অপেক্ষা ছিল একটি বলের। হাতে ছিল ৯০ ওভার। ভারত জিতছেই, এটা সকলেরই জানা ছিল। কেবল সেউ জয়ে শেষ তুলির টানটারই অপেক্ষা। সেটা মিলে ১৭তম বলেই। ইংল্যান্ডের শেষ উইকেট পতন ৩১৭ রানে। জিমি অ্যান্ডারসনকে অশ্বিন আউট করতেই ম্যাচ ভারতের পকেটে। ২০৩ রানের বিরাট ব্যবধানে ইংল্যান্ডকে চূর্ণ করল কোহলির টিম ইন্ডিয়া। সিরিজের প্রথম দুই ম্যাচে হেরে যাওয়ার পরে অবশেষে তারা ফিরল জয়ে। 

ইংল্যান্ড ৩১১/৯। এই অবস্থায় খেলা শুরু হল। খেলা সামান্য গড়াতেই রাহানের হাতে ক্যাচ দিলেন অ্যান্ডারসন। জয়ের জন্য প্রয়োজন ছিল ৫২১ রানের। কিন্তু গোটা ইংল্যান্ড দল ভেঙে পড়ল ৩১৭ রানে। বাটলার (১০৬) ও বেন স্টোকস (৬২) ছাড়া আর কেউই দাঁড়াতে পারেননি। বুমরাহ (৮৫/৫) এই ইনিংসের সফলতম বোলার। প্রথম ইনিংসে ৫ উইকেট পেয়েছিলেন হার্দিক পাণ্ড্য। বিলেতে ভারতের এই জয়ে প্রধান স্থপতি রইলেন ফাস্ট বোলাররা। স্পিনের ভেলকি নয়, পেসের দাপটে ম্যাচ জিতছে ভারত— ভারতীয় ক্রিকেটে সোনালি মুহূর্ত তৈরি করলেন কোহলির সেনারা। 

সিরিজের লড়াইতেও ফিরে এল ভারত। এখন দেখার, সিরিজের শেষ দু’টি ম্যাচেও এই সাফল্যের ধারা অব্যাহত থাকে কি না।