ইস্টবেঙ্গল: ১  রেনবো এফসি: ০

আগের ম্যাচেই পশ্চিমবঙ্গ পুলিশকে গোলের বন্যায় ভাসিয়েছিল মোহনবাগান। ভাবা হয়েছিল পড়শি ক্লাবের দুরন্ত পারফরম্যান্সের প্রত্যুত্তরে ইস্টবেঙ্গল মাঠেও গোলের বাণ ডাকবে। কোথায় কি! পেন ওরজি’দের হারাতে রীতিমতো কালঘাম ছুটল কালঘাম ছুটল সুভাষ ভৌমিকের ছেলেদের।

ডার্বির আগে ইস্টবেঙ্গল ও মোহনবাগান এখনও একটি করে ম্যাচ খেলবে। বুধবার ইস্টবেঙ্গলের মুখোমুখি জর্জ টেলিগ্রাফ। ঠিক তার পরের দিনেই মোহনবাগান ডার্বির প্রস্তুতি ম্যাচ খেলবে এরিয়ানের বিরুদ্ধে।

এই বিষয়ে অন্যান্য খবর

কিন্তু তার বহু আগেই ইস্টবেঙ্গল সমর্থকদের কপালে ভাঁজ। গোটা ম্যাচে মাত্র ১ গোল! তা-ও আবার পড়ে পাওয়া পেনাল্টি থেকে। সৌরভ ফাউল করেছিলেন সুরাবুদ্দিনকে। স্পটকিক থেকে লালরাম চুলোভার গোল করতে ভুল করেননি। কিন্তু তা বাদে ইস্টবেঙ্গলের মনে রাখার মতো পারফরম্যান্স এদিন কোথায়? জবি জাস্টিন আগের ম্যাচে ফুল ফুটিয়েছিলেন। মাঝমাঠে রামধনু এঁকেছিলেন আমনা। এদিন রেনবো কোচ মাঝমাঠেই বুদ্ধি করে আমনাকে আটকে দিচ্ছিলেন। আমনা থমকে যেতেই অ্যাটাকিং থার্ডে আটকে গেলেন জবি, সুরাবুদ্দিনরা।

প্রথমার্ধে রেনবো কিছুটা গুটিয়ে থাকলেও দ্বিতীয়ার্ধে খোলস ছেড়ে বেরোলেন পেন, সুরজ, সুজয়রা। তবে সমতা সূচক গোল আর আসেনি। যাইহোক, ডার্বি কড়া নাড়ছে দুই প্রধানে। এমন অবস্থায় স্ট্রাইকার সমস্যা রয়েই গেল ইস্টবেঙ্গলে।

গাম্বো-বিতর্কের পরে বিদেশি কোচ কবে আসবেন, স্ট্রাইকার কিংবা ডিফেন্ডার কবে যোগ দেবেন ক্লাবে— এমন প্রশ্নের উত্তর নেই লাল-হলুদ তাঁবুতে। সুভাষ কী ডার্বি জিতিয়ে সমর্থকদের আশ্বস্ত করতে পারবেন, দেখার অপেক্ষায় ময়দান!