ইস্টবেঙ্গল ৩  এরিয়ান্স ০ 
(কাসিম, ড্যানমাওয়াইয়া, আমনা) 

 

খেলার শেষে রঘু নন্দীর ছেলে রাজদীপ এগিয়ে গিয়ে প্রণাম করতে গেলেন ইস্টবেঙ্গলের টিডি সুভাষ ভৌমিককে। সুভাষ প্রণাম নিলেন না। এড়িয়ে গেলেন তা। সৌজন্য বিনিময় করে সুভাষ চলে গেলেন। 

খেলার শেষে সাধারণত দুই কোচ হাত মেলান, আলিঙ্গন করেন। এটাই নিয়মে পর্যবসিত হয়েছে। খেলার মাঠে সৌজন্য প্রকাশের এটাই নিয়ম বলে ধরে নেওয়া হয়েছে। এতদিন তা দেখাও গিয়েছে কলকাতা ময়দানে। রাজদীপ শ্রদ্ধা জানালেন অগ্রজ সুভাষকে। অভিজ্ঞতায় সুভাষ মহাসাগর। ফুটবল  মাঠে সুভাষের কীর্তি মিথ হয়ে গিয়েছে এখন। কোচ হিসেবে সুভাষ প্রায় সবকিছুই পেয়ে গিয়েছেন। এ হেন ফুটবল ব্যক্তিত্বকে তো প্রণাম করাই যায়। রাজদীপও সেটাই করেছেন। 

শনিবার কলকাতা লিগে ইস্টবেঙ্গলের একচেটিয়া প্রাধান্য দেখা গেল। প্রথমার্ধে এরিয়ান্স লড়াই একটা করেছিল। দ্বিতীয়ার্ধে ইস্টবেঙ্গলের সামনে খড়কুটোর মতো উড়েই গেল রাজদীপের ছেলেরা। 

কাসিম আইদারা শুরুটা করেন। দ্বিতীয়ার্ধে ড্যানমাওয়াইয়া ও আল আমনা ব্যবধান আরও বাড়ান। কলকাতা লিগের গোড়ার দিকে আমনাকে খেলানো হচ্ছিল না। কর্তাদের চাপে পড়ে আমনাকে এখন শুরু থেকে খেলানো হচ্ছে। সিরিয়ান ফুটবলারের গোলটা বেশ সুন্দর। বল ধরে দারুণ ভাবে ঘুরলেন। তাতেই খুলে গেল গোলমুখ। 

তিন-তিনটে গোলে জিতে লাল-হলুদ শিবির পৌঁছে গেল লিগ তালিকায় একনম্বরে। ইস্টবেঙ্গল ও মোহনবাগানের পয়েন্ট সমান (১০) হলেও গোল পার্থক্যে এখন একনম্বরে ইস্টবেঙ্গলই। রবিবার মোহনবাগান নামছে। প্রতিপক্ষ টালিগঞ্জ অগ্রগামী। পয়েন্ট খোয়ালে কিন্তু চাপ বাড়বে সবুজ-মেরুন শিবিরের উপরেই। ২ সেপ্টেম্বর ডার্বি। বাঙালির চিরআবেগের ম্যাচ হয়তো কলকাতা লিগের ভাগ্য গড়ে দেবে।