বিজেপি যুব মোর্চার সভায় শনিবার হাজির ছিলেন দলের সর্বভারতীয় সভাপতি অমিত শাহ। বক্তৃতার সিংহভাগ জুড়েই তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে আক্রমণ করেন তিনি। এক ঝলকে দেখে নিন তিনি  কী কী প্রশ্ন তুললেন।

• বাংলার মধ্যে পরিবর্তন হতে যাচ্ছে এই সমাবেশের ভিড় দেখেই বোঝা যাচ্ছে।

• যখন যুব মোর্চার র‌্যালি হচ্ছে সেদিনই ক্ষুদিরাম বোসের শহিদ হওয়ার দিন।

• বাংলার জনতা যাতে এই সভার বক্তব্য শুনতে না পারে, তার জন্য টিভির সম্প্রচার অনেক জায়গায় বন্ধ করে দেওয়া হচ্ছে।

• আমাদের আওয়াজ বন্ধ করতে পারবেন না। সমস্ত জেলায় যাব, তৃণমূল কংগ্রেসকে তুলে ফেলে দেওয়ার বার্তা নিয়ে যাব।

• বাংলা বিরোধী বিজেপি গো ব্যাক। মমতাজি আমরা কী ভাবে বাংলা-বিরোধী হতে পারি? আমাদের পার্টির প্রতিষ্ঠাতা বাংলার শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়। আমাদের ভালবাসা ভোটের জন্য নয়। রামকৃষ্ণের মতো মানুষের জন্য। আমরা তৃণমূল-বিরোধী অবশ্যই। 

• এনআরসি হল অসমের মধ্যে বিদেশিদের চিহ্নিত করে দেশ থেকে বের করে দেওয়ার জন্য। মমতাদি আপনার বিরোধিতায় এনআরসি বন্ধ হয়ে যাবে না। আইনি পথে আমরা এক এক করে অনুপ্রবেশকারীদের চিহ্নিত করেই ছাড়ব।

এই বিষয়ে অন্যান্য খবর

• দেখুন, ২০০৫ সালে বাংলাদেশি অনুপ্রবেশকারীরা কমিউনিস্টদের ভোট দেয় এই অভিযোগে পার্লামেন্টে স্পিকারের দিকে কাগজ ছুঁড়ে দিয়েছিলেন। তখন বলতেন অনুপ্রবেশকারীদের হঠাও, এখন তাঁরাই মমতাজির ভোটব্যাঙ্ক হয়ে গিয়েছে।

• আপনি দেশের সুরক্ষা নাকি ভোটব্যাঙ্ককে সুরক্ষিত করতে চান মমতাদি?

• বাংলাদেশি অনুপ্রবেশকারীরা দেশের সুরক্ষার পক্ষে ক্ষতিকারক কি না? ওঁদের বের করে দেওয়া উচিত কি উচিত নয়?

• আমাদের জন্য ভোটব্যাঙ্ক পরে, দেশ আগে। এনআরসি-র বিরোধ করলেও, আমরা এটা শেষ করেই ছাড়ব।

• বিজেপি সরকার নাগরিকত্ব বিলের সংশোধন করে হিন্দু শরণার্থীদের নাগরিকত্ব দেওয়ার ব্যবস্থা করছে। মমতাজি মানুষকে ভুল বোঝানো বন্ধ করুন।

• তৃণমূল কংগ্রেস ও কংগ্রেসকে স্পষ্ট করতে হবে তাঁরা আফগানিস্থান, বাংলাদেশ থেকে আসা হিন্দু-খ্রিস্টান শরণার্থীদের নাগরিকত্ব তাঁরা দিতে চান কি না।

• দুর্নীতির একটি সিরিজ চালু করেছেন মমতাজি। 

• আইন-শৃঙ্খলার অবস্থা খারাপ। আগে রবীন্দ্রসঙ্গীত শোনা যেত, এখন বোম ও গুলির আওয়াজ শোনা যায়। বোম ও পিস্তল বানানোর কারখানা বাড়ছে ও অন্য কারখানা বন্ধ হচ্ছে তৃণমূল আমলে। অপরাধের সব রেকর্ড ভেঙে দিয়েছে তৃণমূল।

• পুরনো সাংস্কৃতিক বাংলা ফিরিয়ে আনতে বিজেপির নেতৃত্বে সরকার গড়তে হবে।

• ৫ শতাংশ আসনে সাধারণত কোনও প্রতিদ্বন্দ্বিতা হয় না। আর এখানে ৩৫ শতাংশ আসনে বিরোধীদের মনোনয়নই দিতে দেওয়া হল না।

• বিজেপির সব কর্মকর্তা ও সমর্থকদের প্রতি আমার আবেদন, যতক্ষণ বাংলায় বিজেপির সরকার না তৈরি হচ্ছে ততক্ষণ আমাদের বিজয়রথ থামবে না। তৃণমূল কংগ্রেসকে তুলে ছুড়ে ফেলে দিন।

• কংগ্রেস, কমিউনিস্ট ও তৃণমূল বাংলার বিকাশ করতে পারেনি। একটা সুযোগ নরেন্দ্র মোদীকে দিয়ে দিন। 

• দুর্গা পুজোর সময় বিসর্জন করতে দেয় না। স্কুলে সরস্বতী পুজো করতে দেয় না। পরের বার সাহস করবেন না মমতাজি। করলে বিজেপির কর্মীরা সচিবালয়ে গিয়ে দেখিয়ে দেবে কী হয়। 

• কতদিন চলবে এই তোষণের রাজনীতি? ভোটব্যাঙ্কের রাজনীতি?