স্ত্রী রত্নার মামলার খরচ বাবদ এককালীন ৭০ হাজার টাকা দিতে হবে। আর মেয়ের পড়াশোনার খরচের জন্য প্রতি মাসে ৪০ হাজার টাকা করে দিতে হবে বলে মেয়র শোভন চট্টোপাধ্যায়কে নির্দেশ দিল আলিপুর জজ কোর্ট। 

এর আগে কলকাতা হাইকোর্ট নির্দেশ দিয়েছিল— রত্নার খরচ-সম্পর্কিত মামলার নিষ্পত্তি নিম্ন আদালতকে দু’মাসের মধ্যে করতে হবে। একই সঙ্গে চলতে পারে ডিভোর্সের মামলাও।

রত্না চট্টোপাধ্যায় অবশ্য মেয়রের থেকে মামলার খরচ বাবদ ১৫ লক্ষ টাকা ও মেয়ের পড়াশোনার খরচ বাবদ মাসে দেড় লক্ষ টাকা করে চেয়েছিলেন। নিম্ন আদালত সেই দাবির অঙ্ক অনেকটাই কমিয়ে দিল।

মেয়রের আইনজীবীরা জানিয়েছেন, তাঁরা নিম্ন আদালতের এই রায়ের বিরুদ্ধে হাইকোর্টে আপিল করবেন। অন্যদিকে, রত্নার আইনজীবীরা রায়ের কপি হাতে পেয়ে তবেই ঠিক করবেন পরবর্তী পদক্ষেপ।

এই বিষয়ে অন্যান্য খবর

কলকাতার মেয়র তথা রাজ্যের মন্ত্রী শোভন চট্টোপাধ্যায় স্ত্রীর সঙ্গে সংসার করতে চান না বলে বিবাহ বিচ্ছেদের মামলা করেছিলেন। কিন্তু রত্না চেয়েছিলেন, আগে মেয়র তাঁর মামলার ও মেয়ের পড়াশোনার খরচ দিন, তার পরে বিবাহ বিচ্ছেদের মামলা চলতে পারে।

গত ২৯ জুন আলিপুর কোর্ট রত্নার এই আর্জি খারিজ করে দেওয়ার পরে তিনি হাইকোর্টের দ্বারস্থ হয়েছিলেন। গত ২১ অগস্ট হাইকোর্ট রত্নার পক্ষেই রায় দিয়েছিল।

মেয়রের বান্ধবী বৈশাখী চট্টোপাধ্যায়ের সঙ্গে ঘনিষ্ঠতার কারণেই তাঁর দাম্পত্য জীবনে সমস্যা তৈরি হয় বলে সূত্রের খবর। এক সময়ে বৈশাখী ও রত্না সংবাদমাধ্যমে একে অন্যের বিরুদ্ধে তোপও দেগেছিলেন। এই সম্পর্কের জন্য শোভনকে মুখ্যমন্ত্রীর তিরস্কারের মুখেও পড়তে হয়েছিল।

কিন্তু শোভন চট্টোপাধ্যায় আগেই জানিয়ে দিয়েছেন, নিজের দুর্দিনের বন্ধুকে তিনি কিছুতেই ছাড়তে পারবেন না।