হেমা মালিনী-কন্যা এষা দেওল তখতানির সঙ্গে শর্টফিল্ম ‘কেকওয়াক’ বানানোর পরে পরিচালক রামকমল মুখোপাধ্যায় ও অভ্র চক্রবর্তীর যৌথ প্রচেষ্টা ‘সিজন’স গ্রিটিংস’—এর কাজ এখন প্রস্তুতির পথে। এই ছবিটির প্রযোজনায় রয়েছে অ্যাসোর্টেড মোশন পিকচার্স এবং এস এস ওয়ান এন্টারটেনমেন্টস। ছবির গল্প লিখেছেন রঞ্জীব মজুমদার এবং চিত্রনাট্য ও সংলাপ লিখেছেন চন্দ্রোদয় পাল। এটিও একটি স্বল্প দৈর্ঘ্যের ছবি। ছবিটির প্রযোজক— অরিত্র দাস ও শৈলেন্দ্র কুমার। 

ঋতুপর্ণ ঘোষ ও রামকমল মুখোপাধ্যায় ‘নৌকাডুবি’ (২০১১)-তে একসঙ্গে কাজ করেছিলেন। ঋতুপর্ণের ছবি বানানোর শৈলী রামকমলকে বিভিন্ন ভাবে অনুপ্রাণিত করেছিল। তাই রামকমলের দ্বিতীয় ছবি ঋতুপর্ণের প্রতি উৎসর্গীকৃত। 

মুম্বইয়ে থাকাকালীন রামকমল একটি পত্রিকার সাংবাদিক ছিলেন। সেই সময়েই তিনি ঋতুপর্ণের একটি সাক্ষাৎকার নিয়েছিলেন। পরবর্তীকালেও সিনেমা বানানোর স্টাইল প্রসঙ্গে রামকমলের সঙ্গে ঋতুপর্ণের অনেক কথাবার্তা হয়েছে। ফলত দীর্ঘকাল থেকেই রামকমল তাঁর ‘ঋতুদা’কে মণিকোঠায় রেখে দিয়েছিলেন। তার ফলই এই ‘সিজন’স গ্রিটিংস’। 

এই ছবির পরিচালনায় যে আর একজন পরিচালক রয়েছেন, তিনি অভ্র চক্রবর্তী। বাপ্পাদিত্য বন্দোপাধ্যায়ের সঙ্গে তিনি আগে কাজ করেছেন। তা ছাড়া সম্প্রতি নিজের ছবি ‘জীবিত ও মৃত’-র কাজ শেষ করেছেন। অভ্র জানান, ‘‘সত্যজিৎ রায়ের থেকে ঋতুপর্ণ বহুলভাবে অনুপ্রাণিত হয়েছিলেন। তাঁর গল্প বলার স্টাইলকে তিনি ফলো করতেন। ‘ক্যাটওয়াক’-এর পরে আমরা পরের ছবির মাধ্যমে ঋতুদাকে ট্রিবিউট দেওয়ার কথা ভেবে এমনিতেই নার্ভাস ছিলাম। কারণ ‘ট্রিবিউট’ শুনলেই দর্শকের প্রত্যাশা বেড়ে যায়।’’ 

আগামী ৩০ মে ঋতুপর্ণের মৃত্যুবার্ষিকীতে ‘সিজন’স গ্রিটিংস’-এর পক্ষ থেকে প্রয়াত পরিচালককে শ্রদ্ধা জানানো হবে। তা নিয়ে পুরো টিম এখন থেকেই খুব উতলা হয়ে আছে। রামকমলের দ্বিতীয় ছবি ঋতুপর্ণের ছবি বানানোর সংবেদনশীলতাকে মাথায় রেখে করা। তাই নিয়ে যথেষ্ট আশাবাদী তিনি।