আগের দিনই বলেছিলাম, এই ভারতীয় বোলিংয়ের ক্ষমতা রয়েছে বাকি দু’দিনে ইংল্যান্ডের ব্যাটিংকে অল আউট করার। হলও তাই।

দিনের শেষে ইংল্যান্ড ৯ উইকেট হারিয়েছে। বোর্ডে ৩১১ রান। এখনও গোটা একটা দিন পড়ে। বিরাট কোহলিদের জয় সময়ের অপেক্ষা মাত্র। প্রকৃতিও হয়তো ইংল্যান্ডকে আর বাঁচাতে পারবে না! 

মধ্যাহ্নভোজ থেকে চা পানের বিরতি পর্যন্ত সেশনে অবশ্য ইংল্যান্ড লড়াই করেছে। জস বাটলার ভাল ব্যাটসম্যান।  সেঞ্চুরি করে পাল্টা একটা চেষ্টা করেছিল। আইপিএল থেকেই ভাল ফর্মে রয়েছে। ও আরও নীচের দিকে ব্যাট করে। কিন্তু জনি বেয়ারস্টোর আঙুলে চোট থাকায় ওপরে ব্যাট করতে হয়েছে। ওর আর বেন স্টোকসের পার্টনারশিপটার সময়ও একবারের জন্যও কিন্তু মনে হয়নি ইংল্যান্ড ম্যাচটা বাঁচাতে পারে বলে। জানতাম ওই জুটিটা ভাঙতে পারলেই ধসে পড়বে জো রুটদের যাবতীয় প্রতিরোধ। সেটাই হল।

নতুন বলে কাজের কাজটা করল যশপ্রীত বুমরা। ওভার দ্য উইকেট এসে বলটা ভেতরে ঢোকাল। বাটলার বোকার মতো জাজমেন্ট দিতে গিয়ে এলবিডব্লিউ হল। পরের বলেই বোল্ড বেয়ারস্টো। ম্যাচও ওখানেই শেষ। ওই একটা স্পেলেই। ক্রিকেটে একটা কথা আছে, ‘ওয়ান ব্রিঙ্গস টু’। সেই কাজটাই বুমরা করল। ওর বড় গুণ হল সবসময় উইকেট তোলার চিন্তা করে। জো রুটের উইকেটটাও খুব গুরুত্বপূর্ণ ছিল। দক্ষিণ আফ্রিকা সিরিজেও ভাল বোলিং করেছিল। এখানে তৃতীয় টেস্টে ফিরেই পাঁচ উইকেট। সীমিত ওভারের মতো ক্রিকেটের দীর্ঘ ফর্ম্যাটেও নিজের অপরিহার্যতা প্রমাণ করছে। দুর্ভাগ্য, রশিদকে যে বলটায় আউট করল, সেটা নো-বল হল। তবে ১ রানের মাথায় ঋষভ পন্থ বাটলারের ক্যাচটা না ফেললে ম্যাচ আগেই শেষ হয়ে যেত। পরিবেশ বুঝে যেভাবে ভারতীয় বোলাররা বল করল, ফুলমার্কস দিতেই হচ্ছে। স্লিপ ক্যাচিংও বেশ ভাল হয়েছে ট্রেন্ট ব্রিজে। ব্যাটসম্যানদের এই ছন্দটা ধরে রাখতে হবে। তাহলেই বাকি দুই টেস্টে পুরনো মেজাজে ফিরবে বিরাট ব্রিগেড।