দীপিকা পাড়ুকোন
দীপিকার গম-রঙা গায়ের রং অনেকের কাছেই ঈর্ষণীয়। তবে ত্বক পরিষ্কার রাখার জন্য যথেষ্ট পরিশ্রম করেন তিনি। নিয়মিত দশ থেকে ১২ গ্লাস জল খান, যাতে শরীর থেকে সব টক্সিন ধুয়ে যায়। পুষ্টিকর খাবার খান, যাতে পর্যাপ্ত পরিমাণে ভিটামিন শরীরে যায়। তাছাড়া ত্বক যাতে শুষ্ক না হয়ে যায়, সে জন্য সব সময় ফেশিয়াল মিস্ট ক্যারি করেন।

সোনম কপূর
পরিশ্রম না করলে যে নিখুঁত ত্বক পাওয়া যায় না, তা বিশ্বাস করেন সোনম। কোনও ঘরোয়া টোটকার চেয়েও তিনি নির্ভর করেন ভাল ডায়েটের উপর। সকালের ঘুম থেকে উঠে সোনম প্রথমেই গরম জলে লেবুর রস এবং মধু মিশিয়ে খান। এতে শরীরের অনেক টক্সিন বেরিয়ে যায়। এবং ত্বকের জেল্লাও বাড়ে। তাছা়ড়া ক্লেনজিং, টোনিং এবং ময়েশ্চারাইজিংয়ের রুটিন মেনে চলেন নায়িকা।

কৃতী শ্যানন
এমনিতে তাঁর সুন্দর ত্বক জিনগত! তবে শরীরের অবহেলা করেন না কৃতী। বাড়ির হালকা খাবার খেতে ভালবাসেন। নিয়মিত এক্সারসাইজ করেন। এবং ক্লেনজিং, টোনিং এবং ময়েশ্চারাইজিংয়ের রুটিন চোখ বন্ধ করে মেনে চলেন। বাড়ি ফিরতে যতই দেরি হোক, তিনি শোওয়ার আগে মুখ ঠান্ডা জল দিয়ে ভাল করে ধুয়ে ময়েশ্চারাইজার লাগিয়ে নেন।

ঐশ্বর্যা রাই বচ্চন
বিশ্বসুন্দরীর বিউটি সিক্রেট তো সকলেই জানতে চাইবেন। তবে ঐশ্বর্যার মতো ত্বক পেতে গেলে বেশ যত্ন নেওয়ার প্রয়োজন। নিয়মিত ডায়েট এবং এক্সারসাইজের মধ্যে থাকেন বচ্চন পরিবারের পুত্রবধূ। মুখের পোড়াভাব কিংবা কোনও রকম দাগছোপ মেলানোর জন্য তিনি ভরসা করেন ঘরোয়া টোটকার উপরই। বেসন, হলুদ এবং দুধ মিশিয়ে একটা প্যাক বানিয়ে সপ্তাহে তিনদিন লাগান তিনি। ত্বকের আর্দ্রতা ধরে রাখতে শসার নির্যাস দিয়ে ফেসপ্যাক বানান।

আলিয়া ভট্ট
আলিয়া খুব বেশি রূপচর্চা করতে পছন্দ করেন না। সুন্দর ত্বক পাওয়ার জন্য ডায়েট, এক্সারসাইজ এবং যোগ ব্যায়ামের উপরেই ভরসা করেন বেশি। তবে রোজ নিয়ম করে তুলসীপাতা বাটা এবং নিমপাতা বাটা কোনও ফেসপ্যাকের সঙ্গে মিশিয়ে মুখে লাগান। এতে তাঁর ত্বক সহজেই ডিটক্সিফাই হয়ে যায়। শুকিয়ে গেলে গোলাপ জল দিয়ে ধুয়ে নেন।