ভারত থেকে তিন জনকে ডেকেছিলেন ইমরান খান। তাঁদের মধ্যে কপিলদেব ও সুনীল গাওস্কর আগেই যাবেন না বলে জানিয়ে দিয়েছিলেন। কিন্তু সমস্ত আপত্তি অগ্রাহ্য করে পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী ইমরান খানের শপথগ্রহণ অনুষ্ঠানে হাজির হলেন নভজ্যোত সিংহ সিধু।

শনিবার সেই অনুষ্ঠানে বিদেশি অতিথিদের সঙ্গে নয়, তিনি গিয়ে বসলেন পাক অধিকৃত কাশ্মীরের প্রেসিডেন্ট মাসুদ খানের পাশে। তার থেকেও গুরুত্বপূর্ণ ছবি উঠল, যখন সিধু আলিঙ্গন করলেন পাক সেনাপ্রধান কামার জাভেদ বাজওয়াকে। 

এই সেনাপ্রধানই নাকি ভারত-বিদ্বেষী। তাঁর অঙ্গুলিহেলনেই ইমরানের সরকার চলবে বলে ধারণা কূটনৈতিক মহলের।

এই বিষয়ে অন্যান্য খবর

পাকিস্তানের রাষ্ট্রপতি ভবনে ঢোকার আগে সিধু সাংবাদিকদের বলেছেন, ‘‘খান সাহেবের (ইমরান খান) মতো মানুষই ইতিহাস তৈরি করেন। এই নিমন্ত্রণের মধ্যে দিয়ে তিনি আমাকে সম্মান জানিয়েছেন। যে সব মানুষ সম্পর্ক তৈরি করেন, তাঁরা সম্মানযোগ্য। এটা নতুন শুরু। এই সরকার এসেছে দেশের দৃষ্টিভঙ্গি বদল করার জন্য। অনেক আশা রয়েছে। 

সিধু আগেই জানিয়েছিলেন তিনি ভারতের শান্তিদূত হিসেবে পাকিস্তানে যাচ্ছেন। যদিও তিনি পঞ্জাবে কংগ্রেস সরকারের মন্ত্রী। কিন্তু সিধু দাবি করেছেন এই নিমন্ত্রণ তিনি ব্যক্তিগত ভাবে পেয়েছেন। 

শুক্রবার পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন ইমরান খান। তিনি পাকিস্তান মুসলিম লিগের প্রার্থী তথা প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী নওয়াজ শরিফের ভাই শাহবাজ খানকে পরাজিত করেছেন। ইমরানের পিটিআই পার্টি নির্বাচনে ১১৬টি আসন পেয়েছে। সংরক্ষিত আসনগুলিতে আগের থেকে আরও বেশি প্রতিনিধি পেয়ে সেই সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১৫৮তে।