ইস্টবেঙ্গল-৩  টালিগঞ্জ অগ্রগামী-০
(ব্র্যান্ডন, জাস্টিন, সামাদ)

বদলে গিয়েছে এই ইস্টবেঙ্গল। টালিগঞ্জ অগ্রগামী ম্যাচ দিয়েই এবারের কলকাতা লিগে অভিযান শুরু করেছিল লাল-হলুদ শিবির। বরুণ দেবতার কল্যাণে সেই ম্যাচ মাঝপথেই পরিত্যক্ত হয়ে যায়। লক্ষ্মীবার ফিরতি ম্যাচে টালিগঞ্জ অগ্রগামীকে দাঁড়াতেই দিল না ইস্টবেঙ্গল। 

সেদিনের ইস্টবেঙ্গল আর এদিনের লাল-হলুদের মধ্যে জমিন-আসমান ফারাক। সেদিন খেলা পরিত্যক্ত হতেই টালিগঞ্জ শিবিরের এক ফুটবলার বলেছিলেন, প্রতিপক্ষের মুখে ভয়ের চিহ্ন দেখা গিয়েছে। তার পরে অনেক জল গড়িয়ে গিয়েছে। সময় যত এগিয়েছে ইস্টবেঙ্গলের খেলাও ততই খুলেছে। ইস্টবেঙ্গল-টালিগঞ্জ ম্যাচ যখন পরিত্যক্ত ঘোষিত হয়েছিল, তখন খেলার ফলাফল ছিল ১-১। 

এদিন উলটপুরাণ। তিন-তিনটি গোল হজম করল টালিগঞ্জ শিবির। ব্র্যান্ডন, জোবি জাস্টিন ও সামাদ আলি মল্লিক ইস্টবেঙ্গলকে তিন পয়েন্ট এনে দিলেন। জাস্টিনের গোলটা মনে রেখে দেওয়ার মতো। 

ইস্টবেঙ্গল ও মোহনবাগানের সমসংখ্যক ম্যাচ খেলা হয়ে গেল। গোলপার্থক্যে লাল-হলুদ ফের লিগ তালিকার শীর্ষে। সব চেয়ে উল্লেখযোগ্য পরিসংখ্যান যা, তা হল, ইস্টবেঙ্গল এখনও পর্যন্ত একটি গোলও হজম করেনি। অন্য দিকে মোহনবাগান কিন্তু তিন-তিনটি গোল ইতিমধ্যেই হজম করে ফেলেছে। এতেই বোঝা যাচ্ছে ইস্টবেঙ্গলের রক্ষণভাগকে সেভাবে বিপদে ফেলতেই পারেনি প্রতিপক্ষ শিবির। মোহনবাগান শিবিরও নিশ্চয় এই ব্যাপারটা নিয়েই ভাবছে। এগিয়ে আসছে কলকাতা ফুটবল লিগের সবচেয়ে বড় আকর্ষণ। ২ সেপ্টেম্বরের ডার্বি মহারণ। এই ম্যাচের দিকেই তাকিয়ে সবাই।