ঘড়ির কাঁটা এগিয়ে চলেছে। সময় পেরিয়ে যাচ্ছে। গ্যালারিতে টেনশন-আক্রান্ত উদ্বিগ্ন সমর্থকদের মুখে আকাশের কালো মেঘ। দু’দিন আগেই ইস্টবেঙ্গল কাস্টমস চেকিংয়ে আটকে গিয়েছে। মোহনবাগানের ক্ষেত্রেও সেরকম হবে কি না, তা নিয়ে যখন জোর জল্পনা বাগান সমর্থকদের মধ্যে, তখনই ‘পাখি’ হলেন ডিপান্ডা ডিকা। গোল করার পরে শান্ত ডিকার সেলিব্রেশন অনেকেরই চেনা। রবিবারে সেই ডিকাকেই দেখা গেল ফের একবার। দু’হাত ছাড়িয়ে/আরও দূর পেরিয়ে...

এই বিষয়ে অন্যান্য খবর

ডিকা, হেনরি কিসেক্কা— জোড়া ফলাকে শুরুতেই আক্রমণে রেখে দল সাজিয়েছিলেন কোচ শঙ্করলাল। ভাবা গিয়েছিল, গোলের তোড়ে ভেসে যাবে জর্জ টেলিগ্রাফ। কোথায় কী! সারাক্ষণ একচ্ছত্র দাপট মোহনবাগানের। তবুও গোলের জন্য হাপিত্যেশ করে থাকা সমর্থকদের অপেক্ষা করে থাকতে হল ৭২ মিনিট পর্যন্ত। তীর্থঙ্করের মাপা ফ্রি-কিক থেকে দুর্দান্ত হেডে বল জালে জড়াতেই ডিকা চেনা ভঙ্গিতে।

মোহনবাগানের প্রাক্তনী ইচে ছিলেন জর্জের জার্সিতে। প্রাক্তন ফুটবলারদের পায়েই অধিকাংশ বাগান আক্রমণ আটকে যাচ্ছিল। হেনরি থেকে ডিকা— ইচে আটকে দিচ্ছিলেন পুরনো ফর্মে।

২৪ ঘণ্টা আগেই সোশ্যাল মিডিয়ায় অবসরের ঘোষণা করে সকলকে চমকে দিয়েছিলেন মেহতাব হোসেন। নজর ছিল। তিনি জর্জের বিরুদ্ধে প্রথম একাদশে থাকেন কি না। তবে শঙ্করলাল রাখেননি মেহতাবকে। রেনবোর বিরুদ্ধে মেহতাবের রামধনু রঙে বিলীন হয়ে গিয়েছিল প্রতিপক্ষ। এদিনও প্রথমার্ধে গোল না আসায় দ্বিতীয়ার্ধে নামাতে হল মেহতাবকে। চেষ্টাও করলেন তিনি।

তবে জিতলেও মোহনবাগানের কপালে ভাঁজ থেকেই যাচ্ছে। জোড়া বিদেশি স্ট্রাইকারকে নামিয়েও কোনও মতে স্কোরবোর্ডে ১ গোল। চিন্তায় থাকবেন কোচ শঙ্করলাল, সন্দেহ নেই।