অনেক আশা নিয়ে ইস্টবেঙ্গল সমর্থকরা মাঠে এসেছিলেন। কলকাতা লিগের বোধন। মরশুমের প্রথম ম্যাচেই আবার নামছে প্রিয় দল ইস্টবেঙ্গল। দিনের শেষে আশায় জল ঢেলে দিলেন রেফারি হল। ম্যাচ পুরোদস্তুর হল না। একরাশ হতাশা নিয়ে মাঠ ছাড়লেন লাল-হলুদ সমর্থকরা। 

এই বিষয়ে অন্যান্য খবর

বাসে-ট্রেনে লাল-হলুদ জার্সির আধিক্য। তাঁদের মুখে স্লোগান, ‘জয় ইস্টবেঙ্গল।’ 

 বিরতির পরেই রেফারি উত্তম সরকার খেলা পরিত্যক্ত ঘোষণা করে দিলেন। আর তা নিয়েই ক্ষুব্ধ টালিগঞ্জ কোচ মনোরঞ্জন ভট্টাচার্য। বলে দিলেন, ‘‘বিরতির পর বৃষ্টি থেমে গিয়েছিল। খেলা পরিত্যক্ত ঘোষণা করতে হলে আগেই করা যেত।’’

অথচ আকাশ কালো করে যখন মুষলধারে বৃষ্টি হচ্ছে, মাঠে হয়ে গিয়েছিল জলমগ্ন,  সেই সময়ে খেলা চলল। তখন রেফারিরা ম্যাচ পরিত্যক্ত ঘোষণা করলেন না কেন? তখনই তো চোটগ্রস্ত হতে পারতেন দু’ দলের ফুটবলাররা। ভরা বৃষ্টির মধ্যেই তখন খেলা চলল। অথচ বরুণদেবতা থামতেই রেফারি থামিয়ে দিলেন খেলা। সেই প্রসঙ্গে কোয়েস ইস্টবেঙ্গলের কোচ বাস্তব রায় বলে দিলেন, ‘‘প্রকৃতির উপরে তো আর হাত নেই।’’ 

ইস্টবেঙ্গল মাঠের নিকাশি ব্যবস্থা বেশ ভাল। মাঠ ঢালুও। জল জমার কথা নয়। আকাশ কালো করে যখন অঝোর ধারায় বৃষ্টি হচ্ছে, তখন মাঠ হয়ে গিয়েছিল ভারি। মাঠের মাঝখানে জমে গিয়েছিল জল। কিন্তু বৃষ্টি থামতেই জল নেমে যায়। তখনই রেফারি ঘোষণা করে দেন, আর খেলা সম্ভব নয়। এই মাঠ ফুটবলারদের জন্য বিপজ্জনক, চোটআঘাতের শিকার হতে পারেন ফুটবলাররা। 

ইস্ট-মোহন মাঠে ফ্লাডলাইটের ব্যবস্থা রয়েছে। পরেও শুরু করা যেত খেলা। সেই জায়গায় রেফারি থামিয়ে দেন খেলা। তখন খেলার ফলাফল ছিল ১-১। লাল-হলুদ-এর হয়ে গোল করেন কাশিম আইদারা। টালিগঞ্জের হয়ে সমতা ফেরান লাগো। দিনের শেষে প্রস্তুতি ম্যাচ হিসেবেই থেকে গেল কোয়েস ইস্টবেঙ্গল বনাম টালিগঞ্জ-এর লড়াই।