আলাপ হয়েছিল সোশ্যাল মিডিয়ায়। থাকতেন ইউক্রেনের খেমেলেনিস্তকি-তে। প্রেমের টানে সোজা হাজির হয়েছিলেন আরামবাগে! তবু তরুণীর প্রেম পূর্ণতা পেল না বাঙালি যুবক প্রতারণা করায়।

প্রথম আলাপে মুগ্ধতা ছিল, জন্মায় প্রেম! কিন্তু পরিণতিটাই যা পেল না। যা নিয়ে এখন ঘোর পস্তাচ্ছেন ইউক্রেনের নাদিয়া লোপাচুক। প্রতারক তাঁরই বাঙালি প্রেমিক প্রসেনজিৎ।

ঠিক কী হয়েছিল? ফেসবুকে জমিয়ে চলছিল নাদিয়া, সঞ্জয়ের প্রেমালাপ। দু’জনেরই প্রতিশ্রুতি ছিল ঘর বাঁধবেন শীঘ্রই। তবে হঠাৎই নিজের শহরে বসে লোপাচুক খবর পেয়েছিলেন তাঁর ভালবাসার মানুষটাই ঘোর অসুস্থ। মন মানেনি। চলতি মাসের ২৪ তারিখেই নয়াদিল্লির বিমানে বসে ভারতে হাজির হয়ে গিয়েছিলেন শেভচেঙ্কোর দেশের তরুণী।

নাদিয়া লোপাচুক। — তরুণীর ফেসবুক

এর পরে কলকাতা ও সেখান থেকে আরামবাগেও পৌঁছে গিয়েছিলেন তার পরের দিন। সেখানে এক হোটেলে উঠেছিলেন। তার পরেই স্বপ্নভঙ্গ। রাত কাটিয়ে পরের দিনই প্রেমিক সঞ্জয়ের খোঁজ পান তিনি। 

তখনই কথাবার্তা চালিয়ে তিনি জানতে পারেন, সঞ্জয় বিবাহিত। দিন দশেক আগেই বিয়ে করেছেন প্রেমিক প্রবর। অথচ তাঁর সঙ্গে প্রেমের অভিনয় করে গিয়েছেন মাসের পরে মাস।

এই বিষয়ে অন্যান্য খবর

হোটেলের মধ্যেই বচসা বেঁধে যায় সঞ্জয় ও নাদিয়ার। কৌতূহলী জনতা ভিড় করে হোটেলে। এর পরে অপ্রীতিকর পরিস্থিতি এড়াতে আরামবাগ থানায় খবর দেওয়া হয়। পুলিশ লোপাচুককে বুঝিয়ে কলকাতায় ফেরত পাঠান।

প্রেম সীমানা মানে না, কিন্তু এখানে প্রেমটাই যে নেই, এমনটা ভেবেই মুষড়ে পড়েছেন লোপাচুক।