই অভিযোগের দিকে নতুন করে আঙুল তুললেন।

ফিল্মনগরে তেলুগু ফিল্ম চেম্বার অফ কমার্সের দফতরে শনিবার সকালে তিনি আসেন সালওয়ার কামিজ পরে। তার পরই তিনি সালওয়ার ও কামিজ খুলে ফেলেন ভিডিও ক্যামেরার সামনেই। ঊর্ধ্বাঙ্গের অন্তর্বাসও খুলে ফেলেন তিনি। শ্রী মাটিতেই বসে পড়ে প্রতিবাদ জানাতে থাকেন। তখন সেখানে মিডিয়ার ক্যামেরার ভিড়।

এই বিষয়ে অন্যান্য খবর

শ্রীয়ের অভিযোগ, অনেক প্রযোজক ও পরিচালক তাঁকে শারীরিক সম্পর্কে বাধ্য করেছেন। তাঁকে মুভি আর্টিস্ট অ্যাসোসিয়েশন বা মা-এর সদস্যপদও দেওয়া হয়নি। এখনও পর্যন্ত তিনি তিনটি ছবিতে অভিনয় করেছেন। তার পরেও এই সদস্যপদ না পাওয়ার পিছনে ষড়যন্ত্র দেখছেন তিনি। 

তিনি পরে সংবাদমাধ্যমকে বলেন, বার বার আবেদন করা সত্ত্বেও তাঁকে সদস্য হওয়ার পরিচয়পত্র দেওয়া হয়নি। অভিনয় করার সুযোগ পেতে তাঁকে নিজের নগ্ন ছবি ও ভিডিও পাঠাতে হয় ফিল্ম জগতের অনেককে। না হলে তাঁকে অভিনয় করতে দেওয়া হবে না বলেও হুমকি দেওয়া হয়।

‘‘ওঁরা ছবি ও ভিডিও দেখেও অনেক সময় কোনও অভিনয়ের সুযোগ দেননি। ওঁরা কেউ কেউ লাইভ নগ্ন হওয়ার ভিডিও চেয়েছেন। এতটাই নিচু হতে পারেন তাঁরা।’’ অভিযোগ শ্রী রেড্ডির।

তাঁর বক্তব্য, ‘‘এই ভাবেই আমি আমার দুঃখ প্রকাশ করতে পারি। যদি আমি ফিলম ইন্ড্রাস্ট্রির এত লোককে আমার নগ্ন ছবি পাঠিয়েও অভিনয়ের সুযোগ না পাই, তাহলে প্রকাশ্যে নগ্ন হয়েই আমার প্রতিবাদ জানাতে অসুবিধা কোথায়?’’

এই প্রসঙ্গে অবশ্য তেলুগু ফিল্ম ইন্ড্রাস্টির কারও বক্তব্য এখনও পর্যন্ত পাওয়া যায়নি।