কংগ্রেস সভাপতি রাহুল গাঁধী যে প্রধানমন্ত্রী পদের দাবিদার, তা নিয়ে না রাহুল নিজে, না কংগ্রেস পার্টি, কেউই কোনও লুকোছাপা করেনি। কিন্তু পরিস্থিতি যে নিজেদের অনুকূলে নেই, তা বুঝতে পারছেন স্বয়ং কংগ্রেস সভাপতিও।

বিভিন্ন জাতীয় সংবাদমাধ্যমের খবর, কংগ্রেস সূত্র থেকে জানা যাচ্ছে, দরকারে তারা আঞ্চলিক দলগুলির মধ্যে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বা মায়াবতীকেও প্রধানমন্ত্রী পদে সমর্থন করতে পারে। 

তবে কংগ্রেসের একটাই শর্ত, বিজেপি বা সংঘ পরিবারের কোনও সমর্থন নেওয়া চলবে না। যদি পরিস্থিতি এরকম হয় যে, লোকসভা নির্বাচনের পরে আঞ্চলিক দলগুলি রাহুল গাঁধীকে প্রধানমন্ত্রী হিসেবে মেনে নিল না বা কংগ্রেসের কাছে যথেষ্ট সংখ্যায় আসন রইল না, তাহলে আঞ্চলিক দলগুলির মধ্যে সর্বসম্মতিক্রমে যিনি প্রধানমন্ত্রী পদের জন্য নির্বাচিত হবেন, তাঁকেই সমর্থন করবে কংগ্রেস।

এই বিষয়ে অন্যান্য খবর

মোদী বা বিজেপি সরকারকে হঠাতে এমনই পথ নেওয়ার কথা ভাবছে কংগ্রেস নেতৃত্ব। কংগ্রেস ওয়ার্কিং কমিটির বৈঠকে রাহুলকে প্রধানমন্ত্রী পদের মুখ করে নির্বাচনে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হলেও, এই নিয়ে জেদ করে আঞ্চলিক দলগুলির জোট ভেস্তে দেওয়ার পক্ষপাতী নন রাহুল।

তাই লোকসভা ভোটের আগেই আঞ্চলিক দলগুলির সঙ্গে আসন সমঝোতার ব্যাপারে রাহুলকেই দায়িত্ব দিয়েছে ওয়ার্কিং কমিটি। প্রাক্তন অর্থমন্ত্রী পি চিদম্বরমও বুঝিয়েছেন, ১২টি রাজ্যে কংগ্রেস একা লড়ে প্রায় ১৫০টি আসন পেতে পারে। কিন্তু সরকার গড়তে আঞ্চলিক দলগুলির সঙ্গে জোট বা আসন সমঝোতা করতেই হবে।

সেই লক্ষ্যেই প্রধানমন্ত্রী পদের জন্য জেদ না ধরে থেকে আঞ্চলিক দলগুলিকে এক ছাতার তলায় আনার কৌশলী পদক্ষেপ নিচ্ছে কংগ্রেস।