ব্যানার, পোস্টার, আলোর মালা এমনকী পুরসভার গেটে ‘হ্যাপি বার্থ ডে দিদি’ লাইট লাগানো হয়েছিল। কথা ছিল কেক কাটা হবে। কিন্তু শেষ পর্যন্ত সেটা হল না। সূত্রের খবর উপর মহল থেকে নির্দেশ আসতেই কর্মসূচি বাতিল করেন তৃণমূল নেতারা। এমনকী কেক কাটার পরিকল্পনার কথা অস্বীকার করেন তাঁরা।

সোমবার রাত থেকেই এল ই ডি লাইটে সাজানো হয় পুরনিগমের সব ভবনকে। মূল দরজার উপর লাগানো হয় ইলেকট্রনিক্স বোর্ড। যেখানে লেখা ছিল ‘হ্যাপি বার্থ ডে দিদি’। সেই বোর্ড হঠাৎ উধাও হয়ে যায়। পুরনিগমের পক্ষ থেকে মুখ্যমন্ত্রীর জন্মদিন উপলক্ষ্যে যে ছোট ছোট ব্যানারগুলি লাগানো ছিল পুরনিগম চত্বরে সেগুলিও আর দেখা যায়নি। তবে শহরের মোড়ে মোড়ে পুরনিগমের পক্ষ থেকে লাগানো জন্মদিনের শুভেচ্ছা হোর্ডিংগুলি থেকেই যায়।  

নেত্রীর জন্মদিন উপলক্ষ্যে আসানসোলের তৃণমূল নেতা-কর্মীদের মঙ্গলবার শহর জুড়ে একাধিক কর্মসূচি পালনের কথা ছিল। পুরনিগমের পক্ষ থেকেও ছিল একগুচ্ছ অনুষ্ঠান। দিনভর সেইসব পালন হল কিন্তু মুখ্যমন্ত্রীর জন্মদিন কথাটি বাদ দিয়ে। মেয়র জিতেন্দ্র তিওয়ারি জানিয়েছেন, ‘‘পুরনিগম নানা কর্মসূচি পালন করছে সেটা আগাম পরিকল্পনা অনুযায়ী। মুখ্যমন্ত্রীকে দেশের মানুষ ভালবাসেন, রাজ্যের মানুষ ভালবাসেন, তাই শুভেচ্ছা জানাচ্ছেন। আমরাও জানাচ্ছি। কিন্তু ওনার জন্মদিন উপলক্ষ্যে এই অনুষ্ঠান নয়।’’

একই কথার পুনরাবৃত্তি করেছেন তৃণমূল বর্ধমান শিল্পাঞ্চল জেলা সভাপতি ভি শিবদাসনও। মেয়রের এই দিদির জন্মদিন পালনের উদ্যোগ নিয়ে সমালোচনা চলছে দলের ভিতরেও। অনেকেই বলছেন দলনেত্রীর স্নেহভাজন হতে গিয়ে মুখ্যমন্ত্রীর জন্মদিন ঘটা করে পালন করতে গিয়েছিলেন মেয়র। কিন্তু উল্টে এর জন্য মুখ্যমন্ত্রীর রোষানলে পড়ার ভয়ে কর্মসূচী বাতিল হল বলে মনে করছেন তাঁরা। নীচের ভিডিও লিঙ্কে দেখে নিন কেমন সাজানো হয়েছিল শহর আর শুনুন কী বললেন মেয়র—