মানব সভ্যতা নদীমাতৃক সভ্যতা। অতীতে নদীকে কেন্দ্র করেই গড়ে উঠেছিল মানুষের সভ্যতা। কিন্তু আজকের জীবনে নদীর কাছাকাছি থাকা মানুষ ছাড়া অন্যদের সঙ্গে নদীর তেমন প্রত্যক্ষ যোগাযোগ নেই। ব্যস্ত জীবনযাত্রায় দ্রুত স্নান সেরে অফিস দৌড়নোর সময়ে নদী পর্যন্ত আর যাওয়া হয়ে ওঠে কই? অথচ শাস্ত্রে নদীতে স্নানের পুণ্যের কথা বলা রয়েছে। কিন্তু জানেন কি, বাড়িতে স্নান করেও আপনি লাভ করতে পারেন গঙ্গা, যমুনা বা গোদাবরীর মতো নদীতে স্নানের পুণ্য। 

এই বিষয়ে অন্যান্য খবর

সনাতন ধর্ম অনুসারে, একটি মন্ত্র জপ করলেই মেলে এই পুণ্য। সেটির কথা বলার আগে জেনে নেওয়া যাক, স্নানের সময়ে আর কোন কাজটি করলে পুণ্য অর্জন করা যায়। এমনিতে স্নানের সময় বরুণ দেবতার উদ্দেশে মন্ত্রোচ্চারণ করলেও পুণ্য মেলে। বা আপনার কোনও ইষ্ট দেবতা বা দেবী থাকলে তাঁর মন্ত্র উচ্চারণেও পুণ্য মেলে। যদি মন্ত্র মনে না থাকে, তাহলে ভগবানের নাম জপ করুন নিবিষ্ট মনে। পুণ্যার্জন হবে। 

স্নানের জল বালতিতে ভরার পরে সেই জলে তর্জনী স্পর্শ করে ত্রিভুজ আঁকুন। তার মধ্যে ‘হ্রীং’ লিখুন। তার পরে ইষ্ট দেবতাকে স্মরণ করুন।

শাস্ত্রমতে জানা যায়, একটি মন্ত্র জপ করলে বাড়ির স্নানেই আপনি পাবেন গঙ্গার মতো নদীতে স্নানের পুণ্য। মন্ত্রটি হল—

গঙ্গে চ যমুনে চৈব গোদাবরী সরস্বতী।
নর্মদে সিন্ধু কাবেরী জলস্মিনসন্নিদ্ধিম কুরু।।