নর্মদা ও তাপ্তির মাঝে যে উপত্যাকা রয়েছে, সেখানকার সাতপুরা পর্বতমালার উপরেই তৈরি হয়েছিল আসিরগড় দুর্গ।  

এই বিষয়ে অন্যান্য খবর

মধ্যপ্রদেশের বুরহানপুর শহর থেকে মাত্র ২০ কিলোমিটার দূরত্বেই রয়েছে ঐতিহাসিক এই দুর্গ। কিন্তু, শুধুমাত্র ঐতিহাসিক বললে খানিক ভুল হলা হয়। এই দুর্গের সঙ্গে যোগ রয়েছে মহাভারতেরও, এমনটাই জনশ্রুতি। 

আসা আহির নামে এক জমিদার ১৫ শতকে নির্মাণ করেছিলেন আসিরগড় দুর্গ। যা ১৬০১ সালের শুরুর দিকেই জয় করেন মুঘল সম্রাট আকবর। 

ইতিহাসের পাতা ওলটালে দেখা যায়, দ্বিতীয় ইঙ্গ-মরাঠা যুদ্ধ চলাকালীন ১৮০৩ সালে দুর্গ জয় করে নেয় ইংরেজ সেনা। 


দূর্গের অন্দরে। ছবি: ইউটিউব

আসিরগড় দুর্গে রয়েছে ইসলামিক, পারস্য, তুরস্ক ও ভারতীয় স্থাপত্যশিল্পের নিদর্শন। তবে সব থেকে আশ্চর্যের ব্যাপার হলো, দুর্গের ভিতরেই রয়েছে একটি শিব মন্দির— গুপ্তেশ্বর মহাদেব মন্দির।

কথিত, কুরুক্ষেত্র যুদ্ধের পরে, গুরু দ্রোণাচার্যের পুত্র অশ্বথামা সব কিছু ছেড়ে চলে আসেন এই অঞ্চলে। এবং প্রতি দিন সকালে তিনি আসেন এই শিব মন্দিরে পুজো দিতে। 

কথায় বলে, বিশ্বাসে মিলায় বস্তু!