ইস্টবেঙ্গল— ৫  পিয়ারলেস— ১ 

(প্লাজা, গ্যাব্রিয়েল, সুরাবউদ্দিন হ্যাটট্রিক)  (নবি)

চিন্তা কমল খালিদ জামিলের। ইস্টবেঙ্গল সমর্থকরাও আশ্বস্ত। ত্রিনিদাদ-টোব্যাগোর স্ট্রাইকার উইলিস প্লাজা অবশেষে গোলে ফিরলেন। এদিন বৃষ্টিস্নাত ইস্টবেঙ্গল মাঠে প্লাজার গোলেই এগিয়ে যায় লাল-হলুদ শিবির। পিয়ারেলসের হয়ে সমতা ফেরান নবি-গুরবিন্দর সিংহ। এই পর্যন্ত পড়ে অবাক হতে পারেন সবাই। নবি-গুরবিন্দর কীভাবে গোল করলেন? দু’ জনে তো দুই দলের।

ইস্টবেঙ্গলের প্রাক্তন ফুটবলার নবি এখন পিয়ারলেসের হয়ে খেলছেন। মাঝে রাজনীতির ময়দানে নেমেছিলেন। এদিন তাঁর নির্বিষ হেড ক্লিয়ার করতে গিয়ে গুরবিন্দর জালে বল জড়িয়ে দেন। তখন ম্যাচের ফল ১-১। বিরতির পরে খেলার চালচিত্র বদলে যায়। ইস্টবেঙ্গলের আক্রমণের চাপে পিয়ারলেসের রক্ষণ হুড়মুড় করে ভেঙে পড়ে। চার্চিল ব্রাদার্স থেকে লাল-হলুদে আসা সুরাবউদ্দিন হ্যাটট্রিক করেন। ইস্টবেঙ্গলের হয়ে দ্বিতীয় গোলটি গ্যাব্রিয়েলের।

চার্চিলে খেলার আগে মোহনবাগানে খেলেছিলেন সুরাবউদ্দিন। তখন ছিলেন একেবারেই অনভিজ্ঞ। এখন অবশ্য তাঁর অভিজ্ঞতা বেড়েছে। চার্চিলের হয়ে বেশ কয়েকটি ম্যাচে নেমেছিলেন তিনি। একসময়ে ত্রিনিদাদ-টোব্যাগোর বিশ্বকাপার অ্যান্টনি উলফের পাশে খেলেছিলেন সুরাবউদ্দিন। উলফও এখন কলকাতায়। টালিগঞ্জ অগ্রগামীর হয়ে খেলছেন। এদিন সুরাবউদ্দিনের খেলা দেখেন উলফ। সুরাবউদ্দিন সম্পর্কে ত্রিনিদাদ-টোব্যাগোর বিশ্বকাপার বলছিলেন, ‘‘ওর জন্য আমি গর্বিত। চার্চিলের হয়ে বেশ কয়েকটা ম্যাচে ও নেমেছিল। প্রথম থেকে অবশ্য খেলেনি। কিন্তু পরে নেমে ও ভালই খেলে।’’

সেই সুরাবউদ্দিন ইস্টবেঙ্গলের জার্সিতে জ্বলে উঠলেন এদিন। একার হাতে ম্যাচ নিয়ে চলে গেলেন পিয়ারলেস ক্যাম্প থেকে।