একশো বছরের জন্মদিন বলে কথা! মোমবাতি জ্বালিয়ে, কেক কেটে, পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে সেই জন্মদিন সেলিব্রেট করলেন জলপাইগুড়ির গণেশচন্দ্র ঘটক। ফোকলা গালে নিমন্ত্রিতদের সঙ্গে চলল দেদার হাসি-মশকরাও।

এই বিষয়ে অন্যান্য খবর

পেশায় ছিলেন পুরোহিত। মঙ্গলবার ১০০ বছর ১ দিন বয়সি গণেশচন্দ্র ঘটক নিজের জীবন-কাহিনি বলতে গিয়ে জানান, সেদিনের পূর্ববঙ্গ অধুনা বাংলাদেশে তখন মাত্র চার আনায় এক হালা অর্থাৎ ৪টি গোটা এক কিলোগ্রামের ইলিশ মাছ মিলত! নিজেও এক কিলো ওজনের ইলিশ মাছ নাকি অনায়াসে সাবাড় করে দিতে পারতেন।


অনুষ্ঠানের নিমন্ত্রণপত্র। নিজস্ব চিত্র

তবে, এখন তাঁর প্রতিদিনের খাবার মেনু একদম আলাদা। রোজ সকালে দুধ, কর্নফ্লেক্স বা মুড়ি। তার পর মুসম্বির রস। বেলায় ডাল, মাছ, ভাত ইত্যাদি খেতেও ভালবাসেন।


শতবর্ষের অনুষ্ঠানের মাঝে গণেশচন্দ্র ঘোষ। নিজস্ব চিত্র

তাঁর বড় ছেলে বিমলচন্দ্র ঘটক জানান, বাবার এত বছর বেঁচে থাকার পিছনে রয়েছে দুই বেলা সময় করে হাঁটাহাঁটি। বাবার শতবর্ষকে আমরা পরিবারের পক্ষ থেকে চিরস্মরণীয় করে রাখতেই শতবর্ষ উদযাপনের ব্যবস্থা করেছি।