ইতিহাস গড়ে পাকিস্তান আইনসভায় পা রাখলেন এক হিন্দু দলিত মহিলা। পাকিস্তানের সিন্ধ প্রদেশের আসনটি সংখ্যালঘু মহিলাদের জন্য সংরক্ষিত ছিল। সেই আসনেই জয়লাভ করেন কৃষ্ণাকুমারী কোহলি।

এক সর্বভারতীয় সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত প্রতিবেদন অনুযায়ী, পাকিস্তান পিপলস পার্টির হয়ে কৃষ্ণা জিতেছেন বলে জানা গিয়েছে। এর আগেও পিপিপি পার্টির টিকিটে আরেক হিন্দু মহিলা রত্না ভাগওগাস সেনেট নির্বাচিত হয়েছিলেন।

বছর ৩৯-এর কৃষ্ণা সিন্ধ প্রদেশের নাগারপার্কার জেলার বাসিন্দা। নবম শ্রেণিতে পড়ার সময় তাঁর বিয়ে হয়ে যায়। বিয়ের পরেও নিজের পড়াশুনা চালিয়ে যান কৃষ্ণা। সিন্ধ বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ২০১৩ সালে সোসিওলজিতে মাস্টার্স করেন তিনি।

এই বিষয়ে অন্যান্য খবর

জানা গিয়েছে, একজন সমাজকর্মী হিসাবে পিপিপিতে যোগদান করেন কৃষ্ণাকুমারী ও তাঁর ভাই। কৃষ্ণা বিখ্যাত স্বাধীনতা সংগ্রামী রূপলো কোলহির পরিবারের উত্তরসূরি বলে জানা গিয়েছে।

সীমান্তে মাঝে মধ্যেই সংঘর্ষ বিরতি চুক্তি লঙ্ঘন করছে পাক সেনা। এখন কৃষ্ণাকুমারী সেনেট নির্বাচিত দু’দেশের মধ্যে শান্তি প্রক্রিয়া ফেরাতে কী উদ্যোগ নেন সেটাই এখন দেখার।