কাঠুয়ায় আট বছরের শিশুকন্যা আসিফাকে ধর্ষণ করা হয়নি! সোশ্যাল মিডিয়াতে হঠাৎ করেই  একটি ভিডিও ও কিছু তথ্য ছড়িয়ে পড়ায় চাঞ্চল্যকর পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছিল সাময়িক ভাবে। কিন্তু এটা যে স্রেফ রটনা, সেকথা স্পষ্ট ভাবে জানিয়ে দিয়েছে জম্মু-কাশ্মীর পুলিশ।

ওই প্রতিবেদনের দাবি, ধর্ষণ কাণ্ডে অভিযুক্ত ৮ ব্যক্তি, যাদের মধ্যে দু’জন পুলিশকর্মী, তারা কাঠুয়া কাণ্ডের প্রামাণ্য তথ্য নষ্ট করে দেওয়ার চেষ্টা করেছিল। পুলিশ তাদের বিরূদ্ধে চার্জশিট পেশ করেছে। দু’জন বিজেপি মন্ত্রী প্রথম থেকেই অভিযুক্তদের সমর্থনে কথা বলে আসায়, তাদের দল থেকে বহিষ্কার করা হয়। তাদের বিরুদ্ধে সিবিআই তদন্তের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।  

ক’দিন ধরেই জম্মু ও কাশ্মীরে হাওয়ায় হাওয়ায় একটি কথা ছড়িয়ে পড়ে যে, আসিফাকে ধর্ষণ করা হয়নি। অভিযুক্তদের বাঁচানোর চেষ্টাতেই এই মিথ্যে খবর ছড়িয়ে দেওয়া হয়েছিল বলে দাবি পুলিশের। ক্রাইম ব্রাঞ্চ মৃতদেহের দ্বিতীয়বার ময়নাতদন্ত করার পর জানিয়ে দিয়েছে, শ্বাসরোধ করে খুন করার আগে পর্যন্ত আসিফাকে একাধিকবার ধর্ষণ করা হয়েছিল। 

মেডিক্যাল রিপোর্টে আরও জানা গিয়েছে যে, ঘুমের ওষুধ দিয়ে ধর্ষিতাকে নিস্তেজ করে দেওয়ার ফলে শ্বাসরোধ হয়ে দ্রুত মৃত্যু হয় আসিফার।