খালিদ আউচো নাকি কাসিম আইদারা— কে ভাল আপনারাই বলুন? সাংবাদিকদের এই প্রশ্ন ছুড়ে দিয়েছিলেন ইস্টবেঙ্গল ক্লাবের এক শীর্ষ কর্তা। তখন সুপার কাপ শেষ হয়ে গিয়েছে। নতুন মরসুমের জন্য ফুটবলার বাছাইয়ের কাজও শুরু হয়ে গিয়েছিল। খালিদ আউচোর জায়গায় কাসিম আইদারা আসছেন, তা দিনের আলোয় পরিষ্কার হয়ে গিয়েছিল।

সাংবাদিকদের ভোট গিয়েছিল খালিদের ব্যালটেই। তাঁদের জবাব শুনে শীর্ষ কর্তা বলেছিলেন, সুভাষ ভৌমিক এবং খালিদ জামিল দু’ জনেই কাসিম আইদারার কথা বলেছেন। সমর্থকদের পছন্দের তালিকায় কে— আইদারা নাকি খালিদ, তা অবশ্য জানা যায়নি। নতুন কোচের পছন্দের তালিকায় হয়তো নেই কাসিম। ময়দানে জোর গুঞ্জন, মিনার্ভার প্রাক্তন বিদেশিকে নাকি ছেড়ে দেওয়া হবে। ইস্টবেঙ্গলের তরফে অবশ্য সরকারিভাবে আইদারার ব্যাপারে কিছু জানানো হয়নি। 

এই বিষয়ে অন্যান্য খবর

কলকাতা লিগের নিষ্পত্তি হয়ে গিয়েছে বুধবারই। মোহনবাগান কলকাতা লিগ চ্যাম্পিয়ন হয়ে গিয়েছে। সেনেগালের আইদারাকে এনে কি খুব লাভবান হয়েছে ইস্টবেঙ্গল? যে কারণে তাঁকে সই করানো হয়েছিল, তা কি পূর্ণতা পেয়েছে? বল পায়ে আইদারা নাকি দ্রুতগামী খালিদের থেকে। তাঁর বলের উপরে নিয়ন্ত্রণও বেশি। সুভাষ এবং খালিদ জামিল এমনটাই বলেছিলেন। দুই কোচের কথার প্রেক্ষিতেই কর্তারা উগান্ডার ডিফেন্সিভ ফুটবলারের জায়গায় আইদারাকে সই করিয়েছিলেন। কলকাতা লিগের একটি ম্যাচেও সেনেগালের ফুটবলার ছাপ ফেলতে পারেননি। এটা একান্তই ব্যক্তিগত ধারণা। আইদারাকে নিয়ে সুভাষ ভৌমিক-বাস্তব রায়েরও যে বিশেষ কোনও পরিকল্পনা ছিল, তা বোঝা যায়নি। 
দিনকয়েক আগে খালিদ আউচো এবেলা.ইন-এর প্রতিবেদককে মেসেজ করেছিলেন, ‘‘ইস্টবেঙ্গল সমর্থকরা আমাকে মিস করছেন।’’ লাল-হলুদ সমর্থকরা সত্যি সত্যিই খালিদের অভাব অনুভব করেন কি না, তা খতিয়ে দেখেনি এবেলা.ইন। 

খালিদের দাবি, ক্লাব ছেড়ে চলে যাওয়ার পরে সমর্থকরা এখন তাঁকে মেসেজ করে জানাচ্ছেন, তাঁরা সত্যি সত্যিই খালিদকে ‘মিস’ করছেন। উগান্ডার ডিফেন্সিভ মিডফিল্ডারের সঙ্গে কথা বলে অবশ্য মনে হল, ইস্টবেঙ্গল যেভাবে তাঁকে ছেড়ে দিয়েছে, তাতে একেবারেই খুশি নন খালিদ। বারংবার তিনি বলছিলেন, ‘‘আমাদের খেলার তো কোনও প্রশংসাই করা হল না। ছেড়ে দেওয়া হল আমাকে। ডুডু ওমাকেও ছেড়ে দিল। আমরা তো একটা ইউনিট হিসেবে খেলছিলাম।’’ 

খালিদ আউচো ইস্টবেঙ্গল ছেড়ে চলে গিয়েছেন। চার্চিল ব্রাদার্সে খেলতে আসছেন উগান্ডার ফুটবলার। অনেকদিন হল তিনি চলে গিয়েছেন। ইস্টবেঙ্গল সমর্থকরা এখন তাঁর অভাব অনুভব করছেন। এতেই সন্তুষ্ট খালিদ আউচো।