মোহনবাগান ১  পিয়ারলেস ১ 
(হেনরি)    (ক্রোমা)


বাগান ছেড়ে চলে যাওয়ার সেদিনটা নিশ্চয় এখনও মনে রয়েছে লাইবেরিয়ান আনসুমানা ক্রোমার। তীব্র মনোকষ্টে থাকা স্ট্রাইকার নিজেকে প্রমাণ করার জন্য সই করেছিলেন ইস্টবেঙ্গলে। সবুজ-মেরুনকে সেবার জবাব দেওয়াটা হয়নি ক্রোমার। 

এই বিষয়ে অন্যান্য খবর

গঙ্গাপারের ক্লাবকে আসল জবাবটা ক্রোমা দিলেন লক্ষ্মীবার। হেনরি কিসেককার গোলে পিছিয়ে ছিল পিয়ারলেস। সবাই ধরেই নিয়েছিলেন ম্যাচটা জিতছে মোহনবাগানই। ঠিক তখনই ‘কহানি মে টুইস্ট’। হঠাৎই ছোঁ মেরে বল নিয়ে সবুজ-মেরুন ডিফেন্ডারদের মন্ত্রমুগ্ধ করে ক্রোমা সমতা ফেরান।

ইদানীং দেখা যায়, পুরনো দলের বিরুদ্ধে গোল করে তা উদযাপন করেন না সংশ্লিষ্ট ফুটবলার। ম্যাঞ্চেস্টার ইউনাইটেডের বিরুদ্ধে গোল করে উদযাপন করেননি ক্রিশ্চিয়ানো রোনাল্ডো। জুভেন্তাসের হয়ে রিয়াল মাদ্রিদের জালে বল ঠেলার পরেও মোরাতা উৎসব করেননি। বিশ্বফুটবলে এমন দৃশ্য বহুবার দেখা গিয়েছে।  এবার কলকাতার ফুটবলেও সেই দৃশ্য দেখা গেল। ক্রোমা গোল করেও উৎসব করলেন না। তাঁর হাত উঠল মাথায়। নিজে উদযাপন করলেন না। তাঁর গোলে পিয়ারলেস স্বস্তির নিঃশ্বাস ফেলল। 

গতবার এই ক্রোমাই বলেছিলেন, মোহনবাগান তাঁর ঘর। সেই অর্থে সবুজ-মেরুন-এর ঘরের ছেলে ক্রোমা। আর এই ড্র হওয়ায় ইস্টবেঙ্গলেও স্বস্তির বাতাস।