অন্তত ৬টি রাজ্য থেকে এটিএম-এ টাকা ফুরিয়ে যাওয়ার খবর আসছে সকাল থেকেই। পশ্চিমবঙ্গেও কয়েকটি এটিএম-এ টাকার আকাল বলেও খবর। নগদ টাকার আকাল দেখা দেওয়ায় আতঙ্কিত হয়ে পড়েছেন সাধারণ মানুষ।

কলকাতা, হাওড়া, উত্তর দিনাজপুরের বিভিন্ন এটিএম-এ টাকা ফুরিয়ে গেছে। ধীরে ধীরে টাকার আকালের আঁচ পড়ছে রাজ্যের অন্য জায়গাতেও। বিভিন্ন এটিএম-এ ‘নো ক্যাশ’ বোর্ড ঝোলানো রয়েছে।

এরই মাঝে কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রকের তরফে জানিয়ে দেওয়া হল, অর্থের জোগান বাড়াতে ব্যবস্থা নিচ্ছে সরকার। অর্থনৈতিক বিষয়ক দফতরের সচিব এসসি গর্গ সংবাদসংস্থাকে জানিয়েছেন, ‘‘আমরা প্রতিদিন প্রায় ৫০০ কোটি টাকার ৫০০ টাকার নোট ছাপাই। আমরা এর ৫ গুণ নোট ছাপাব। কয়েকদিনের মধ্যে ২৫০০ কোটি টাকার ৫০০ টাকার নোট ছাপানো হবে। প্রতি মাসে ৭০ থেকে ৭৫ হাজার কোটি টাকার জোগান থাকবে।’’

এই বিষয়ে অন্যান্য খবর

তার আগে অবশ্য অর্থমন্ত্রী অরুণ জেটলি স্বীকার করে নিয়েছেন যে, বিভিন্ন এটিএম-এ সত্যিই টাকার অভাব দেখা দিয়েছে। 

এই সমস্যা নিয়ে টুইট করেছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ও। পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী জানতে চেয়েছেন, ‘‘দেশে কি অর্থনৈতিক জরুরি অবস্থা চলছে?’’

দেশে নগদ টাকার চাহিদা বেড়ে যাওয়াতেই নাকি এটিএম-এ টাকা ফুরিয়ে যাচ্ছে বলে দাবি করেছে সরকার। স্টেট ব্যাঙ্কের চেয়ারম্যান রজনীশ কুমারের বক্তব্য, দেশে টাকা ফুরিয়ে গেছে বললে ভুল বলা হবে। নতুন শস্য কেনার মরশুম শুরু হওয়াতে নগদ টাকার ভারসাম্যহীনতা দেখা দিয়েছে। 

 ইতিমধ্যেই একটি বিশেষ কমিটি গড়েছে অর্থমন্ত্রক। সমস্যাটি ২-৩ দিনের মধ্যেই মিটে যাবে বলে আশা প্রকাশ করেছেন অর্থমন্ত্রকের রাষ্ট্রমন্ত্রী শিবপ্রতাপ শুক্ল।