পিয়ারলেস-২    ইস্টবেঙ্গল-১   
  (ক্রোমা, নরহরি)                (আইদারা)

 

৬ সেপ্টেম্বর, ২০১৫। ইস্টবেঙ্গল ৪ মোহনবাগান ০।
৬ সেপ্টেম্বর, ২০১৮। ইস্টবেঙ্গল ১  পিয়ারলেস ২।

তিন বছর আগের আজকের তারিখ স্মরণীয় হয়ে রয়েছে ইস্টবেঙ্গল-ভক্তদের কাছে। সেদিন ডো ডং-এর দুটো বিষ মাখানো ফ্রি কিক আজও মনে রয়েছে সবার। 

তিন বছরে বদলে গিয়েছে অনেক কিছু। সেদিন লাল-হলুদের রিমোট কন্ট্রোল হাতে ছিল বিশ্বজিৎ ভট্টাচার্যের হাতে। বিশ্বজিৎ এখন পিয়ারলেসের কোচ। প্রাক্তন ইস্টবেঙ্গল কোচের হাতেই সম্ভবত শেষ হয়ে গেল লাল-হলুদের কলকাতা জয়ের স্বপ্ন। 

বৃহস্পতিবারের পরে কলকাতা লিগের পয়েন্ট তালিকা বলছে, মোহনবাগান ২৩ পয়েন্ট পেয়ে লিগ তালিকার শীর্ষে। ইস্টবেঙ্গল দুই নম্বরে। লাল-হলুদ তিন পয়েন্টে পিছিয়ে। গোলপার্থক্যেও মোহনবাগান বহু এগিয়ে ইস্টবেঙ্গলের থেকে। 

অর্থাৎ পরিস্থিতি এখন যে দিকে গড়াচ্ছে, তাতে গঙ্গাপাড়ের ক্লাবে এবার কলকাতা লিগ হয়তো ঢুকতে চলেছে। যদি-কিন্তুর হিসেব অবশ্য রয়েছেই। খেলার কথা কে আর কবে আগে থাকতে বলতে পেরেছেন! 

এদিনের ইস্টবেঙ্গল-পিয়ারলেস ম্যাচের বল গড়ানোর অনেক আগে থেকেই ফেসবুকে ডো ডং-এর ছবির বন্যা। তিন বছর আগের সেই ডার্বির স্মৃতি ঘোরাফেরা করছিল ফেসবুকে। ম্যাচ শুরু হতেই চিত্রনাট্য বদলাতে শুরু করে দেয়। বিশ্বকাপার জনি অ্যাকোস্টাকে দাঁড় করিয়ে রেখে ক্রোমা এগিয়ে দেন পিয়ারলেসকে। ডার্বিতে দুরন্ত প্রত্যাবর্তন ঘটিয়েছিল লাল-হলুদ। এদিন আইদারার গোলে ফিরেও এসেছিল সুভাষ ভৌমিকের দল। কিন্তু ফুটবল-দেবতা বোধহয় আজ ইস্টবেঙ্গলের সহায় ছিলেন না। তাই পরিবর্ত হিসেবে নামা নরহরির শট ইস্টবেঙ্গলের ডিফেন্ডার পায়ে লেগে গোল হয়ে যায়। সেই গোল আর শোধ করতে পারেনি শতাব্দী ছুঁতে চলা ইস্টবেঙ্গল। ম্যাচ হেরে লিগে পিছিয়ে পড়ল লাল-হলুদ। সেই সঙ্গে এবারের কলকাতা লিগ ট্রফিটাও হয়তো নিজেদের মাঠেই ফেলে এলেন আল আমনা, জনি অ্যাকোস্টারা।