কৃষ্ণসার হরিণ হত্যা মামলায় দোষী সাব্যস্ত হয়েও ৪৮ ঘণ্টা পরে জামিনে মুক্তও হয়ে গেলেন সলমান খান। কিন্তু সূত্রের খবর, জোধপুর সেন্ট্রাল জেলের ভিতর আসারাম বাপুর রোষে পড়লেন বজরঙ্গি ভাইজান।

উল্লেখ্য, ধর্ষণের মামলায় অভিযুক্ত হয়ে এখন জোধপুর জেলেই রয়েছেন স্বঘোষিত ধর্মগুরু আসারাম বাপু। ২০১৩ সালে এক স্কুলছাত্রীকে ধর্ষণ করার অপরাধে তিনি জেলে। 

এক সর্বভারতীয় হিন্দি সংবাদপত্রের খবর অনুযায়ী, বৃহস্পতিবার সলমন খান জেলে পৌঁছনোর পরে সেখানে তিনি সিগারেট খেয়েছেন, জেলের পোষাক পরেননি, এমনকি জেলের দেওয়া খাবারও খেতে অস্বীকার করেন তিনি। সঙ্গে শুক্রবার তিরিশ মিনিট ধরে প্রীতি জিন্টা ও নিজের বোনেদের সঙ্গে সময় কাটান সলমন। জেলের কর্মীদের ছেলেমেয়েরাও নাকি সলমনের দর্শন পেয়েছেন।

এই বিষয়ে অন্যান্য খবর

বলিউড তারকা জেলে বিশেষ সুবিধা পাওয়াতেই নাকি ক্ষোভ ব্যক্ত করেছেন আসারাম। তিনি জেলকর্মীদের বলেছেন, ‘‘আমার সঙ্গে দেখা করতে তো কেউ আসে না। সলমন সুপারস্টার বলে ওর সঙ্গে দেখা করতে যাচ্ছে সবাই।’’

তার উপর সলমন জেলের খাবার খাচ্ছেন না দেখে আসারাম নাকি তার জন্য কাছের এক আশ্রম থেকে আসা খাবারও সলমনকে খাওয়াতে চেয়েছিলেন। কিন্তু সলমন সেই খাবারও খেতে চাননি। এতে আরও চটেছেন আসারাম।

তবে বৃহস্পতিবার যখন জেলে পৌঁছন তখন আসারাম বাপুর সঙ্গে দেখা হয় সলমনের। দু’জনে তখন ভালভাবেই কথা বলেছেন বলে জানিয়েছেন জেলের আধিকারিকরা।

শনিবারই অবশ্য জেল থেকে ছাড়া পেয়ে যাচ্ছেন সলমন। ৫০ হাজার টাকার ব্যক্তিগত বন্ডে জামিন পেয়ে গেছেন এই সুপারস্টার।